ইসলামিক শিক্ষা - ১৪ জুলাই, ২০১২
রমাদ্বান শরীফ-এ সরকারের উচিত দ্রব্যমূল্য কমানোসহ চাকুরীজীবীদের কাজ কমানো এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা
রমাদ্বান শরীফ-এর ফযীলত সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “বান্দা-বান্দিরা যদি রমাদ্বান শরীফ-এর ফযীলত সম্পর্কে জানতো, তাহলে অবশ্যই তারা এ আকাঙ্খা করতো, যেন সারা বছরই রমাদ্বান হয়।” (ইবনে খুজাইমা) হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি ঈমান ও ইখলাছের সাথে রমাদ্বান শরীফ-এর রোযা রাখবে, রাতে ইবাদতে কাটাবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে।” (বুখারী, মুসলিম) বাইহাক্বী ও মিশকাত শরীফ-এ বর্ণিত হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি এ মাসে একটি নফল ইবাদত করবে, সে অন্য মাসে একটি ফরয আদায়ের তুল্য ছওয়াব লাভ করবে। আর যে এ মাসে একটি ফরয ইবাদত করবে, সে অন্য মাসে সত্তরটি ফরয আদায়ের সমতুল্য ছওয়াব লাভ করবে। এ মাস ছবরের মাস, ছবরের প্রতিদান জান্নাত। যে ব্যক্তি এ মাসে আপন গোলাম ও কর্মচারীর (দায়িত্বের) বোঝা কমিয়ে দিবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ দিবেন।’ মূলত, সরকারের উচিত এ মাসে প্রতিটি বান্দা যেন যথাযথভাবে দিনে রোযা পালন, রাতে তারাবীহর নামায আদায় করতে পারে সেজন্য দায়িত্বের বোঝা হালকা করে কর্মঘণ্টা কমানো। আর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা। সেই সাথে দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা যাতে সবকিছু সহজলভ্য হয়। এজন্য সরকারের উচিত এখন থেকেই রমাদ্বান শরীফ সুষ্ঠভাবে পালনের সর্বপ্রকার প্রস্তুতি ও ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা। |