অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

আপনাদের মতামত - ১৪ এপ্রিল, ২০১২
 
কোনো সুস্থ মানসিকতার মানুষ পহেলা বৈশাখকে হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্য বলতে পারে না
-শাহ সেলিনা আরজু।

বাংলাদেশ ও ভাষা এবং বর্ষসহ পহেলা বৈশাখ নাকি হাজার বছরের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান! অথচ বাস্তব সত্য হলো, বাংলা সন প্রথম শুরু করে বাদশাহ আকবর। সে হিন্দুদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে ৯৬৩ হিজরীকে ৯৬৩ ফসলী সনে রূপান্তর করে। উদ্দেশ্য হলো হিজরী সনের ক্ষতিসাধন। এর পিছনে পরোক্ষভাবে আছে ইহুদী, মুশরিক এবং শিয়া এবং ইসলাম বিদ্বেষী আমুদেরা। সর্বোপরি উলামায়ে ছূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মৌলবী আবুল ফযল, ফৈজী, মোল্লা মোবারক নাগরী। দ্বীনে ইলাহীকে সাফল্যমণ্ডিত করা যার উদ্দেশ্য। পরে তা বাংলা সনের নামে চালানো হয়। বাদশাহ আকবরের নির্দেশে বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সনের রূপকার আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজী। তাহলে হিসাব মতে বাংলা সন (কথিত) এর উৎপত্তির ৫০০ বছরও হয়নি। ১৯৪৭ সালের আগে কোনো পহেলা বৈশাখের অস্তিত্ব ছিল না। প্রথম পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সঙ্গীত অনুষ্ঠান হত না। মতভেদ মতে ১৯৬৬, ৬৭, ৬৮ ঈসায়ীর আগে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই বৈশাখকে ঘিরে। জান্তব র‌্যালির ইতিহাস ১৯৬৮ সালের অনেক পরে। পান্তা ইলিশ তাও সেদিনের রেওয়াজ। এসবের পিছনে রয়েছে দুরভিসন্ধি। অথচ কথিত বাংলা সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র শান্তি নিকেতন বা পশ্চিমবঙ্গে নেই কোনো উন্মাদনা। এখানে মুসলমানের কোনো অংশ নেই। ইহা সম্পূর্ণ হিন্দু, বৌদ্ধ ও অগ্নি উপাসকের মূর্তিপূজার দিন। তারপরও খোদ ভারতে বৈশাখ উপেক্ষিত। নিরুৎসাহিত, নিরানন্দ। তাহলে বাংলাদেশে বাঙালি সংস্কৃতি ফেরিকারী এবং বৈশাখে ছুটি দানকারী সরকার মহোদয় বলবেন কী?








For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal