অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

আপনাদের মতামত - ১২ জুন, ২০১২
 
সুন্দরবনের পাশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: পরিবেশ ও অর্থনৈতিক বিবেচনা-৫
-মুহম্মদ মুশফিকুর রহমান।

একটি ৫০০ মেগাওয়াটের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বছরে ১ লক্ষ ২০ হাজার টন ছাই এবং ১ লক্ষ ৯৩ হাজার টন তরল কয়লা বর্জ্য বা স্লারি উৎপাদিত হয় যার উপযুক্ত ব্যাবস্থাপনা করা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি বড় সমস্যা।
গ) পানি দূষণ: কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কঠিন ও তরল বর্জ্য বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে, সংরক্ষণ আধার থেকে চুইয়ে নানানভাবে গ্রাউন্ড ও সারফেস ওয়াটারের সাথে মিশে পানি দূষণ ঘটায় যার ফলে পানির মাছ, পানির উদ্ভিদ ইত্যাদি হুমকির মুখে পড়ে।
ঘ) শব্দ দূষণ: কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টারবাইন, কমপ্রেসার, পাম্প, কুলিং টাওয়ার, কনস্ট্রাকশনের যন্ত্রপাতি, পরিবহনের যানবাহনের মাধ্যমে ব্যাপক শব্দ দূষণ ঘটে থাকে। এসব কারণেই আবাসিক এলাকা, কৃষিজমি এবং বনাঞ্চলের আশপাশে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করার অনুমতি প্রদান করা হয় না।
বিপন্ন সুন্দরবন, বিপন্ন পরিবেশ: পরিবেশ দূষণ, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, বন কেটে ধবংস করা ইত্যাদি নানান কারণেই বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য সুন্দরবন ধ্বংসের মুখে। প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি থেকে সুন্দর বনের দূরত্ব মাত্র ৯ কিমি। ফলে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বায়ু-পানি-কঠিন-তরল যত ধরনের দূষণ ঘটতে পারে তার সবটুকুই সরাসরি সুন্দরবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। পশুর নদী থেকে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় পানি ঘণ্টায় প্রায় ২৪/২৫ হাজার ঘনমিটার হারে প্ল্যান্টে টেনে নিলে সেক্ষেত্রে নদীর উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর সেচ কাজ কিভাবে চলবে সেটা একটা প্রশ্ন।








For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal