 |
আপনাদের মতামত - ৩০ জুন, ২০১২
মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ-এ বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক-এর ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকদের দেশ
বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিক তথা ইহুদী-নাছারা-মজুসী-মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য সম্প্রদায় সবাই একজোট হয়ে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে, অলিতে-গলিতে মুসলমানদের উপর জঙ্গি হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে অবর্ণনীয় যুলুম নির্যাতন করছে, তাঁদেরকে নির্বিচারে শহীদ করছে, মুসলমানদের দেশে সৈন্য পাঠিয়ে অবৈধভাবে মুসলমানদের সম্পদ লুণ্ঠন করছে, মুসলিম মহিলাদের সম্ভ্রমহরণ করছে, সন্ত্রাসী অপবাদ দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাচ্ছে। পাশাপাশি ফরয-ওয়াজিব-সুন্নতে মুয়াক্কাদা তথা শরীয়ত পালনে বাধা প্রদান করছে। এমনকি এই কাফির-মুশরিক তথা ইহুদী-নাছারা-মজুসীরা তাদের টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান করে, ইন্টারনেট-ফেসবুক-ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কন করে নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ পোড়ানো দিবস পালন করেছে। এরপরও সারা বিশ্বের প্রায় সোয়া ৩০০ কোটি মুসলমান চুপ থাকলেও যামানার একমাত্র ইমাম ও মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, জামিউল আলক্বাব, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমাম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ, বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ মকবুল মুবারক মুনাজাত শরীফ-এ বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকদের দেশগুলোর বিরুদ্ধে বদদোয়া ও বেমেছাল রোব মুবারক প্রকাশ করলেন। যার কারণে উনার বেমেছাল রোব মুবারকের ফলেই এখন খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত হয়ে নিস্তানাবুদ তথা অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে একে একে বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকদের দেশগুলো।
(ধারাবাহিক) এত ক্ষয়ক্ষতি আগে কখনো দেখা যায়নি!! এফবিআই’র পরিচালক রবার্ট মুলার বলেছিল- সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করার জন্য মসজিদে গোয়েন্দাগিরি চালানোই হলো সর্বোত্তম অস্ত্র। নাউযুবিল্লাহ!! তারা মুসলমানকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্মম নির্দয় যুলুম-নির্যাতন করে থাকে। মুসলমানগণকে নিজ দেশেই ফেরারি জীবনযাপন করতে বাধ্য করে রাখে। যার ফলে আজ ওইসব কাফিরদের উপর শুরু হয়েছে স্মরণকালের ভয়াবহ খোদায়ী আযাব-গযব। গত ১০.০৪.১৪৩৩ হিজরী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযিমী (সোমবার শরীফ) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ টর্নেডোয় প্রাণহানির সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি হিসেবে নিহতের সংখ্যা মাত্র ৩৮ বলে দাবি করা হলেও স্থানীয়রা জানিয়েছে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে। কারণ বহু লোক ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে যায়, যাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে সিরিজ টর্নেডোর আঘাতে ম্যারিসাভিল নামক একটি শহর একবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। টর্নেডোর তা-ব হতবাক হয়ে পড়ে আমেরিকাবাসী। দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। সন্ত্রাসী প্রেসিডেন্ট ওবামা ইন্ডিয়ানা, কেনটাকি ও ওহাইও রাজ্যের গভর্নরদেরকে নিহতদের স্মরণে শোক পালনের আহবান জানায়। (সূত্র: এএফপি) |
|
 |