আপনাদের মতামত - ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যদি কারো কল্যাণ চান, তবে তাকে দ্বীনের ছহীহ সমঝ (ছহীহ বুঝ, প্রকৃত জ্ঞান গরীমা) দান করেন।” কথা হলো, যারা বর্তমান যামানায় বুদ্ধিজীবী নাম ধারণ করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বুলি আওড়ায় তারা প্রকৃতপক্ষে কতোটুকু বুদ্ধিসম্পন্ন? হাক্বীক্বতে তারা বুদ্ধিজীবী নয়, বরং বুদ্ধিজীবী উপনামের কলঙ্ক। যদি তারা সত্যিকারের বুদ্ধিজীবীই হতো, তাহলে তারা মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওযা সাল্লাম উনাদের মত, পথ, তর্জ-তরীক্বাকে ছেড়ে দিতো না। যে বুদ্ধিতে তাদেরকে মহান সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক মা’রিফত, মুহব্বত হাসিল করাতে পারলো না, সেটা হাক্বীক্বতে ইবলিস মার্কা বুদ্ধি। অতএব, দুনিয়াবাসীকে এ বুদ্ধিজীবীর মত, পথ ও বুলি গ্রহণ করা হতে সাবধান থাকতে হবে। তাদেরকে চিহ্নিত করে সমাজ থেকে বয়কট করতে হবে। কেননা এরাই হচ্ছে সমাজে ফিতনা-ফাসাদ প্রচার ও প্রসারকারী।
|