 |
যারা মানবরচিত তন্ত্র ও মতবাদ বাস্তবায়ন করবে তারা পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে
-মুফতী আবূ আহমদ সাফওয়ান।
মহান আল্লাহ পাক পূর্ববর্তী নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণের প্রতি নাযিলকৃত তিনখানা কিতাব-তাওরাত শরীফ, যাবূর শরীফ, ইনজীল শরীফ এবং একশতখানা ছহীফা শরীফ-এর হুকুম এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মানবরচিত সকল মতবাদ বাতিল ঘোষণা করে উনার যিনি হাবীব, যিনি নবীদের নবী, রসূলদের রসূল, যিনি তামাম মাখলূকাতেরও নবী ও রসূল উনাকে হিদায়েতকারী হিসেবে, সতর্ককারী হিসেবে, সুসংবাদ দানকারী হিসেবে, দ্বীন ইসলাম দিয়ে, কুরআন শরীফ দিয়ে, হাদীছ শরীফ দিয়ে যমীনে পাঠিয়েছেন। কাজেই, আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আগমনের পর উনার প্রতি নাযিলকৃত কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর হুকুম তথা আদেশ-নিষেধের বিপরীত অন্য কোন ধর্ম ও মতবাদের অনুসরণ অনুকরণ জায়িয নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “বান্দারা কি আল্লাহ পাক-এর দ্বীন (ইসলাম) ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম ও মতবাদ তালাশ করে? অথচ আসমান-যমীন এবং তার মধ্যে যা কিছু রয়েছে সবই ইচ্ছায় এবং অনিচ্ছায় আল্লাহ তায়ালার দিকে রুজু রয়েছে।” (সূরা আলে ইমরান-৮৩) অর্থাৎ মাখলূকাতের সকলেই আল্লাহ তায়ালার আদেশ-নিষেধ যথাযথভাবে পালন করে থাকে। তাহলে মানুষ আশরাফুল মাখলূকাত হয়ে কি করে আল্লাহ পাক এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাফরমানী করে থাকে তথা আদেশ-নিষেধের বিপরীত আইন বা হুকুম প্রণয়ন করে থাকে এবং তা মেনে থাকে? অথচ আল্লাহ পাক উনার পাক কালামে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদ তালাশ করবে বা গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে কখনোই কবুল করা হবে না। এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের (জাহান্নামীদের) অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা আলে ইমরান-৮৫) অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম তথা আল্লাহ পাক-এর মত এবং আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পথ ছাড়া অন্য কোন মত ও পথ কেউ যদি গ্রহণ করে তাহলে সে অবশ্যই পাকড়াও হয়ে যাবে এবং কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। |
|
 |