অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

বিশেষ প্রতিবেদন - ৩০ জুন, ২০১২
 
দুর্নীতি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর অপারগতা প্রকাশ:
সারাদেশে অবাধে চলছে ভুয়া প্রকল্প ও ভুয়া বিলের ছড়াছড়ি (২৫)
-মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ভাবলেশহীন হয়ে স্বীকার করেছেন আইন করে দুর্নীতি বন্ধ সম্ভব নয়। দুর্নীতি বন্ধে দেশের যে দুর্নীতি দমন বিভাগ যা দুদক রয়েছে সে দুদকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ অনেক কর্মকর্তারই দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র জাহির হয়েছে। দুর্নীতি সমাজের সংক্রামক ব্যাধি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
এসপি, ডিসি থেকে মন্ত্রী এমনকি খোদ বিচারকের নামে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। দেশের সব সরকারই দুর্নীতিতে মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।
দেশে ও জনগণের টাকা প্রকল্পের নামে হয় চুরি। পুকুর চুরি নয় সাগর চুরি।
কিন্তু জনগণ থাকে অন্ধকারে। বর্তমান সরকারেও এই দুর্নীতি বন্ধ নেই। দেশ ও জনগণের সচেতনতার জন্য ধারাবাহিকভাবে এখানে উল্লেখ করা হল:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)


চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে লুটপাট বিমানে

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে বিমানে চলছে জাল-জালিয়াতি আর লুটপাট। এ কায়দায় ৫০৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রতি বছর ৬শ’ বার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। তিন মাসের জন্য নিয়োগ নিয়ে তিন বছর ধরে কর্মরত আছেন শতাধিক কর্মচারী। বিমানের একটি সিন্ডিকেট এই খাত থেকে প্রতি চুক্তিতে মোটা অংকের মাসোহারা পাচ্ছে। এসব দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগে বিমানের বিভিন্ন পদের ৪ ম্যানেজারের ব্যক্তিগত ফাইল তলব করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। তারা হলো, ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ খান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সাইদুর রহমান, ম্যানেজার (এইচআরএম) আলী নিয়াজ এবং ম্যানেজার (স্টোর) শফিকুর রহমান। বিমান কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে এই চার কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ফাইল তৈরি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট একই পদে কর্মরত থেকে বিমানের ফ্লাইট ক্যাটারিং, কেবিন ক্রুসহ বিভিন্ন শাখাকে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করেছে। অভিযোগ রয়েছে এদের প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ সহযোগিতায় লোকবল নিয়োগ, চুক্তি নবায়ন, মালামাল ক্রয়, টেন্ডার আহবানের নামে চলছে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতি। ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টারের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য বিমানের একজন কর্মকর্তাকে পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হলেও জানা গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার নির্দেশনা পর্যন্ত মানছে না কেউ। অনেক ক্ষেত্রে তথ্য গোপন করে ফাইল স্বাক্ষর করিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেট। অনেক ক্ষেত্রে বোর্ড সদস্যদেরও আড়াল করে ফায়দা লুটছে সিন্ডিকেট।
চুক্তি নবায়ন নিয়ে দুর্নীতি : বাংলাদেশ বিমানের বিভিন্ন শাখায় ৫০৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছিল চুক্তিভিত্তিক। কাউকে এক বছর, কাউকে ২ বছর আবার কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ৩ মাসের জন্য। কিন্তু যে কাজের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ওই কাজ শেষ হয়ে গেলেও নিয়োগকৃত কারও চাকরি বাতিল হয়নি। অভিযোগ রয়েছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে একটি সিন্ডিকেট বারবার চুক্তি নবায়ন করে বিমানে চাকরি করে যাচ্ছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই ৫০৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি টিকিয়ে রাখার জন্য প্রতি বছর ৬শ বার চুক্তি নবায়ন করতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি নবায়নে সিন্ডিকেট গড়ে ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। এ হিসাবে ২০ হাজার টাকা নিলে প্রতি বছর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা উপরি আয় হয় সিন্ডিকেটের। আর ১ লাখ টাকা নিয়ে প্রতি বছর আয় হচ্ছে ৬ কোটি টাকা। ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ বিমানের এই চুক্তি নবায়নের কাজ চলে আসছে।
নিয়োগে দুর্নীতি : ২০০৬ সালে ৭৮ জন এবং ২০০৯ সালে ৯৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়েছিল মাত্র তিন মাসের জন্য। হজযাত্রীদের সেবা এবং তাদের খাবার তৈরির জন্য বিমানের ফ্ল্যাইট ক্যাটারিং সেন্টারে এই ১৭১ জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। কথা ছিল হজ্জ মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করা হবে। এ কারণে এসব নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করা হয়নি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এ পর্যন্ত ৬টি হজ্জ চলে গেলেও ওইসব চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তরা এখনও স্বপদে বহাল তবিয়তে আছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি তিন মাস অন্তর এসব নিয়োগপ্রাপ্তরা মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে তাদের চাকরি জিইয়ে রেখেছে। যার কারণে কাজ না থাকলেও বিমান তাদের বেতনভাতা, ওভারটাইম, আপ্যায়নভাতাসহ সব ধরনের পাওনা দিয়ে আসছে। এসব কর্মচারীর কেউ কেউ এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। এদের কেউ কেউ বিমানবন্দরে চোরাচালান, মাদক পাচার, হুন্ডি পাচারের সঙ্গে জড়িত। যার কারণে মোটা অংকের টাকা দিয়েও তারা চাকরি বাঁচিয়ে রেখেছে।
বিএফসিসিতে এই নিয়োগ বাণিজ্যের মূল হোতা মানবসম্পদ বিভাগের ম্যানেজার আলী নিয়াজ। সে ১১ বছর ধরে এই পদে কাজ করছে। আলী নিয়াজ নিজেও চুক্তিভিত্তিক হিসেবে চাকরি করছে। বিমানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে সে এই নিয়োগ বাণিজ্য করে চলছে বছরের পর বছর। শুধু বিএফসিসিতে নয়, বিমানের ট্রান্সপোর্ট, কার্গো, ইঞ্জিনিয়ারিং, পোলট্রিসহ প্রতিটি বিভাগের মানবসম্পদ বিভাগের মাধ্যমেই চলছে এই নিয়োগ বাণিজ্য। সর্বশেষ বিএফসিসিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৮০ জনকে। জানা গেছে, এদের কোন নিয়মনীতি ছাড়াই নিয়োগ দেয়া হয়েছে অর্থের বিনিময়ে। আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি, লিখিত পরীক্ষা, সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষেই এসব নিয়োগ দেয়া হতো। কিন্তু সাম্প্রতিককালে নিয়োগ পাওয়া ৮০ জনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের নিয়মনীতি মানা হয়নি।
কোটা জালিয়াতি : বাংলাদেশ বিমানের জনবল নিয়োগ দেয়ার নিয়ম হচ্ছে জেলা কোটার মাধ্যমে। অভিযোগ রয়েছে, এ পর্যন্ত বিমানে যত নিয়োগ হয়েছে তার অর্ধেক জনবল জেলা কোটা জাল জালিয়াতি করে নিয়োগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট নিয়োগকৃতদের সঙ্গে যোগসাজশে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এক জেলার লোককে অন্য জেলার দেখিয়ে নিয়োগ দিয়েছে। সম্প্রতি বিমানের বিএফসিসি শাখায় এ ধরনের একটি অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে গোটা বিমানে এ ধরনের চিত্র দেখেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এ কারণে অনেক জেলা রয়েছে যেখানে অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে থাকলেও কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় তারা নিয়োগ পাচ্ছে না। সর্বোচ্চ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে সিলেট, আর চট্টগ্রামের কোটা নিয়ে। আগে এই দুই জেলার বাসিন্দারা বিমানে নিয়োগ নিতে চাইতো না। এ কারণে অন্যান্য জেলার বাসিন্দারা এই দুই জেলায় নিজেদের স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়ে চাকরি নিয়েছে। বাস্তবে তাদের স্থায়ী ঠিকানা অন্যত্র। এই কোটা জালিয়াতি করতে গিয়ে বিমানের সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিমানে এ ধরনের বেশি দুর্নীতি হয়েছে বিএফসিসি, কার্গো, ট্রান্সপোর্ট, পোলট্রি শাখায়। অভিযোগ এই তিন শাখার অর্ধেক জনবলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, বর্তমানে বিমানে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি জনবল রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার জনবলের বিরুদ্ধে কোটা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর খাবার তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত নথি যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে দেখা গেছে শুধু বিএফসিসির ১১ জন নিয়োগ নিয়েছে স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে। অভিযোগ রয়েছে ওই সময় কুমিল্লা জেলা কোটা খালি না থাকায় সিলেটের জেলা কোটা থেকে চাকরি নিয়েছে বিমানের একজন সেফ। বিমানের বেকারি ইউনিটে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েও বর্তমানে তিনি এখন সেফ। জানা গেছে, এই জেলা কোটা জালিয়াতির জন্য তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।
বর্তমানে শুধু বিএফসিসিতে এ ধরনের একশ জনবল রয়েছে যারা স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে নিয়োগ নিয়েছে। এদের মধ্যে বেকারি শাখার একজনের বাড়ি বরিশাল হলেও স্থায়ী ঠিকানা খুলনা দেখিয়ে, কুমিল্লার একজন পাবনা দেখিয়ে নিয়োগ পেয়েছে। কিচেন শাখার একজন ঢাকার বাসিন্দা হলেও নিয়োগ পেয়েছে নীলফামারী দেখিয়ে, বরিশালের একজন খুলনা দেখিয়ে নিয়োগপত্র নিয়েছে। নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, যদি কারও এনএসআই ও পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদনে স্থায়ী ঠিকানা ভুল কিংবা মিথ্যা প্রমাণিত হয় তাহলে কোন ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়া তাদের নিয়োগ সরাসরি বাতিল করা হবে। কিন্তু প্রতিদিনই বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিমানকে গড়ে ৪/৫ ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা জাল-জালিয়াতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন দিলেও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। বরং অভিযোগ আছে গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিবেদন এলে সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের বাণিজ্য বেশি হচ্ছে।
যে কারণে ৪ কর্মকর্তার ফাইল তলব : অভিযোগ রয়েছে এই সিন্ডিকেটের দায়িত্ব অবহেলার কারণে বিএফসিসির মেইনটেইনেন্স, হাইজি, স্টোর, এইচআরএম ও উৎপাদন শাখাগুলো লুটপাটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দায়িত্বে থেকেও কেউ কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তাছাড়া নিয়ম অনুযায়ী একটি প্রকল্প ৭ বছর থাকার কথা। এরপর যদি প্রকল্পটি লাভজনক হয় তাহলে সেটি মূল বডির সঙ্গে সংযুক্ত করার কথা। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা তা না করে দীর্ঘদিন ধরে এটি জিইয়ে রেখে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে। বিএফসিসিকে বিমানের সঙ্গে আত্তীকরণ না করে সংশ্লিষ্টরা একদিকে বছরের পর বছর অবৈধভাবে প্রকল্প হিসেবে জিইয়ে রেখেছে অপর দিকে অফিস আদেশ জারি করে বোর্ড গঠন করে কর্মকা- পরিচালনা করছে। দুটি কাজই অবৈধ। কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অফিস সূত্রে জানা গেছে, একই প্রতিষ্ঠানে ২টি বোর্ড অবৈধ। এ ধরনের বোর্ড গঠন বিমানের প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। এছাড়া বিএফসিসিতে প্রায় ২০ বছর ধরে একটি প্রতিষ্ঠান মালামাল সরবরাহ করছে। প্রতি বছর একাধিক প্রতিষ্ঠান মালামাল সরবরাহের জন্য দরপত্রে অংশ নিলেও প্রতিবারই কার্যাদেশ পাচ্ছে জাফর নামে এক ব্যক্তি। টেন্ডারের দর আগেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। যার কারণে সিন্ডিকেটের লোকজন কাজ পাচ্ছে। জানা গেছে, প্রতিটি টেন্ডার কমিটির প্রধান করা হচ্ছে একজন ডিজিএমকে। নিয়ম অনুযায়ী মালামাল ক্রয়ের আগে রিসিভ কমিটিকে জানাতে হয়। কিন্তু গোডাউনে মালামাল পৌঁছার পরই সেটি রিসিভ কমিটিকে জানানো হয়। আর ঠিকাদার থেকে যা মালামাল দেয়া হয় তা গ্রহণ করা হয়। মালামাল খরচের সঙ্গে যারা জড়িত তারা প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অংকের মাসোহারা পায়। কারণ যত খরচ দেখানো যাবে তত ঠিকাদারের লাভ। (একটি জাতীয় পত্রিকা)
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই যখন দুর্নীতি বন্ধে অপারগতা, অক্ষমতা প্রকাশ করেন তখন কী প্রতিভাত হয়না যে-
প্রধানমন্ত্রী যে তন্ত্রের উপর নির্ভর করে
যে প্রশাসনের উপর নির্ভর করে
যে আর্থ-সামাজিক আবহের উপর নির্ভর করে দুর্নীতি বন্ধ করতে চান তাতে রয়েছে গলদ, অপূর্ণতা ও ভ্রান্তি।
পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “যমীনে এবং পানিতে যা ফিৎনা-ফাসাদ রয়েছে সবই মানুষের হাতের কামাই।”
অপরদিকে সবকিছুর সমাধান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই এই কুরআন শরীফ-এই আমি সবকিছু বর্ণনা করেছি।” অর্থাৎ কেবলমাত্র কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ মোতাবেক চললেই দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল সম্পূর্ণ সম্ভব।
কিন্তু দেশের সরকার তা কবে বুঝবে?
জনগণই বা কবে উপলব্ধি করবে?
(ইনশাআল্লাহ চলবে)







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal