অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

বিশেষ প্রতিবেদন - ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২
 
ফিরে দেখা ইতিহাস
ঘাতক রাজাকার, আলবাদর
জামাতী-খারিজীদের দিনলিপি ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ ঈসায়ী
আল ইহসান ডেস্ক:

গভর্নর হিসেবে দায়িত্বভার নেয়ার পর ডা. আ. মালিক এদিন কুষ্টিয়া সফর করে। সেখানে এ.টি. সাদীর নেতৃত্বে পাকিস্তানের সহযোগীরা সম্বর্ধনা দেয় তাকে।
পিডিপি প্রধান নূরুল আমীন দেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে পার্টির করণীয় বিষয় আলোচনার জন্যে তার বাসায় ১৫ সেপ্টেম্বর কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরী বৈঠকের ঘোষণা দেয়। এদিন পিডিপি’র দেয়া সম্বর্ধনা সম্মেলনে মাহমুদ আলী বর্ণনা করে তার বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা। সে বলে যে, বিদেশী সংবাদপত্র, বেতার বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমগুলো অনবরত ভুল তথ্য প্রচার করে। সফর অভিজ্ঞতায় মাহমুদ আলী জানায়, বাংলাদেশে কত লোক মারা গেছে এবং ৭০ লাখ লোক দেশ ছাড়ার কারণ কি- এ প্রশ্নের উত্তরে সে বলেছে যে, ‘কত লোক মরেছে এটা কোনো প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হচ্ছে দেশে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন ছিল কিনা। .......পাকিস্তানিরা যুদ্ধ দেখে নাই। তাই তারা ভয়ে দেশ ছেড়েছে।’ সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল আমিন, গো’আযম, মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী, শামসুল হুদা, সৈয়দ আজিজুল হক, ইউসুফ আলী চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলো। মুসলিম লীগ দেশের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের জন্যে ৬টি মূলনীতি গ্রহণ করে। শফিকুল ইসলাম দেশে ফেরার পথে করাচী বিমান বন্দরে প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে যে, ‘যারা দেশে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত রয়েছে এবং পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে চায় তাদেরক কোনো ক্রমেই ক্ষমা করা উচিত নয়।’
এসএম সোলায়মান জাতিসংঘের প্রতিনিধি হিসেবে জেনার ব্রোহী, মঞ্জুর-এ কাদির, চৌধুরী নাজির আহমদ, মাহমুদ আলী কাসুরী, বিচারক মুর্শেদ, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক, ও পূর্ব-পাকিস্তান লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস সোলায়মানকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো সুপারিশ করে।
এদিন সৈয়দপুর জামাতের আমীর সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম, কাউন্সিল মুসলিম লীগ নেতা মুজিবর রহমান, নেজামে ইসলাম নেতা মাওলানা সালেহ, ইত্তেহাদুল উলামার স্থানীয় সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, ছাত্রসংঘের নেতারাসহ বিভিন্ন পাকিস্তানি সহযোগীরা এক যুক্ত বিবৃতিতে ‘বিদেশী সাহায্য বন্ধ শরণার্থী সমস্যার একমাত্র সমাধান’ হিসেবে উল্লেখ করে বিদেশের প্রতি আহবান জানায়। মৌলভী নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে এদিন গৌরীপুর শান্তিকমিটির সভায় বক্তব্য রাখে প্রাক্তন প্রাদেশিক মন্ত্রী ফখরুদ্দীন আহমদ, এমএ বারী, সাবেক এমপিএ আবদুল হামিদ, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
এ সময় ছাত্রসংঘ কর্মী এবং যশোরের হায়বান্তপুর ক্যাম্পের রাজাকার আবদুল জলিল খতম হয় মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। এতে যশোর জামাতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হক, জেলা রাজাকার ইনচার্জ অধ্যাপক আবদুস সালাম, জেলা ছাত্রসংঘের সভাপতি কমান্ডার আবদুস সালামের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয় জলিলের লাশ নিয়ে। এদিন প্রচার করা হয়, ‘ঝিনাইদহের তরুণরা দলে দলে যোগ দিচ্ছে রাজাকার বাহিনীতে।’
(তথ্যসূত্র: দৈনিক পাকিস্তান, ধর্মব্যবসায়ী ঘাতক জামাতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম ১২, ১৩, ১৪, ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ ঈসায়ী।)








For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal