অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

বিশেষ প্রতিবেদন - ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩
 
বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ১০ ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হয়-৩
আল ইহসান ডেস্ক:

একাত্তরের ১৬ মে বাচ্চু রাজাকার নিজে গুলি করে সুধাংশু মোহনকে হত্যাও করে। গুলিতে সেদিন মনিময় রায় কেষ্ট আহত হয়।
একাত্তরের মে মাসের শেষ সপ্তাহে বাচ্চু রাজাকার তার সঙ্গীসহ বোয়ালমারী থানার ডহরনগর গ্রামের জীবন চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে অপহরণ করে পার্শ¦বর্তী রূপাপাত বাজারে বটগাছের নিচে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে।
একাত্তরের ৮ জুন বেলা ১২টা থেকে ২টার মধ্যে বাচ্চু রাজাকার বিভাগদী গ্রামের কাশেম মুন্সি রাজাকারসহ ১৪/১৫ জন অস্ত্রধারী রাজাকার বোয়ালমারী নতিবদিয়া গ্রামের সুধীর বিশ্বাসের বাড়িতে হামলা করে স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটসহ ২ যুবতীকে ধরে নিয়ে যায়। পরে বাচ্চু রাজাকার ও তার সঙ্গীরা পালাক্রমের সম্ভ্রমহরণ করে।
একাত্তরের ৮ আগস্ট বিকেল ৫টায় ফরিদপুর চকবাজার মসজিদের সামনে থেকে বাচ্চু রাজাকার কবির আহম্মেদ মঞ্জুরকে ধরে নিয়ে পাকিস্তান আর্মিদের কাছে সোপর্দ করে।
একাত্তরের ২১ আগস্ট ফরিদপুর টু বরিশাল সড়কের হারুকান্দিতে (কৈজুরী) নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ‘ফরিদপুর শহরে ১২টি বধ্যভূমিতে যে হাজার হাজার মানুষ শায়িত আছে, তাদের হত্যার নির্দেশদাতা এবং নিজেও সরাসরি হত্যাকারী আবুল কালাম আযাদ। সে নিজে গুলি করে অসংখ্য মানুষ হত্যা করেছে। হত্যা করে ফরিদপুর স্টেডিয়ামে মাটিচাপা দিয়েছে, নদীতে ফেলে দিয়েছে, শহরের বিভিন্ন স্থানে মাটিচাপা দিয়েছে।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal