অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ১২ জুন, ২০১২
 
জনসভায় খালেদা
ঈদের পর কঠোর কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সবাই দুর্নীতিবাজ
১ জুলাই সারাদেশে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
নিজস্ব প্রতিবেদক:

নির্দলীয় সরকার পুনর্বহালে সরকারকে আরো সময় দিয়ে ঈদুল ফিতরের পর কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমি বা সোমবার নয়া পল্টনে ১৮ দলীয় জোটের জনসভায় এই ঘোষণা দেন তিনি। কঠোর কর্মসূচি না দিলেও জুন ও জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন বিক্ষোভের কর্মসূচি দিয়েছেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, রোজা ও ঈদের কারণে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আপাতত কঠোর কর্মসূচি দিচ্ছেন না তারা। তবে দাবি পূরণ না হলে ঈদের পর হরতাল-অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালে গত ১২ মার্চ নয়া পল্টনের মহাসমাবেশ থেকে সরকারকে তিন মাস সময় বেঁধে দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তা না হলে ১২ জুন পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার কথা সেদিন বলেছিলেন তিনি।
বিএনপির দাবি পূরণ না হওয়ার মধ্যে গতকাল পুনরায় জনসভা করে সরকারকে আরো সময় দিলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
তিনি বলেন, সরকারকে বলতে চাই, নির্দলীয় সরকারে দাবি মেনে নিন। এ সময়ের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান করুন। আশা করি, সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। নইলে ঈদের পর হরতাল-অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরাকরে অধীনে। সরকার আমাদের দাবি না মানলে এ দেশে নির্বাচন হবে না।’
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঢাকা মহানগরের সভাপতি সাদেক হোসেন খোকাসহ বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতাকে কারাগারে রেখে এই জনসভা হয়। হরতালের একটি মামলায় তারা কারাবন্দি।
১ ও ১৫ জুলাই সারাদেশে সমাবেশ:
জনসভায় যে কয়েকটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়, তা হলো- ইলিয়াস আলীসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মী-ব্যবসায়ী অপহরণ, সাংবাদিক সাগর-রুনি ও কূটনৈতিক হত্যা এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা, নারী-শিশু নির্যাতন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে ১ জুলাই রোববার মহানগর, জেলা, উপজেলা ও পৌর এলাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল। সন্ত্রাস-দুর্নীতি, দুঃশাসন, বিদুৎ পানি সমস্যা, অসহনীয় যানজটের প্রতিবাদে ৮ জুলাই মহানগর ও জেলা সদরে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।
নিত্য পয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৫ জুলাই রোববার সারাদেশে মহানগর, জেলা, উপজেলা ও পৌর এলাকায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল। এছাড়া দুর্নীতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি-যানজট সমস্যার প্রতিবাদে ৮ জুলাই দেশের সব মহানগর ও জেলা সদরে সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।
ক্ষমতা ছেড়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করুন:
সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘ক্ষমতা ছেড়ে বাইরে আসুন। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করুন। সমানে সমানে লড়াই করি। আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।’ এ সময় নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া দেশে কোন নির্বাচন আয়োজন করতে দেওয়া হবে না বলেও ক্ষমতাসীনদের সতর্ক করেন করেন বিরোধী দলের নেতা। এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মহানগর ১৮ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের দাবিতে খালেদা জিয়ার দেওয়া ৯০ দিনের আলটিমটাম পরবর্তী এ গণসমাবেশ শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সবাই দুর্নীতিবাজ:
খালেদা জিয়া বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই দুর্নীতি করছে। এ সরকার একটি দুর্নীতিবাজ সরকার। এটা জনগণের সরকার নয়। ঘাটতি বাজেটের টাকা কোথায় গেল। এসবই তাদের পকেটে চলে গেছে।
খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান সরকারের সময় মানুষ খেতে পারে না। কাজ করে খাবে তাও পারে না। মন্ত্রী এমপিদের কাছ থেকে বস্তা ভরে টাকা উদ্ধার করা হয়। দেশে গণতন্ত্র বা আইনের শাসন নেই। পার্লামেন্টেও সংসদ সদস্যদের সম্মান দেওয়া হয় না। স্পিকারকে বলা হয় রাষ্ট্রদ্রোহী।
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আগামীতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না জেনে বিরোধীদলের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal