 |
স্পিকারের রুলিং ঐতিহাসিক -সুরঞ্জিত
আইএনবি:
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছে, বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে সৃষ্ট সমস্যা জাতীয় সংসদে স্পিকারের ঐতিহাসিক রুলিং এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। সে বলেছে, স্পিকার বিষয়টিতে অত্যন্ত বিজ্ঞ, সহনশীল ও দূরদর্শী ভূমিকা রেখেছেন। সুপ্রীম কোর্টে যেমন মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয় তেমনি সংসদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো স্পিকারের রুলিং।’ উল্লেখ্য, সোমবার সংসদ অধিবেশনের শুরুতেই প্রতীক্ষিত এই রুলিং দেন স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট। তিনি বলেন, আলোচ্য বিষয় নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বিচারক সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠনে সংসদের প্রস্তাবের সঙ্গে ঐকমত্য জানিয়েও এমন প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরো বিষয়টি প্রধান বিচারকের এখতিয়ারে ছেড়ে দিয়ে তাকেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানান স্পিকার। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছে। সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে সভায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা কাওসারুল ইসলাম, কাজী সিরাজুল ইসলাম, এমএ রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছে, প্রধান বিচারককে দায়িত্ব দেয়ার মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রধান বিচারকের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। উচ্চ আদালতের রায়েরও রিভিউ বা আপীল করা যায়, কিন্তু স্পিকারের রুলিংয়ের কোন রিভিউ নেই। আইনসভার স্পিকারের রুলিং মানতে আমরা সবাই বাধ্য। তার রুলিংয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে বিরোধ মেটানোর একটি উদাহরণ তৈরি হলো। আগামী প্রজন্ম সংবিধানকে আরও সুসংহত হিসেবে পাবে। বিরোধীদলকে সংসদে আসার আহবান জানিয়ে সে বলেছে, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক দেশে সংকট থাকবেই। সংকট থাকলে সমাধানের পথও থাকবে। আর এই সংকট সমাধানের একমাত্র স্থান হচ্ছে সংসদ। সবাই এখন যুক্তির দিকে যাচ্ছে। আমার মনে হয় সংকটের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবার সময় এসেছে। তবে এজন্য বিরোধীদলকে সংসদে আসতে হবে। এখনোও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে কথা বলার অনেক সময় আছে। বিরোধীদলকে ইতিবাচক রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে দন্তবিহীন মন্ত্রী বলেছে, আপনারা সরকারের কোন সফলতা চোখে দেখেন না। সরকারের সাফল্য অনেক। সেগুলো আপনাদের স্বীকার করতে হবে। বর্তমান সরকার কৃষি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। কৃষি ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের অর্জন অনেক। তাই আপনাদের (বিএনপি)কে বলি, নেতিবাচক রাজনীতি বাদ দেন। নেতিবাচক রাজনীতি আর চলে না।
|
|
 |