 |
চট্টগ্রামে প্রথম বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল ‘রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড’ এর কার্যক্রম শুরু
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে দেশীয় মালিকানাধীন প্রথম বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল ‘রাঙ্গুনিয়ায় ইপিজেড’ বাস্তবায়নের কাজ শুরু হল। গত রোববার প্রধানমন্ত্রী’র সভাপতিত্বে বাংলাদেশ বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল পরিচালনা পরিষদের ১৭তম সভায় ‘রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড’ এর জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমতি দেয়ার পর ইপিজেড কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোন বাধা থাকলো না। ১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর দীর্ঘ ১১ বছর এ প্রকল্পটি ফাইলবন্দি ছিল। সংসদ সদস্য পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের উদ্যোগে রাঙ্গুনিয়ার আজিজ নগরে ৪শ’ একর জমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেন, এ ইপিজেড বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৪০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে যা বিশাল অবদান রাখবে।’ এর আগে ২০১০ সালের ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা পরিচালনা বোর্ডের ১৬তম সভায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ইপিজেড স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভায় জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়। পরে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড এলাকা পরিদর্শন করলে গত ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়। ‘রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড‘ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ‘চিটাগাং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কাইয়ূম চৌধুরী মঙ্গলবার সকালে জানান, প্রধানমন্ত্রীর এ অনুমোদনের পর আমরা ইপিজেড এর কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করেছি। ‘রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড’কে শতভাগ দেশীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সেক্টরের বিনিয়োগকারীরা রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড-এ বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ২০০০ সালের ৩ ডিসেম্বরে বেশ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি এ প্রকল্পের বিনিয়োগ লাইসেন্সও পেয়ে যায়। কিন্তু ২০০১ সালের সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে।
|
|
 |