অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ১৮ আগস্ট, ২০১২
 
নৌপথের অভিযোগ শুনতে নম্বর দিলেন মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদে নৌপথে ঘরমুখো যাত্রীদের ব্যাপক চাপের মধ্যে সদরঘাটে উপস্থিত হয়ে মানুষের অভিযোগ শুনতে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। তবে তার উপস্থিতিতেই নিয়ম ভেঙে ছাদে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। ঈদের দুই দিন বাকি থাকতে বিএনসিসি, গালর্স ক্যাডেট ও বিআইডাব্লিউটিএর সমন্বয়ে গঠিত বিআইডাব্লি¬উটিএর একটি স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গতকাল ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার সকালে সদরঘাটে আসেন নৌমন্ত্রী। এ সময় তিনি ঘাটের পরিস্থিতি দেখার পাশাপাশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। নিজের মোবাইল নম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশ করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “কোনো যাত্রীর যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে যেন সরাসরি ০১৭১১৬৩৮১৯৮ নম্বরে আমাকে ফোন করে।”
গত ৪ জুলাই সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তার দুটি মোবাইলফোন নম্বর এবং একটি ই মেইল ঠিকানা প্রকাশ করেন। পরিবারের সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে কেউ কমিশন চাইলে বা অবৈধ সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করলে তাকে জানাতে বলেন। পরবর্তীতে তিনি আরো একটি নম্বর প্রকাশ করেন। নম্বর প্রকাশের পর নৌমন্ত্রী দাবি করেন, “মানুষ আগের তুলনায় অনেক সচেতন হয়েছেন। তারা আর ছাদে যেতে চায় না।” তবে গতকাল ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার সকালে সদরঘাট থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ৩৩টি লঞ্চের অধিকাংশের ছাদেই বিপুল সংখ্যক যাত্রী পরিবহন করতে দেখা যায়। মন্ত্রী ঘাটে আসার পরও ছাদ বোঝাই করে যাত্রী নিয়ে সদরঘাট ছেড়ে যায় লঞ্চ কালাম খান-১, সুন্দরবন-৬ ও ৮, আঁচল-৫ ও ৬, দ্বীপরাজ-৪ এবং রাজহংস। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শাজাহান খান বলেন, “ছাদে যাত্রী ওঠা নিষেধ। তবে যাত্রীর চাপ থাকলে অনেক সময় অনেক কিছু সামাল দেওয়া যায় না।” এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোস্টগার্ডের প্রধান পেটি অফিসার আবদুর রউফ ি বলেন, ছাদে যাত্রী না নিতে মালিকদের নিষেধ করা হলেও তারা শুনছেন না।
র‌্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক হারুন উর রশিদ বলেন, “ছাদে যাত্রী দেখা গেলেও আমরা মূলত লক্ষ্য করি, তা লোড লাইন অতিক্রম করেছে কিনা। লোড লাইন অতিক্রম করার পর কোনো লঞ্চকে পল্টুনে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না।” নতুন গঠিত স্বেচ্ছাসেবক দল সম্পর্কে বিআইডাব্লিউটিএ’র পরিচালক (বন্দর) শফিকুল হক জানান, লঞ্চে যাতে অতিরিক্ত যাত্রী উঠতে না পারে- সে বিষয়ে কাজ করবে এই স্বেচ্ছাসেবীরা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লি¬উটিএ) ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ মাহফুজুর রহমান জানান, ঈদ চলে আসায় গতকাল ইয়াওমুল জুমুয়াতি বা শুক্রবার সকালে যাত্রীর প্রচন্ত চাপ ছিল। দুপুর পর্যন্ত ৩৩ লঞ্চ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বৃৃহস্পতিবার ঢাকা ছেড়েছে মোট ৯৬টি লঞ্চ। সাধারণ সময়ে এই সংখ্যা ৪০/৪২ টির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলে মাহফুজুর রহমান জানান।








For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal