অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

দেশের খবর - ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩
 
একসঙ্গে ২৬ জনকে হত্যা করে আলিমের সহযোগীরা -ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী
নিজস্ব সংবাদদাতা:

মুক্তিযুদ্ধকালে আলিমের সহযোগী রাজাকার ও শান্তি কমিটির সদস্যরা জয়পুরহাট খঞ্জনপুর ব্রিজে নিয়ে আমার বড় ভাইসহ ২৬জনকে গুলি করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।
মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বিএনপি নেতা আব্দুল আলিমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দশম সাক্ষী আবু সাইদ জোয়ার্দ্দার গতকাল সোমবার শরীফ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারক ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেলে প্রসিকিউশনের এই সাক্ষী জবানন্দী দেন।
জবানবন্দী পেশ শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী এএইচএম আহসানুল হক হেনা তাকে জেরা শুরু করেন। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
জয়পুরহাট আক্কেলপুর থানার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাইদ জোয়ার্দ্দার (৫৫) জবানবন্দীতে বলেন, আব্দুল আলিম ৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জয়পুরহাট মুহকুমা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ও রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন।
তিনি বলেন, একাত্তর সালের জুন মাসের শেষ একদিন ভোর বেলায় আমার চাচাতো ভাই আমার বড় ভাই মোখলেছুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে গরুর গাড়িতে করে বিপদগ্রস্ত হিন্দুদের ভারতের সীমান্ত শিবিরে পৌছে দেয়ার জন্য নিয়ে যায়। তাদের সীমান্তে পৌছে দিয়ে ফিরে আসার সময় ওই দিন আনুমানিক সাড়ে সাতটা থেকে ৮টার দিকে জয়পুরহাট সদরের বেলতলী গ্রামে পৌছুলে ওই মুহকুমার শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান এবং রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার আব্দুল আলিমের সহযোগী স্থানীয় রাজাকার, শান্তি কমিটি ও পাকবাহিনীর সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। পরে মোট ২৬ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বিএনপি নেতা আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে এর আগে প্রসিকিউশনের পক্ষে ৯ জন সাক্ষ্য দেন।
গত ১১ জুন আব্দুল আলিমের বিরুদ্ধে সাত ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট ১৭টি ঘটনা আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়। গত বছরের ২৭ মার্চ জয়পুরহাটের বাড়ি থেকে আলিমকে গ্রেফতার করা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আটক আসামিদের মধ্যে একমাত্র সেই শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন।







For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal