অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...
al-ihsan.net
বাংলা
|
English
দেশের খবর - ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩
ভরা সেচ মৌসুমে অসহনীয় লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা
নিজস্ব সংবাদদাতা:
আসন্ন গ্রীষ্মে দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং অসহনীয় পর্যায়ে গিয়ে ঠেকার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও ভরা সেচ মৌসুমে লোডশেডিং বাড়াবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা আগাম সতর্ক বার্তা দিচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী মার্চ-এপ্রিল মাসে দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দেড় থেকে ২ হাজার মেগাওয়াটে গিয়ে দাঁড়াবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতোমধ্যে সরকার জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গতবছরও লোডশেডিং সামাল দিতে জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গতবছরের চেয়ে চলতি বছর ১৭ কোটি ঘনফুট বেশি গ্যাস সরবরাহেরও তাগিদ দেয়া হয়েছে।
কিন্তু বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে পুরো সেচ মৌসুমে বাড়তি জ্বালানি ও গ্যাস সরবরাহ এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ দ্বিগুণ পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহের মতো অবকাঠানো এখনো করা সম্ভব হয়নি। একই সাথে সরকার এ খাতের বাড়তি ভর্তুকি নিয়ে নিয়েও উদ্বিগ্ন। সূত্র জানায়, ভরা সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে সেচ কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিতে বিদ্যুৎ ভবনে ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সচিবও বিদ্যুৎ খাতের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সভা করেছেন। ওসব সভায় সেচকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গড়ে প্রতিদিন ৭৪ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কিন্তু ভরা সেচ মৌসুমে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পেট্রোবাংলার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে এ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করতে গেলে দেশের একাধিক সার কারখানাই গ্যাসের অভাবে বন্ধ রাখতে হবে। সূত্র আরো জানায়, দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে ৯০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও ভরা সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ঘাটতি দাঁড়াবে দেড় হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি।
আর গ্যাস সরবরাহ এর চেয়ে কম হলে এই পরিমাণ ২ হাজার মেগাওয়াটও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী মার্চ-এপ্রিলে পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল ও গ্যাস পাওয়া গেলে প্রতিদিন গড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। আর তা হলে গতবছরের চেয়ে এবার লোডশেডিং কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, গতবছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎনির্ভর সেচযন্ত্রের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। চলতি সেচ মৌসুমে এ সংখ্যা ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫০৭টি। এর মধ্যে আরইবির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রের সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৪টি। আর সেচের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৮৬ শতাংশই ব্যবহৃত হয় আরইবি এলাকায়। সেখানে সেচে বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট। আর সব সংস্থা মিলিয়ে ভরা সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের প্রয়োজন ১ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট।
সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল:
editor@al-ihsan.net
,
dailyalihsan@gmail.com
Copyright © 2007 Al-Ihsan.net, All rights reserved.
Site best viewed at 1024x768 in ie6 or above
For the satisfaction of
Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by
Muhammad Shohel Iqbal