al-ihsan.net
বাংলা | English

অবাধ কীটনাশক ব্যবহারের
ফলে হারিয়ে যাচ্ছে মৌচাক
নিজস্ব সংবাদদাতা

খাঁটি মধু পাওয়ার অন্যতম প্রধান উৎস হলো মধুমাছির মৌচাক। আশির দশকেও শাহজাদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে গাছে মৌচাক দেখা যেতো। ফসলি জমি, সবজি বাগান, ফুলের বাগানসহ জমিতে অবাধ কীটনাশক ব্যবহারে মৌমাছির অপরূপ সুন্দর মৌচাক বিলুপ্ত হচ্ছে। এ সময় শাহজাদপুর উপজেলার বনগ্রাম, আঙ্গারু, পোতাজিয়া, পারকোলা জয়রামপুর, চরবাতিয়া, চরনরিনা, নরিনা, দ্বারিয়াপুর, গাড়াদহ, বাতিয়া, চিনাধুকুরিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে মৌচাক দেখা যেতো। আশির দশকের পর থেকে আবাদি জমিতে কারণে-অকারণে কীটনাশক ব্যবহার বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলদ গাছে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য কীটনাশক প্রয়োগ প্রবণতা, সবজি বাগানগুলোতে ভালো ফলনের বাড়তে থাকায় প্রতিদিন এসব সবজি ক্ষেতে বিষাক্রান্ত হয়ে প্রচুর পরিমাণ মৌমাছি মারা যাচ্ছে। মৌমাছির সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় এখন আর সুন্দর মৌচাক আগের মতো সচরাচর চোখে পড়ে না। মৌমাছির মৌচাক বিলুপ্ত হওয়ায় বাজারে খাদ্যমান ভরপুর ওষুধ তুল্য খাঁটিমধু আর পাওয়া যাচ্ছে না।




For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal