 |
গাজর চাষে বিপ্লব সিঙ্গাইরের কৃষকরা প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০ হাজার টন গাজর উৎপাদন করছেন
সিঙ্গাইর সংবাদদাতা
ফলন অধিক হওয়ায় কৃষকরা খরচের ২/৩ গুণ লাভ পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে এখানকার গাজর মৌসুম শুরু হয়ে গেছে পুরো দমে এবং বাজারজাত হচ্ছে। কৃষক জমি থেকে গাজর উঠিয়ে সেগুলো জলাশয়ের ধারে এনে ধুয়ে পরিষ্কার করে বস্তাবন্দী করে ট্রাকযোগে বাজারজাত করছে ঢাকাসহ বিদেশে। সিঙ্গাইরে উৎপাদিত গাজরের চাহিদা ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। সবজির সাথে গাজর চাষ করে এখানকার কৃষক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। এখানে উৎপাদিত গাজর রঙ্গীন করতে কোন প্রকার রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করতে হয় না। এমনি এর রং টকটকে লাল। গাজর চাষ করে এখানকার শত শত চাষী স্বাবলম্বী হয়েছে। সিঙ্গাইরের গাজরের এমনি সুনাম।জলাশয়ের ধারে যেন গাজরের মেলা। অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পরিচর্যার কারণে এবার গাজরের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই গাজর চাষীরা বেজায় খুশি। সিঙ্গাইরের কৃষকরা প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০ হাজার টন গাজর উৎপাদন করছেন। উন্নতমানের এ গাজর দেশের বাজার ছাড়াও বিদেশে রফতানি হচ্ছে। প্রতি বছর এখানে কমপক্ষে ১২শ হেক্টর জমিতে গাজর চাষ হচ্ছে। মূলত: গাজরের জন্য উপযোগী মাটির কারণে সিঙ্গাইরের কৃষকেরা গাজর চাষ করছেন। এখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ থেকে ৬ টন গাজর উৎপন্ন হয়। এখানে মূলত: গাজরের প্রকারভেদ দুটি। একটি হচ্ছে জাপানের অরেঞ্জ কিং অন্যটি কোরিয়ার নিউ কোরদা। এ গাজর দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি সুস্বাদু। |
|
 |