 |
চীনে আবার গুঁড়ো দুধে বিষাক্ত মেলামিন পাওয়া গেছে
আইএনবি
চীনে গুঁড়ো দুধে আবার মেলামিন পাওয়ায় গেছে। এতে করে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুগ্ধ খামারগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন খামার থেকে মেলামিনযুক্ত প্রায় ৭২ টন গুঁড়ো দুধ আটক করা হয়েছে। চীনে ২০০৮ সালে বিষাক্ত মেলামিনযুক্ত গুঁড়ো দুধ খেয়ে কমপক্ষে ছয় জন শিশু মারা যায়। মেলামিন একটি রাসায়নিক যৌগ যা প্লাস্টিকের বিকল্প শিল্প কারখানায় বা সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রোটিনের উচ্চমাত্রা দেখানোর জন্য খাদ্যদ্রব্যে মেলামিন মেশানো হয়। সোমবার চীনের একটি দৈনিক পত্রিকায় দুগ্ধ খামারগুলো বন্ধ করে দেয়ার কথা জানিয়ে বলা হয়, এখনো মেলামিনযুক্ত প্রায় ১০০ টন গুঁড়ো দুধ বাজারে রয়েছে। চীনে গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার গুঁড়ো দুধে মেলামিন পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে পুরনো দুধের কিছু নমুনা ছিলো। গুঁড়ো দুধে মেলামিন পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও পুরনো দুধ ধ্বংস করা হয়নি। নিংজিয়ার স্থানীয় সরকারের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, এই প্রদেশের তিয়ানতিয়ান ডেইরি কোম্পানি লিমিটেড মেলামিনযুক্ত ১৭০ টন গুঁড়ো দুধ প্যাকেটজাত করে বাজারে ছাড়ে। গত সপ্তাহে নিংজিয়ার পাশ্ববর্তী সাংজি প্রদেশে দুধে মেলামিন মিশিয়ে বাজারজাত করার দায়ে একটি দুগ্ধখামার থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মেলামিন মিশ্রিত দুধ বিক্রির অভিযোগে গত বছর সাংহাই পান্ডা ডেইরি কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকায় 'নিংজিয়া পান্ডা' দুগ্ধ খামারও বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে সমপ্রতি পাওয়া এসব মেলামিনযুক্ত দুধ খেয়ে কোনো অসুস্থতা বা মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। মেলামিনযুক্ত বিষাক্ত দুধ খেয়ে ২০০৮ সালে কিডনিরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলো প্রায় তিন লাখ শিশু। ২০০৮ সালে দুধে মেলামিন মিশিয়ে বিক্রির দায়ে গত নভেম্বরে চীনে দুই জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। গুঁড়ো দুধে মেলামিন পাওয়ার ঘটনায় সারাবিশ্বে চীনে তৈরী গুঁড়ো দুধের খ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। |
|
 |