 |
চট্টগ্রামে ২৭ মার্চ ভাষণ দেবেন খালেদা জিয়া ঐদিন থেকে ৬ বিভাগীয় শহরে শুরু হচ্ছে বিএনপি’র বিভাগীয় সমাবেশ
আইএনবি
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের আউটার্স স্টেডিয়ামে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র ভাষণের মধ্যদিয়ে শুরু হচ্ছে দেশের ৬টি বিভাগীয় শহরে বিএনপি’র বিভাগীয় সমাবেশ। বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় নয়াপল্টন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক শেষে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় উপসি'ত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, এম মোর্শেদ খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী, আমির খসরু, চট্টগ্রাম বিএনপি’র নেতা গোলাম আকবর খন্দকার, মোঃ শাজাহান প্রমুখ। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশব্যাপী ৬টি বিভাগীয় শহরে বিএনপি’র পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দলের প্রথম বিভাগীয় সমাবেশ। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ সমাবেশে ভাষণের মধ্যে দিয়ে শুরু করবেন দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে সমাবেশ কর্মসূচির। তিনি বলেন, এ সময়ে নানা কারণেই চট্টগ্রামের এ সমাবেশ বেশ গুরুত্ব পূর্ণ এবং তাৎপর্য বহন করে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এখান থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সরকারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের ফলে উপজাতি ও স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে সেখানে সংঘর্ষ চলছে। দেশর বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা, বন্দর সমস্যাসহ দেশর স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ নানা কারণে হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এসব ব্যাপার নিয়ে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ করণীয় কি হবে সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। চট্টগ্রাম বিএনপি’র মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, বিএনপি’তে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই। নেতৃত্বের মধ্যে প্রতিযোগীতা আছে। এ প্রতিযোগীতা দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চাকে অব্যহত রাখবে। নারী নির্যাতন সম্পর্কে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের বক্তব্যের ব্যাপারে বিএনপি’র প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারাদেশে নারীদের ওপর নির্যাতন চলছে। ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে এবং আনন্দ মহন কলেজসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এগুলো মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারে আছে দেশে নারী নির্যাতন হচ্ছে না এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব তাদের নিজেদের। আমাদের কাছে নারী নির্যাতনের তথ্য আছে। প্রয়োজন হলে আমরা জাতির সামনে তা প্রকাশ করবো। |
|
 |