 |
 |
 |
 |
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, ক্বাইয়্যুমুয্ যামান, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, মাহিউল বিদয়াহ, রসূলে নুমা, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ্, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলাহ
|
 |
 |
বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে পঠিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর আক্বীদায় প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক ইসলামী পত্রিকা
|
 |
 |
|
|
|
|
|
 |
 |
 |
| ওয়াক্ত | শুরু | শেষ | | সাহ্রীর শেষ সময় | | ০৩:৪৭ | | ফজর | ০৩:৫২ | ০৫:১৩ | | ইশরাক | ০৫:৩৭ | ০৭:১২ | | চাশত্ | ০৭:১৩ | ১০:৫৫ | | জাওয়াল | ১১:৫৬ | যোহর নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত | | যোহর | ১১:৫৬ | ০৪:৩৪ | | আছর | ০৪:৩৫ | ০৬:১৮ | | মাগরিব | ০৬:৪১ | ০৭:৫৯ | | আওয়াবীন | বাদ মাগরিব | ০৭:৫৯ | | ইশা | ০৮:০০ | ০৩:৪৭ | | তাহাজ্জুদ | ১১:১৪ | ০৩:৪৭ | | আগামীকাল ফজর | ০৩:৫২ | ০৫:১৩ | | আগামীকাল সূর্যোদয় | ০৫:১৪ | - | | আজ সূর্যোদয় | ০৫:১৪ | - | | আজ সূর্যাস্ত | ০৬:৩৬ | - | | সূত্র: গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ, ঢাকা |
|
 |
 |
 |
 |
|
|





 |
 |
 |
 |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
|
 |
 |
 |
 |
|
|
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
 | সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ মুবারক ও সালাম মুবারক। উপকূলীয় জেলার সকল উপজেলার লোকই ঘূর্ণিঝড়কবলিত এলাকার মধ্যে নয়। ভৌগোলিকভাবে কোন কোন উপজেলা বেশি দুর্যোগপ্রবণ। আবার কোন কোন এলাকা কম দুর্যোগপ্রবণ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকৃতি অনুসারে উপকূলীয় এলাকাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ‘অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ’ তালিকায় স্থান পেয়েছে ১৩ জেলার ৩১টি উপজেলা। উপকূলীয় এলাকার ১৩টি অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ জেলার বাইরে রয়েছে আরও ৬টি জেলা। তবে এ ছয়টি জেলা তালিকাভুক্ত হয়েছে ‘সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ’ এলাকা হিসেবে। এই ৬টি জেলার মধ্যে রয়েছে চাঁদপুর, বরিশাল, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও কুমিল্লা জেলা। ১৯ জেলায় প্রায় দেড় কোটি লোক ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও অপেক্ষাকৃত অধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে প্রায় ৬০ লাখ লোক। উপকূলীয় এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে সরকার থেকে একটি সমীক্ষা করা হয়। সমীক্ষার প্রতিবেদনে সে সময় আরও সাড়ে তিন হাজার আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের সুপারিশ করা হয়। উপকূলীয় এলাকায় কোথায় কোথায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলো হওয়া উচিত সেটাও চিহ্নিত করা হয় সমীক্ষার সুপারিশে। সমীক্ষা যখন করা হয়, তখন উপকূলীয় এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র ছিল দুই হাজার। সে অনুযায়ী বর্তমানে সাড়ে পাঁচ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র থাকার কথা। তবে সে সমীক্ষার সুপারিশ অনুযায়ী আশ্রয় কেন্দ্র এখনও নির্মাণ করা হয়নি। ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাত থেকে বাঁচার জন্য উপকূলের বিভিন্ন জেলার প্রায় সাড়ে তিন হাজার আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় দশ লাখ লোক আশ্রয় নেয়। তবে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র বেশি থাকলে আরও বেশি লোক আশ্রয় নিতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার কোন কেন আশ্রয় কেন্দ্র সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে অনেকেই এসব আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেননি বলে জানা গেছে। ১৯৭০ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত মাত্র পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ে হতাহতের সংখ্যা প্রায় সাত লাখ। এর মধ্যে শুধু ১৯৭০ সালের হ্যারিকেনে নিহত হন প্রায় ১০ লাখ মানুষ, যখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটির মতো। এর মধ্যে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ে মারা যান প্রায় দেড় লাখ লোক। মূলত ১৯৯১ সালের পরেই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের ওপর জোর দেয়া হয়। তবে ১৯৯১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে এক হাজার ৭৭০টি। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার উসীলায় ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ দুর্বল আঘাত দিয়ে কেটে গেছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা ও বিপদ এখনও কাটেনি। এবার বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে আরও প্রচন্ড শক্তিশালী এক বা একাধিক ঘূর্ণিঝড়। বাংলাদেশ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, মিয়ানমার ও শ্রীলংকায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে খুব সহসাই। সেই ঘূর্ণিঝড় ধীরে ধীরে সঞ্চার হচ্ছে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে থেমে বা কার্যত স্থির হয়ে থাকা ঘূর্ণিঝড় ‘জামালা’র সাথে একত্রিত হয়ে অদূর ভবিষ্যতে ঘূর্ণিঝড় ভয়াবহ রূপ নিতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি মে মাস এবং আগামী জুন মাসে বঙ্গোপসাগরে আরও মোট ৫টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্য থেকে এক বা একাধিক নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। যে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও আশপাশে আঘাত হানার আশংকার কথা বলা হচ্ছে, তার ভ্রƒণ বা প্রাথমিক আবহ তৈরি হচ্ছে ভারত মহাসাগরে। ইতোমধ্যে কেটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ প্রাথমিক অবস্থায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয় আন্দামান সাগরের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। এ অবস্থায় সৃষ্ট সাইক্লোনের গতিমুখ এবং এর প্রভাবে প্রভাবিত হবে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, মালদ্বীপের দিকে। তাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দু’ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এসব দেশে। ঘূর্ণিঝড় থেকে উৎপত্তি হতে পারে প্রলয়ংকরী জলোচ্ছ্বাসের। তাছাড়া এর সক্রিয় ও বর্ধিত প্রভাবে অসময়ে ভারী বর্ষণ, একটানা বৃষ্টিপাত, অকাল বন্যা, পাহাড়ি ঢল, পাহাড় ধস ও ভূমিধসে ব্যাপক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হতে পারে। এদিকে জানা গেছে, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ২০১১ সালে ‘ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। নীতিমালায় বিভিন্ন স্থানের আশ্রয়কেন্দ্রের নকশা কী হবে তাও বলা হয়েছে। সূত্রমতে, সরকার থেকে এখন মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রের বহুমুখী ব্যবহার করা হবে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে স্কুল অথবা কমিউনিটি সেন্টার হিসেবেও যেন ব্যবহার করা যায়, সে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অনেক আশ্রয় কেন্দ্র শুধুমাত্র ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্যবহার করার ফলে সারাবছর আর ব্যবহৃত হয় না। ফলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সে কারণে বহুমুখী ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত আমরা মনে করি বর্তমান আশ্রায়ণকেন্দ্রগুলো যথাযথভাবে গড়ে উঠেনি এবং নতুন যে নকশা প্রণীত হয়েছে তাও ঠিকমতো হয়নি। এ বিষয়ে যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যে আশ্রায়ণগুলো কমপক্ষে ত্রিশ ফুট উচ্চতায় হওয়া উচিত। শক্ত গাঁথুনি বিশিষ্ট ও প্রশস্ত হওয়া উচিত। উপকূল তীরবর্তী হওয়া উচিত। যাতে সব মানুষই খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে ও সহজে তাতে আশ্রয় নিতে পারে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো ত্রিশ ফুট উচ্চতায় হলে জমিতে ফসলও করা যাবে। তাতে ফসলী জমিরও কোন ক্ষতি হবেনা। মূলত যথাযথ এবং যথাসংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের গাফলতি বরদাশতযোগ্য নয়। কারণ উপকূলবর্তী নাগরিকের সংখ্যা দু’কোটিরও ঊর্ধ্বে। তারা গোটা দেশের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ। তাদের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের ফরয দায়িত্ব। মূলত এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজ, তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন) |
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
 | মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত The reflections and effects of the supplications and dominance of Mujaddide A’azwam Mamduh Hajrat Murshid Qibla Alaihis Salam! Divine retributions are continuing on the tyrant kaafir as an end result of the persecutions on Muslims, in the form of different kinds of chaos and confusion, unnatural deaths and severe economic recessions including natural disasters like flash floods, snowfalls, tornados, wild fires and earthquakes of unusual magnitude! |  | সিরিয়ায় সক্রিয় ইসরাইলি কমান্ডো দল : ভিডিও ফাঁস |  | বিচারপতি আটক মামলা: মুশাররফের ওপর থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার |  | গাজায় পণ্য আমদানির সর্বশেষ পথ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল |  | আমেরিকার ৮০ ভাগ ফাস্টফুড শপে শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরিবঞ্চিত |  | ফ্রান্সে আইনি বৈধতা পেল অনৈতিক ‘সমকামী বিয়ে’ |  | চীনে ৯ প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস ভেসে গেছে ৩ হাজার ঘরবাড়ি, বহু হতাহত |  | আমেরিকার নিউইয়র্কে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ |  | ভারতে কৃষকদের আত্মহত্যার হার তুলনামূলক ৪৭ ভাগ বেশি |
|
 |
 |
Loading...
|
 |
|
|
 |
 |
 |
|
 |
 |
 |
 |
For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Alaihis Salam
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal
|
 |
|
|