আপনাদের মতামত - ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১২
বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ। এ দেশে শতকরা ৯৭ ভাগ মানুষ মুসলমান। আর মুসলমানের ধর্ম ‘দ্বীন ইসলাম’। হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে মূর্তি এবং গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য।” আরো ইরশাদ হয়েছে, “গান অন্তরে নিফাকী পয়দা করে।” অতএব, ইসলামে গান-বাজনা, বাদ্যযন্ত্র সঙ্গীত হারাম। পক্ষান্তরে না’ত-ই রসূল হলো- রহমত, বরকত, সাকীনাহ মাগফিরাত, নাজাতের কারণ। আর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বপ্রথম না’ত-ই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলো- হযরত মা আমিনা আলাইহাস সালাম উনার রচিত বিশেষ না’ত শরীফ, যা হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। ওই ব্যক্তি অবশ্যই জান্নাতী হবে, যে ওই বিশেষ না’ত শরীফ একবার হলেও মুহব্বতসহ পাঠ করবে। অতএব, শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশের কুরআন-সুন্নাহর পক্ষের সরকারের উচিত- সঙ্গীত দিয়ে নয়; সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা মাতা হযরত মা আমিনা আলাইহাস সালাম উনার রচিত পঠিত বিশেষ সর্বশ্রেষ্ঠ না’ত শরীফ দিয়ে প্রত্যেক মাহফিল শুরু করা, যা রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নাজাত লাভের উসীলা হবে। মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাদেরকে তা বাস্তবায়নের তাওফীক দান করুন। আমীন। |