al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
২৩ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। অর্থাৎ তিনিই তোমাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।” সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের ফতোয়া মুতাবিক বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তাহলে খাছ সুন্নত বাল্যবিবাহতে সম্মতি দিলে কি করে ২ বছর কারাদ- হতে পারে এবং কি করে মুসলমান উনাদের দেশে ব্রিটিশ খ্রিস্টানদের দ্বারা প্রণীত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন জারী থাকতে পারে? নাউযুবিল্লাহ! যা খ্রিস্টানদের দেশেও জারী নেই। তাই বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, অতিসত্ত্বর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রত্যাহার করা এবং বাল্যবিবাহকে খাছ সুন্নত হিসেবে মেনে নেয়া। কারণ, বাল্যবিবাহ উনার বিরুদ্ধে বলা কাট্টা কুফরী; যা জাহান্নামী হওয়ারও কারণ। নাউযুবিল্লাহ!


২২ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় ও চিন্তা নেই।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমার ওলীগণ উনারা আমার জুব্বা মুবারক উনার নিচে অর্থাৎ আমার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে অবস্থান করেন, আমি ছাড়া উনাদেরকে কেউ হাক্বীক্বীভাবে চিনে না।’ সুমহান বরকতময় ২৫শে শাওওয়াল শরীফ- আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদাতুন নিসা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস। হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা পুরুষ হোন বা মহিলা হোন; উনাদের পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাত লাভের অন্যতম উসীলা। তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, হযরত আউলিয়া কিরাম উনাদের পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস উদযাপন করতঃ রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাত লাভ করার কোশেশ করা।


২১ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! মিথ্যাবাদীদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মিথ্যা হচ্ছে সমস্ত গুনাহ্র মূল।’ বাংলাদেশ পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করবে আগামী ২৭ ছালিছ, ১৩৮২ শামসী সন, ২৬ আগস্ট ২০১৪ ঈসায়ী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার দিবাগত সন্ধ্যায়। মহাকাশ বিজ্ঞান অনুযায়ী যখন চাঁদ দেখার কোনো সম্ভাবনাই থাকে না এবং বাস্তবে দেখাও যায় না; তখন চাঁদ দেখার দাবি করা স্পষ্ট মিথ্যাচার। যেহেতু সউদী আরব চাঁদ না দেখে তাদের মনগড়া নিয়ম অনুযায়ী আরবী মাস শুরু করে থাকে; সেহেতু বিশ্বের সকল মুসলমানদের কাছে সউদী আরবের চাঁদ না দেখেই চাঁদ দেখার মিথ্যা দাবি করে আরবী মাস শুরু করার মতো গুমরাহীমূলক বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত। উল্লেখ্য, পবিত্র ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী চাঁদ তালাশ করতে হবে; অতঃপর চাঁদ দেখা বা না দেখার ভিত্তিতে আরবী প্রতিটি মাস গণনা করা ওয়াজিবে কিফায়া।


২০ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন সেই মহাসম্মানিত, মহামর্যাদাবান, সুমহান, অশেষ বরকতময় ও বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। তাই সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন উনার নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৩৬ দিন বাকি। আর এ কারণেই পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম। অতএব, সেই মহাসম্মানিত দিন উনাকে তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বত এর সাথে পালন করাও ফরয এবং ইহকাল ও পরকাল উভয়কালের জন্যই নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!


১৯ আগস্ট, ২০১৪
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত আহলে বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা আসমান ও যমীনের নিরাপত্তা দানকারী।’ আজ সুমহান পবিত্র বরকতময় ২২শে শাওওয়াল শরীফ- আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাদের পবিত্র নিকাহ বা শাদী মুবারক দিবস। অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র নিকাহ বা শাদী মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদের মুবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নজাত লাভের কারণ হবে।




      [(২৫০১ - ২৪৯৭) ২৫০১]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal