al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদেরকে যা আদেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিক্বামত থাকো।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার নির্দেশ মুবারক হচ্ছে- সামর্থ্যবান প্রত্যেকের পক্ষ থেকেই পবিত্র কুরবানী করতে হবে। পবিত্র কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা সমপরিমাণ নগদ টাকা কৃষকদের মাঝে অথবা বন্যা, মহামারি ও ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত বা দুঃস্থদেরকে দেয়া বা দিতে বলা সুস্পষ্ট নাজায়িয এবং হারাম। পাশাপাশি সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিধান পরিবর্তন করার কারণে কাজটা হবে কাট্টা কুফরী আর আমলকারী হবে কাট্টা কাফির। কাজেই এরূপ কুফরী বক্তব্য ও হারাম আমল থেকে বিরত থাকা সকলের জন্যই ফরয। অন্যথায় জাহান্নামী হওয়া ব্যতীত কোনো ব্যবস্থাই থাকবে না।


১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন সেই মহাসম্মানিত, মহামর্যাদাবান, সুমহান, অশেষ বরকতময় ও বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। তাই সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন উনার নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১২৪ দিন বাকি। আর এ কারণেই পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম। অতএব, সেই মহাসম্মানিত দিন উনাকে তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বত এর সাথে পালন করাও ফরয এবং ইহকাল ও পরকাল উভয়কালের জন্যই নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!


৩১ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তির প্রতি পবিত্র হজ্জ ফরয; সে যেন পবিত্র হজ্জ পালনের ক্ষেত্রে অশ্লীল ও অশালীন এবং তার সংশ্লিষ্ট বেপর্দা, বেহায়ামূলক কোনো কাজ না করে এবং কোনো প্রকার ফাসিকী বা নাফরমানিমূলক কাজ না করে।’ পবিত্র হজ্জ সম্পাদন করা হচ্ছে ফরয। তবে তা অবশ্যই শর্ত সাপেক্ষে ফরয। ছবি তোলা এবং বেপর্দা হওয়া সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম। অর্থাৎ কঠিন নাফরমানীমূলক কাজ। অতএব, ছবি তুলে ও বেপর্দা হয়ে অর্থাৎ নাফরমানীমূলক কাজ করে পবিত্র হজ্জ করলে তা কস্মিনকালেও হজ্জে মাবরূর হবে না। কারণ, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা কিতাবের কিছু হুকুম মানবে আর কিছু হুকুম মানবে না অর্থাৎ অস্বীকার করবে? (হজ্জ করা ফরয এটা মানবে আর ছবি তোলা ও বেপর্দা হওয়া হারাম এটা মানবে না; তা তো হতে পারে না)। যে ব্যক্তি এরূপ করবে তার পরিণাম হচ্ছে, সে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছিত হবে এবং পরকালে কঠিন আযাবে নিপতিত হবে। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের আমল সম্পর্কে জানেন।’ স্মরণ রাখতে হবে, শুধুমাত্র পবিত্র হজ্জে মাবরূর উনার বদলাই হচ্ছে জান্নাত।


৩০ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সকলে আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও।” নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দুই প্রকার ইলম অর্জন করা সকলের জন্য ফরয, ১. ইলমে ফিক্বাহ, ২. ইলমে তাছাউফ।’ আল্লাহওয়ালা হতে হলে উক্ত উভয় প্রকার ইলমই অর্জন করতে হবে। তাই পিতা-মাতা জীবিত থাকা অবস্থায় যেরূপ ইলমে ফিক্বাহ বা দুনিয়াবী শিক্ষার জন্য মাদরাসা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়। তদ্রুপ পিতা-মাতা জীবিত থাকতেই ইলমে তাছাউফ অর্জন করার জন্য পিতা-মাতা ও সন্তান সকলকেই হক্কানী-রব্বানী শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হতে হবে। যারা বলে ‘পিতা-মাতা জীবিত থাকতে মুরীদ হওয়া যায় না’- তাদের এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে কুফরীমূলক। কারণ এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ।


২৯ আগস্ট, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আপনার যিনি মহান রব উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য নামায আদায় করুন এবং পবিত্র কুরবানী করুন।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়ছালা হলো- পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার দশ তারিখের ছুবহে ছাদিক হতে বারো তারিখের সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কোনো পুরুষ ও মহিলা মালিকে নিছাব হয়, তখন তার জন্যই পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। কাজেই ওয়াজিব হওয়ার ও সামর্থ্য থাকার পরও যারা পবিত্র কুরবানী করবে না তারা কবীরা গুনাহে গুনাহগার হবে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উভয়ের অসন্তুষ্টির পাত্র হবে।




      [(২৫১১ - ২৫০৭) ২৫১১]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal