al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
২৬ অক্টোবর, ২০১৪
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক হযরত নবী আলাইহিস সালাম উনার জান্নাতে একজন বন্ধু থাকবেন। আর জান্নাতে আমার বন্ধু হবেন সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম।’
আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ-
খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন।
তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ ঐতিহাসিক সুমহান দিবস উপলক্ষে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, পবিত্র ওয়াজ শরীফ উনার মাহফিলের আয়োজন করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করা।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানিত খিলাফত পরিচালনার বিষয়টিসহ পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি এ মুবারক দিনটি উদযাপনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



২৫ অক্টোবর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যমীনে যেসব প্রাণী রয়েছে, তাদের সকলের রিযিকের একমাত্র মালিক হলেন মহান আল্লাহ পাক তিনি।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘রিযিক মানুষকে এমনভাবে তালাশ করে; যেমন মৃত্যু মানুষকে তালাশ করে।’ তাই রিযিকের অভাব হবে মনে করে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা কাট্টা কুফরী। কারণ এর দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে একমাত্র রিযিকদাতা হিসেবে অস্বীকার করা হয়! আর সাধারণভাবে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা মাকরূহ। কারণ তা অপচয়ের শামিল। স্মরণীয় যে, পবিত্র ঈমান-আক্বীদা ও আমল হিফাযতের উদ্দেশ্যে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ হতে মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া সরকারের জন্য ফরয।


২৪ অক্টোবর, ২০১৪
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো; আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ!
আসন্ন পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ও হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করার মাস। সুবহানাল্লাহ!
তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ও হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।



২৩ অক্টোবর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট।’
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম।’
আজ সুমহান বরকতময় ২৭শে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ-
খলীফায়ে ছানী, ফারূক্বে আ’যম, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাত শরীফ দিবস।
তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, উনার পবিত্র বিছাল শরীফ বা পবিত্র শাহাদাত শরীফ দিবস উপলক্ষে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক এবং পবিত্র ঈছালে ছওয়াব উনার মাহফিল করা।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।
উনার পবিত্র বিছাল শরীফ অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাত শরীফ দিবস উদযাপনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও এ উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করা।



২২ অক্টোবর, ২০১৪
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার পাকড়াও অত্যন্ত কঠিন।” সম্মানিত শরীয়ত উনার খাছ ফতওয়া অনুযায়ী প্রতি আরবী মাসে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে ক্বিফায়া এবং সঠিক তারিখে আরবী মাস শুরু করা ফরয।
কিন্তু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মরক্কো ছাড়া পৃথিবীর বাকি মুসলিম দেশগুলো খালি চোখে চাঁদ না দেখে তাদের বানানো মনগড়া পদ্ধতি অনুযায়ী আরবী মাস গণনা করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
আর এর নেপথ্যে রয়েছে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার।
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার ১৪৩৫ হিজরী সনের একটি মাসও চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে শুরু করেনি। নাউযুবিল্লাহ!
মুসলমান উনাদের অধিকাংশ আমল চাঁদের সাথে সম্পৃক্ত। ফলে চাঁদের তারিখ হেরফের হলে অনেক আমল সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ!
চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির নেপথ্যে যারা রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে; নতুবা তাদেরকে এজন্য কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।





      [(২৫৬০ - ২৫৫৬) ২৫৬০]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal