al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
৩ আগস্ট, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যেই পবিত্র হজ্জ ও পবিত্র উমরাহ আদায় করো।’

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ওই সকল আমল কবুল করেন না, যা খালিছভাবে উনার জন্য করা হয় না।’

পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ ও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ এ তিনটি মুবারক মাস হচ্ছে পবিত্র হজ্জ উনার মাস।

পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র রওজা শরীফ যিয়ারত প্রত্যেকটা আমলই মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে অর্থাৎ শরীয়তসম্মত ভাবে করতে হবে। তবেই তা হজ্জে মাবরুর বা কবুল হজ্জ হিসেবে গণ্য হবে।

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা ও বেপর্দা হওয়া স্পষ্ট নাফরমানী।

কাজেই ছবি তুলে ও বেপর্দা হয়ে পবিত্র হজ্জ করার অর্থ হলো নাফরমানীর সাথে হজ্জ করা। আর নাফরমানীর সাথে হজ্জ করলে তা কখনো হজ্জে মাবরুর হবে না।



২ আগস্ট, ২০১৫
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দেশের মুহব্বত জুযয়ে ঈমান।’

বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ এবং একটি স্বাধীন দেশ।

এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী, লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যাকারী ও লক্ষ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহরণকারী রাজাকারদের বিচারের ব্যাপারে আমেরিকা-ব্রিটেনসহ অন্যান্য বিদেশীদের নাক গলানো মূলত এদেশের স্বাধীনতার প্রতি হস্তক্ষেপ করার নামান্তর; যা কখনোই বরদাশতযোগ্য নয়।

তাই শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে,

দেশী-বিদেশী কোনো অপশক্তির চাপে নতিস্বীকার না করে এবং কালবিলম্ব না করে অতিসত্বর সকল যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার করে ও বিচারের রায় অতিসত্ত্বর কার্যকর করে জনগণকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করা।

অন্যথায় সরকারকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন জাবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে।



১ আগস্ট, ২০১৫
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’

মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘যে ব্যক্তি পর্দা করে না ও অধিনস্থদের পর্দায় রাখে না সে দাইয়্যূছ।’

টেলিভিশন, ডিশ এন্টেনা, ছবি, সিনেমা, নাটক, ফ্যাশন শো, সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা, ইউটিউব এবং গান-বাজনা, খেলাধুলা এসবগুলো মুসলমান উনাদেরকে ‘দাইয়্যূছ’ বানানোর অর্থাৎ বেপর্দা-বেহায়া করার বিধর্মীয় বা বিজাতীয় সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।

অর্থাৎ এগুলোর মাধ্যমে কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনগুলো মুসলমান উনাদেরকে বেপর্দা করে ‘দাইয়্যূছ’ বানিয়ে জাহান্নামী করতে চাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!

তাই প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে, উল্লিখিত হারাম বিষয়গুলো হতে বিরত থাকা ও শরয়ী পর্দা পালন করা এবং কাফির-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক থাকা।



৩১ জুলাই, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।

আজ সুমহান ও বরকতময় ১৪ই শাওওয়াল শরীফ।

নকশবন্দিয়া-মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম আফযালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি

তিনি এদিন পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে সর্বাত্মক ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।

আর সরকারের জন্যও ফরয হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার পবিত্র জীবনী মুবারক শিশুশ্রেণী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা।



৩০ জুলাই, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। অর্থাৎ তিনিই তোমাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।” সুবহানাল্লাহ!

মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ হচ্ছেন সেই সুমহান বরকতময় বাল্যবিবাহ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

তাহলে খাছ সুন্নত বাল্যবিবাহতে সম্মতি দিলে কি করে ২ বছর কারাদ- হতে পারে এবং কি করে মুসলমান উনাদের দেশে ব্রিটিশ খ্রিস্টানদের দ্বারা প্রণীত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন জারী থাকতে পারে? নাউযুবিল্লাহ! যা খ্রিস্টানদের দেশেও জারী নেই।

তাই বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, অতিসত্ত্বর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রত্যাহার করা এবং বাল্যবিবাহকে খাছ সুন্নত হিসেবে মেনে নেয়া।

কারণ, বাল্যবিবাহ উনার বিরুদ্ধে বলা কাট্টা কুফরী; যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ। নাউযুবিল্লাহ!





      [(২৮২৩ - ২৮১৯) ২৮২৩]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal