al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
২৮ নভেম্বর, ২০১৪
নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি সর্বদা পবিত্র পৃষ্ঠ মুবারক হতে পবিত্রা রেহেম শরীফ-এ তাশরীফ গ্রহণ করেছি। আমার সম্মানিত আব্বাজান ও সম্মানিত আম্মাজান আলাইহিমাস সালাম উনাদের থেকে শুরু করে হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও হযরত হাওওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের পর্যন্ত যত পূর্বপুরুষ আলাইহিমুস সালাম ও পূর্বমহিলা আলাইহিন্নাস সালাম অতীত হয়েছেন উনারা সবাই সর্বোচ্চ শ্রেণীর ঈমানদার ছিলেন।”
নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও সম্মানিত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনারা পবিত্র দ্বীনে হানীফ উনার উপর কায়িম ছিলেন।
অর্থাৎ উনারা ছিলেন- উনাদের যামানার সর্বোচ্চ স্তরের সর্বশ্রেষ্ঠ মু’মিন ও মু’মিনা। সুবহানাল্লাহ!
উনারা জান্নাতী তো অবশ্যই; বরং জান্নাত উদগ্রীব হয়ে আছে উনারা কখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন। উনারা জান্নাতে প্রবেশ করলেই জান্নাত কামিয়াব এবং জান্নাত উনার জান্নাত নামের সার্থকতা হাছিল হবে।
উনাদের ব্যাপারে এটাই আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ আক্বীদা। এর বিপরীত আক্বীদা পোষণ করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।



২৭ নভেম্বর, ২০১৪
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’
বরকতময়, ঐতিহাসিক ২৮শে পবিত্র ছফর শরীফ।
হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম ব্যক্তিত্ব, ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।
যা এ বছরের জন্য আগামী পবিত্র ২৮ ছফর শরীফ ১৪৩৬ হিজরী, ২৩ সাবি’ ১৩৮২ শামসী, ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ঈসায়ী, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম বা সোমবার শরীফ।
উনাকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম করা ও অনুসরণ করা এবং উনার পবিত্র জীবনী মুবারক জানা প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরযে আইন।
পাশাপাশি প্রত্যেক মুসলিম অমুসলিম সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র বিছাল শরীফ বা পবিত্র শাহাদাত শরীফ দিবস উপলক্ষে মাহফিলের আঞ্জাম দেয়ার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা।



২৬ নভেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আপনাদেরকে যা আদেশ-নির্দেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিকামত থাকুন।’
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সত্য মানুষকে জীবন দান করে; আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে দেয়।’
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পরিপূর্ণ মুহব্বত ও সর্বোচ্চ আদব প্রকাশের উপর; সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার প্রতিটি নির্দেশ মুবারক পালনের যোগ্যতা ও সক্ষমতা নির্ভর করে। সউদী ওহাবী সরকারের সে ধরনের মুহব্বত ও আদবের অভাব থাকার কারণে তাদের প্রায় প্রতিটি কাজই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ।
‘নাসী’ করা অর্থাৎ সময় আগ-পিছ করা হারাম ও কুফরী।
অথচ সউদী ওহাবী সরকার প্রতিটি আরবী মাসেই ‘চাঁদ না দেখে মনগড়াভাবে তারিখ ঘোষণা করে’ এই ঘৃণ্য কাজটি করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, অবশ্যই সউদী ওহাবী সরকারের এ বিষয়ে প্রকাশ্য তওবা করে ফিরে আসা ফরয-ওয়াজিব।



২৫ নভেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ঈমান আনো। অর্থাৎ পবিত্র আক্বীদা উনাকে বিশুদ্ধ করো।’
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত।
আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। পবিত্র আক্বীদা উনার শুদ্ধতাই পবিত্র ঈমান উনার শুদ্ধতা।
যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ নয়, সে কস্মিনকালেও মু’মিন ও মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না।
কাজেই মহান আল্লাহ পাক না করুন যদি কেউ উল্লিখিত কুফরী-শিরকী আক্বীদায় বিশ্বাসী হয়ে থাকে, তবে তাকে তা থেকে খালিছ তওবা করতে হবে।
নচেৎ কাদিয়ানী, বাহাই ও ৭২টি বাতিল ফিরক্বার ন্যায় কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হতে হবে। নাউযুবিল্লাহ!



২৪ নভেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন
সেই মহাসম্মানিত, মহামর্যাদাবান, সুমহান, অশেষ বরকতময় ও বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। সুবহানাল্লাহ!
তাই সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন উনার নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!
যা আসতে আর মাত্র ৪০ দিন বাকি।
আর এ কারণেই পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, সেই মহাসম্মানিত দিন উনাকে তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বত এর সাথে পালন করাও ফরয এবং ইহকাল ও পরকাল উভয়কালের জন্যই নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!





      [(২৫৯২ - ২৫৮৮) ২৫৯২]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal