al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
৫ মে, ২০১৬
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার মহাসম্মানিত বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার নিদর্শনসমূহ দেখানোর জন্য অর্থাৎ সম্মানিত দীদার মুবারক পবিত্র আরশে আযীম শরীফে দেয়ার জন্য ভ্রমণ করিয়েছেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।’

আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন।

পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপন করা সকলের জন্যই ফরয।

বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিলো, পবিত্র মি’রাজ শরীফ উদযাপনে ব্যাপক ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা।

পাশাপাশি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বিষয়টি সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।



৪ মে, ২০১৬
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোন এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার নিদর্শনসমূহ দেখানোর জন্য অর্থাৎ দীদার মুবারক আরশে আযীমে দেয়ার জন্য ভ্রমণ করিয়েছেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।’

আজ পবিত্র ২৬শে রজবুল হারাম শরীফ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় রাত।

এ বরকতময় রাতে যারা খাছ ইয়াক্বীনের সাথে দোয়া করবে, তাদের প্রত্যেকটা দোয়াই কবুল হবে। সুবহানাল্লাহ!

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, ছেলে-মেয়ে সকলের জন্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, এ বরকতময় রাতে ইবাদত-বন্দেগী, তওবা-ইস্তিগফার, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা এবং পরের দিন রোযা রাখা।

আর বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে ঐচ্ছিক নয়; বরং বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ উদযাপন করার সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



৩ মে, ২০১৬
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারাকাহ বা বরকতময় রজনীতে (পবিত্র লাইলাতুল বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত বরকতময় রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।”

পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যে রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফসহ অনেক বরকতময় রাত ও দিন।

বাংলাদেশে পবিত্র শাবান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে ২৯ রজবুল হারাম শরীফ মুতাবিক ৮ ছানী ’আশার ১৩৮৩ শামসী, ৭ মে ২০১৬ ঈসায়ী ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) দিবাগত সন্ধ্যায়।

যখন আরবী মাসের ২৯ তারিখে চাঁদ অল্পের জন্য দেখা না যায়, তখন পরের দিন চাঁদ অনেক বড় আকারে দেখা যায়। চাঁদ বড় আকারে দেখা গেলেই অনেকে ধারণা করে তা প্রথম দিনের চাঁদ নয়; কিন্তু আসলে তা সঠিক নয়।

মাসের ২৯ তারিখে চাঁদ দেখা যাওয়া শর্ত। দেখা না গেলে মাস ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে হবে।

সউদী আরবসহ সকল মুসলিম-অমুসলিম দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- শরীয়ত সম্মতভাবে চাঁদ তালাশ করে সঠিকভাবে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস শুরু করা।



১ মে, ২০১৬
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আহলে কিতাব তথা কাফির-মুশরিকরা চায়- তোমরা পবিত্র ঈমান আনার পর তোমাদেরকে হিংসা বা শত্রুতাবশতঃ কাফির বানিয়ে দিতে।’ নাউযুবিল্লাহ!

ইহুদী, নাছারা ও মুশরিক অর্থাৎ হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী প্রকৃতপক্ষে সমস্ত বিধর্মীরাই মুসলমানগণ উনাদের চরম শত্রু।

তাই তারা সুকৌশলে মুসলমানগণ উনাদের দ্বারা হারামকে হালাল, হালালকে হারাম বানিয়ে এবং হারাম কাজে খুশি প্রকাশ করিয়ে মুসলমান উনাদেরকে কাফিরে পরিণত করছে। নাউযুবিল্লাহ!

ফলে মুসলমানণ উনাদের সমস্ত নেক আমল বরবাদ হচ্ছে, স্ত্রী তালাক হচ্ছে, সন্তান বৈধতা হারাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!

যার কারণে দেখা যাচ্ছে যে, মুসলমান নামধারী হওয়ার পরও সে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাই প্রত্যেক মুসলমানকে এ বিষয়টি ভালোভাবে ফিকির করতে হবে।

পাশাপাশি ইহুদী-নাছারা ও হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্র থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।



৩০ এপ্রিল, ২০১৬
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার পবিত্র নিদর্শন মুবারকসমূহ দেখানোর জন্য অর্থাৎ পবিত্র দীদার মুবারক আরশে আযীমে দেয়ার জন্য ভ্রমণ করিয়েছেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।’

সুমহান ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ রাতটিই হচ্ছেন-

লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সুমহান রাত।

যা আসতে আর মাত্র ৪ দিন বাকি।

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে-

পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। আর অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

কাজেই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উক্ত বরকতপূর্ণ রাত্রটি উদযাপনে এখন থেকেই যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করা। আর বাংলাদেশসহ প্রত্যেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সরকারের উচিত পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে ঐচ্ছিক নয়; বরং বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করা এবং এ মুবারক রাত্রটি যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করে উদযাপনের জন্য সরকারিভাবে সর্বপ্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পাশাপাশি এ মুবারক বিষয়টি সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা।





      [(৩০৮৯ - ৩০৮৫) ৩০৮৯]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal