al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
১ নভেম্বর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি উনাদের (হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের) প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক পাঠাতাম।’
মহাসম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের দৃষ্টিতে-
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ সকল হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মা’ছূম বা নিষ্পাপ। সুবহানাল্লাহ!
অর্থাৎ উনারা যাবতীয় ভুল-ত্রুটি, গুনাহ-খতা হতে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র থেকে পবিত্রতম। সুবহানাল্লাহ!
অতএব, ‘হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল-ত্রুটি, গুনাহ-খতা ও লগজেশ করেছেন’- একথা বলা ও এ আক্বীদা পোষণ করা কাট্টা কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ।



৩১ অক্টোবর, ২০১৪
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত বরকতময় পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে সম্মান করো।’
বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ ও ছহীহ নেক আমলের মাধ্যমে সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা বান্দা-বান্দী ও উম্মত সকলের জন্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য। কারণ পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত হাছিলের বরকতময় মাস ও দিন।



৩০ অক্টোবর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয়ই যেসমস্ত মহৎ ব্যক্তিত্ব উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় ও চিন্তা নেই।’
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমার ওলীগণ উনারা আমার জুব্বা মুবারক উনার নিচে অর্থাৎ আমার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে অবস্থান করেন; আমি ছাড়া উনাদেরকে কেউ হাক্বীক্বীভাবে চিনে না।’
আজ সুমহান বরকতময় ৫ই মুহররমুল হারাম শরীফ-
আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত জাদ্দাতু খলীফাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস।
হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা পুরুষ হোন বা মহিলা হোন, উনাদের পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাত লাভের অন্যতম উসীলা।
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হযরত আউলিয়া কিরাম উনাদের পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস উদযাপন করতঃ রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাত লাভ করার কোশেশ করা।



২৯ অক্টোবর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যে বিধান বা নিয়মনীতি নাযিল করেছেন যারা উহার বিরোধিতা তথা বিপরীত করবে তারা কাফির হিসেবে সাব্যস্ত হবে।’
তথাকথিত ডিজিটাল পদ্ধতি তথা মেশিনে পশু যবেহ বা কুরবানী করার পদ্ধতি চালু করার অর্থ হলো-
ওয়াজিব ইবাদত কুরবানী সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধান বা নিয়মনীতির বিরোধিতা বা বিপরীত করা; যা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
অতএব, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে পদ্ধতিতে পশু যবেহ বা কুরবানী করতে বলা হয়েছে, সে পদ্ধতিতেই যবেহ বা কুরবানী করতে হবে।
এর বিপরীত তথাকথিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথা মেশিনে পশু যবেহ বা কুরবানী করলে যবেহ ও কুরবানী উভয়টাই বাতিল বলে গণ্য হবে।
তাই ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে-
পবিত্র কুরবানীর বিষয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা।



২৮ অক্টোবর, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি) ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথাও বলেন না এবং কোনো কাজও করেন না।”
নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। কারণ, বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। তাই ‘বাল্যবিবাহ-এর বিরুদ্ধে শ্লোগান বা বক্তব্য দেয়া এবং বাল্যবিবাহ বিরোধী আক্বীদা পোষণ করা, বিশ্বাস করা, সমর্থন করা ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা কাট্টা কুফরী।
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ব্রিটিশ প্রণীত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-১৯২৯ মানা ও পালন করাও মুসলমানের জন্য কাট্টা হারাম ও শক্ত কুফরী; যা মুরতাদ হওয়ার কারণও বটে।
সেক্ষেত্রে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান বিদ্বেষী ব্রিটিশদের সেই আইনকে কী করে বর্তমান সরকার আরো বৃদ্ধি করে ২ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ঘোষণা করতে পারে?
অতএব, মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধী- এ কুফরী আইন তুলে দেয়া বাংলাদেশ সরকারের জন্য যেরূপ ফরয-ওয়াজিব; তদ্রুপ উক্ত আইন তুলে দিতে সরকারকে বাধ্য করাও দেশের ১৬ কোটি মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।





      [(২৫৬৬ - ২৫৬২) ২৫৬৬]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal