al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
২ মার্চ, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২১৭ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্য থেকে যে বা যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে ফিরে যায় অর্থাৎ মুরতাদ হয়ে যায় অতঃপর সে বা তারা কাফির অবস্থায় মারা যাবে। যার ফ্ললে তাদের ইহকালীন ও পরকালীন সব আমলই নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা অনন্তকাল ধরে জাহান্নামে থাকবে।”

সম্মানিত নবী ও রসূল, আবুল বাশার হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে হিন্দুদের কথিত দেবতা ‘শিব’ এবং উনার সম্মানিত আহলিয়া উম্মুল বাশার হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাকে হিন্দুদের কথিত দেবী ‘পার্বতী’ বলে-
হিন্দুদের দালাল উলামায়ে হিন্দের কুলাঙ্গার দেওবন্দী খারিজী ওহাবী মালানা ইলিয়াছ ও তার সমর্থক সকলেই কাট্টা মুরতাদ হয়ে গেছে।

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে তার উপর মুরতাদের শাস্তি বর্তাবে।

উল্লেখ্য, মুরতাদ দেওবন্দী মালানার উক্ত বক্তব্য দ্বারা আবারো প্রমাণিত হলো যে- দেওবন্দী খারিজী ওহাবীরা জাতিগতভাবে হিন্দু।

তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে-
দেওবন্দী আক্বীদার অর্থাৎ কুফরী আক্বীদা সম্বলিত সকল প্রকার প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়া এবং এদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা।

আর মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে-
এদের মাদরাসায় ছাত্র-ছাত্রী, যাকাত, ফিৎরা, দান, ছদক্বা, কুরবানীর চামড়া না দেয়া এবং এদেরকে ইমাম/খতীব হিসেবে নিয়োগ না দেয়া ও এদের ওয়াজ শোনা থেকে বিরত থাকা।



১ মার্চ, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।”

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মত। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। আর যে তা হতে পশ্চাতে থাকবে সে ধ্বংস হবে।”

আজ সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ৯ই জুমাদাল উলা শরীফ-
হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবস।

যিনি আখাচ্ছুল খাছ হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত।

তাই উনার সুমহান পবিত্র বিলাদত শরীফ দিবসে খুশি প্রকাশ করা এবং উনার মুবারক খিদমতে যথাযথ আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভ উনার কারণ।



২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫
৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নাম মুবারকে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারকে ও হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনার নাম মুবারকে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নাম মুবারকে, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের নাম মুবারকে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নাম মুবারকে, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নাম মুবারকে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সর্বপ্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গবেষণাকেন্দ্র তৈরি করতে হবে।

সাথে সাথে উনাদের শান-মান মুবারক ও পবিত্র জীবনী মুবারক সম্বলিত কিতাব বেশি বেশি রচনা করা, প্রকাশ করা ও প্রচার-প্রসার করা।

যাতে মুসলমানগণ উনাদের ঐতিহ্য ও ইতিহাস জেনে এবং উনাদেরকে অনুসরণ ও অনুকরণ করে হাক্বীক্বী মুসলমান হতে পারে।

অতএব, বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানরা কখনো এদেশে ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, বেদ্বীন, বদদ্বীন অর্থাৎ সর্বপ্রকার বিধর্মীদের নামে কোনো প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করাটা কখনো মেনে নিতে পারে না এবং পারবে না।



২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি অনেক জ্বিন ও ইনসানের জন্য জাহান্নাম তৈরি করেছি। তাদের অন্তর থাকার পরও বুঝবে না, চক্ষু থাকার পরও দেখবে না, কান থাকার পরও শুনবে না। এরা হচ্ছে পশুর মতো বরং তার চেয়েও অধম বা গুমরাহ। এরা হচ্ছে চরম গাফিল।’

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে যারা উলামায়ে ‘সূ’ তাদের জন্য জাহান্নাম।’

উলামায়ে ‘সূ’দের জন্য তো জাহান্নাম অবধারিত আছেই; পাশাপাশি যারা এদেরকে অনুসরণ, অনুকরণ ও সমর্থন করবে তারাও জাহান্নামী হবে।

তাই উলামায়ে ‘সূ’দের থেকে দূরে থাকা ও এদেরকে দূরে রাখার সাথে সাথে এদেরকে অনুসরণ, অনুকরণ করা থেকে বিরত থাকা সকলের জন্যই ফরয।



২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল-মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখবে সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।’

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো-

মুসলমান উনাদের জন্য কোনো অবস্থাতেই কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন তথা বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী

যা পরিণতিতে খোদায়ী গযবে পরে হালাক হওয়ার কারণ।

তাই সকল মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মীদের থেকে দূরে থাকা।





      [(২৬৮১ - ২৬৭৭) ২৬৮১]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal