al-ihsan.net
mob.al-ihsan.net
বাংলা | English
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহ্‌ইস সুন্নাহ্‌, ক্বাইয়্যুমুয্‌ যামান, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম,
সুলতানুল ওয়ায়েজীন, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হাবীবুল্লাহ্‌, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফের
মামদুহ্‌ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-এর দৈনিক আল ইহসানে প্রধান শিরোনামে প্রকাশিত ক্বওল শরীফ সমূহ।

  অনুসন্ধান: 
১৭ এপ্রিল, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করো।’
বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ মুসলমান উনাদেরকে সম্মানিত ইসলামী শিক্ষা হতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে।
যার ফলে দেশে খুন-খারাবী, নারী নির্যাতন ও টিজিং, দুর্নীতি, অনাচার, বখাটেপনা, প্রবাহমান পঙ্কিলতা ও অস্থিরতাসহ সব ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে।
যে দেশের শতকরা ৯৭ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান; সেদেশে সম্মানিত ইসলামী ঐতিহ্য ও সম্মানিত ইসলামী শিক্ষার ব্যাপক বিস্তার ব্যতীত সুস্থ ও সুন্দর জনগোষ্ঠী আশা করা যায় না।
অতএব, দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্মানিত ইসলামী শিক্ষার ব্যাপক বিস্তার ঘটানো।



১৬ এপ্রিল, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’
অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন
সেই মহাসম্মানিত, মহামর্যাদাবান, সুমহান, অশেষ বরকতময় ও বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ মহাপবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন।
তাই সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন উনার নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!
যা আসতে আর মাত্র ২৬২ দিন বাকি।

আর এ কারণেই পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম।
অতএব, সেই মহাসম্মানিত দিন উনাকে তা’যীম-তাকরীম ও মুহব্বত এর সাথে পালন করা ফরয এবং ইহকাল ও পরকাল উভয়কালেই নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!



১৪ এপ্রিল, ২০১৪
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের মহান রব তায়ালা উনার সম্মানিত হুকুম মুবারক উনার উপর অবিচল বা দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফির তথা মজুসী, মুশরিক, হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, নাছারা এবং মুনাফিকদেরকে অনুসরণ করো না।’
কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে ফসলী নববর্ষ, ইংরেজি নববর্ষ, আরবী নববর্ষ ইত্যাদি সবই মজুসী-মুশরিক, হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, নাছারা তথা বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা।
উল্লেখ্য, এতে তারা পান্তা খায়, গান-বাজনা করে, র‌্যালী করে, জীব-জানোয়ারের মুখোশ পরে, মিছিল করে, শরীরের নানা অঙ্গ-প্রতঙ্গে উল্কি আঁকে, ডুগডুগি বাজিয়ে নেচে নেচে হৈহুল্লোড় করে, পুরুষরা ধুতি ও কোণাকাটা পাঞ্জাবী যা হিন্দুদের জাতীয় পোশাক তা পরে, মেয়েরা লাল পেড়ে সাদা শাড়িসহ হাতে রাখি বাঁধে, শাঁখা পরে, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়, বেপর্দা, বেহায়া হয়- যা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।

কাজেই যে সমস্ত মুসলমানগণ আজ পহেলা বৈশাখ পালন করবে তারা কুফরী করবে।
ফলে তাদের উপর মুরতাদের হুকুম বর্তাবে। তাদের জিন্দেগীর সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে। তাদের ওয়ারিছসত্ত্ব বাতিল হয়ে যাবে। তারা হজ্জ করে থাকলে তাদের হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে এবং তারা বিবাহ করে থাকলে তাদের বিবাহও ফাছেদ হয়ে যাবে।
সুতরাং পহেলা বৈশাখ পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয।
অতএব, ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, সরকারিভাবে এসকল হারাম ও কুফরী কাজ থেকে সকল মুসলমানদেরকে বিরত রাখা।



১৩ এপ্রিল, ২০১৪
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে তার পরিবারবর্গকে ভালো খাওয়ায়-পরায় তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে এক বৎসরের জন্য সচ্ছলতা দান করবেন।’
অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রমাণিত যে- মুসলমানগণ উনাদের জন্য ভালো ও বিশেষ খাবারের দিন হচ্ছে পবিত্র ১০ই মুহররম শরীফ, যা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন হিসেবে মশহুর।
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে আরো প্রমাণিত যে-
পহেলা মুহররম হোক, পহেলা বৈশাখ হোক, পহেলা জানুয়ারি হোক অর্থাৎ কোনো মুসলমান ঈমানদার ব্যক্তির জন্যই কোনো বৎসরেরই পহেলা তারিখে অর্থাৎ নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে ভালো বা বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা বা বিশেষ অনুষ্ঠান করা জায়িয তো নয়ই; বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী।

অতএব, পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে পহেলা বৈশাখের দিন পান্তা-ইলিশ ইত্যাদি খাওয়া এবং পহেলা বৈশাখ সংশ্লিষ্ট কোনো কার্যক্রম করা কাট্টা হারাম ও কুফরী। এবং ঈমানদারদের জন্য অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য ঈমানহারা হওয়ার কারণ।



১২ এপ্রিল, ২০১৪
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ১০৫নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি আপন রহমত দ্বারা যাকে ইচ্ছা উনাকে খাছ করে নেন।’
আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মুতাবিক বিনতু রসূলিল্লাহ, শাবীহাতু রসূলিল্লাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, শান-শুয়ূনাত এবং খুছূছিয়াত মুবারক বর্ণনা করার ভাষা মানুষের জানা নেই।
কারণ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে খাছ এবং মনোনীত বান্দা-বান্দী উনাদের অন্তর্ভুক্ত।
অতএব, উনাদের প্রতি মুহব্বত ও সুধারণা রাখা পবিত্র ঈমান এবং নাজাত ও সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের কারণ।





      [(২৩৮০ - ২৩৭৬) ২৩৮০]   অপেক্ষাকৃত পুরাতন ›   একেবারে পুরাতন » 





সম্পাদক: আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম
অফিস: ৫, আউটার সারকুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা -১২১৭, বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮-০১৭১৬৮৮১৫৫১, +৮৮-০২-৮৩১৭০১৯, ৮৩১৪৮৪৮, ৮৩১৬৯৫৮; ফ্যাক্স: ৯৩৩৮৭৮৮
ই-মেইল: editor@al-ihsan.net, dailyalihsan@gmail.com

For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal