অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...

al-ihsan.net
বাংলা | English

আর্কাইভ : বিশেষ প্রতিবেদন
   
ফিরে দেখা ইতিহাস : ঘাতক রাজাকার, আল-বাদর মওদুদী জামাতী, দেওবন্দী খারিজী, ওহাবী সালাফীদের দিনলিপি : ২২ নভেম্বর ১৯৭১ ঈসায়ী |  বিস্তারিত...
২৩ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত মওদুদীবাদী জামাতের সাবেক আমির গো’আযম। ১৯৭১ সালের ২৫ ও ২৬ মার্চ পাকী বাহিনীর হামলায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, পলাশি ফায়ার সার্ভিস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ, রোকেয়া হল, ব্রিটিশ কাউন্সিলের চতুর্দিকে লাশের পর লাশ পড়েছিল। ২৭ মার্চ তারিখে কয়েক ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল করা হয়েছিল।
কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা জিঞ্জিরায় মুক্তিযুদ্ধের ঘাঁটি তৈরি করে। জিঞ্জিরিয়ায় পাকী বাহিনী আক্রমণ করেছিল সেটা তাদের কারণেই। তবে তারা সে আক্রমণের মুখে টিকে থাকতে না পেরে জায়গা পরিবর্তন করে জিঞ্জিরার কৈটা নামের স্থানে চলে যায়। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকদিন পালিয়ে বেড়ায়। পরে আগস্ট মাসে প্রথম সপ্তাহে তারা ভারতে চলে যায়। সেখানে আগরতলা হয়ে মেলঘরে ট্রেনিং নিয়ে দেশে ফিরে সজিব বাহিনীতে যোগ দেয়। তাদের ওয়াই বা ইয়াং প্লাটুন বলা হতো। সে দলের সদস্য হলো আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
এরপর অক্টোবর মাসে ২৯ তারিখে আবারো ভারত যাওয়ার পথে আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল, মানিক, মাহবুব ও সারোয়ার পাকিস্তানী আর্মি ও রাজাকারদের হাতে বন্দি হয়। কুমিল্লা ও বি-বাড়িয়ার মঝামাঝি তন্তর চেক পোস্টে আটক হয়। সেখানে ঘণ্টাখানেক জিজ্ঞাসাবাদের পর যখন তারা বারবার বলছিলো তারা মুক্তিযোদ্ধা নয়, তখন পাশবিক নির্যাতন শুরু করে। একটানা আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা নির্যাতনের পর তাদের চারজনকে উলঙ্গ করে ফেলে। তখন তাদের পরনে শুধু জাঙ্গিয়া ছিল। এরপর পাকী সুবেদার আমাদের হত্যার নির্দেশ দেয়। সে মোতাবেক পাশের মসজিদ থেকে একজন ইমাম ডেকে নিয়ে তাদের গরম পনিতে গোসল করিয়ে তওবা পড়ানো হয়। এরপর দু’জন মিলিটারি মেশিনগান বা ঐ জাতীয় কিছু তাক করেছিল। হঠাৎ করে নিস্তব্ধতার ভেতরে একটি ওয়্যারলেস বেজে উঠে- ‘মুক্তিকো হেডকোয়ার্টার মে লে আও।’
এরপর তাদের গুলি না করে উলঙ্গ অবস্থায় প্রায় ৫ ঘণ্টা বাসের মধ্যে নিচে বসিয়ে বি-বাড়িয়ার রাজাকার হেডকোয়ার্টারে ৪ জনকে নিয়ে যায়। পরে গালিগালাজ ও নির্যাতন করে তাদের ৪ জনকে বি-বাড়িয়া জেলখানায় পাঠায়। সেখানে তাদের মতো বয়সী অনেক ছাত্র বন্দি ছিল। তাদের মধ্যে কয়েকজন হলো- শহীদ নজরুল, শহীদ কামাল, কামালের বাবা শহীদ সিরু মিয়া, কুমিল্লার বাতেন ভাই, কুমিল্লার শফি উদ্দিন এবং আরো অনেকে। সে জেলখানায় সম্ভত ৫৫ জন মুক্তিযোদ্ধা বন্দি ছিল। নজরুল, সিরু মিয়া এবং কামাল তন্তর চেকপোস্টে ইমতিয়াজ গ্রুপের দু’দিন আগে ধরা পড়েছিল। তখন ছিল রমযান মাস। রোযার ঈদের দিন বি-বাড়িয়ার জেলে দরজা খুব জোরে শব্দ করে খুলে যায়। বন্দিরা সকলে চমকে উঠে। জেলের ভেতরে পাকী বাহিনী প্রবেশ করে উচ্চস্বরে ‘লাইন আপ, লাইন আপ’ বলে চিৎকার করে। ঐ কথা শুনে বন্দিরা জেলের গারদ থেকে বেরিয়ে কংক্রিটের মেঝেতে লাইন দিয়ে বসে পড়ে। সেখানে ক্যাপ্টেন আলী রেজা এবং লে. ইফতেখার ছিল। আরো ছিল ব্রিগেডিয়ার সাদুল্লাহ এবং অনেক রাজাকারসহ পেয়ারা মিয়া।
ক্যাপ্টেন আলী রেজা আঙ্গুল তুলে একজন একজন করে দাঁড় করাতে থাকে। এভাবে প্রায় ৪৩ জনকে আলাদা করা হয়। এরপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্টেশনের পশ্চিমে পৈরতলা নামক স্থানে তাদের এক নাগাড়ে হত্যা করা হয়।
 |  বিস্তারিত...
২৩ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
সারা বিশ্বে প্রশংসিত বাংলাদেশের গর্বিত, নিবেদিত, চৌকষ, বীর ও অভূতপূর্ব ত্যাগী এবং অসম সাহসী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তথা সেনানিবাসের বিপক্ষে
কুখ্যাত, বিতর্কিত এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিবেদিত অভিযুক্ত এনজিওগুলো কথা বলার সুযোগ পায় কি করে?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ফোর্সেস গোল-২০৩০-এর আলোকে সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তন আনতে কাজ করছেন- তখন কুখ্যাত সিএইচটি নেতা সুলতানা কামাল গং সেনাবাহিনীকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করতে উস্কানি দিচ্ছে কেন?
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে উপজাতিদের ষড়যন্ত্রের বিস্তার করতেই কি সেনাবাহিনীকে সংকুচিত এবং সেনাবাহিনীর ক্ষমতা খর্ব করার জন্য তাদের এতো বিষোদগার।
অপরদিকে প্রথম আলো ও তার সহযোগী ডেইলী স্টার কুখ্যাত সিএইচটি গংসহ চিহ্নিত কুচক্রী এনজিওগুলোদের কভারেজ দিচ্ছে কোন্ উদ্দেশ্যে?
এদেরকে প্রতিরোধ করতে জনগণকে সচেতন হতে হবে; সরকারকে অতিসত্বর ব্যবস্থা নিতে হবে। |  বিস্তারিত...
২৩ নভেম্বর, ২০১৪ | -আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
ঈদের দিন পাকী সৈন্যরা ৩৮ জনকে কৈরতলায় নিয়ে হত্যা করে |  বিস্তারিত...
২৩ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
ফিরে দেখা ইতিহাস : ঘাতক রাজাকার, আল-বাদর মওদুদী জামাতী, দেওবন্দী খারিজী, ওহাবী সালাফীদের দিনলিপি : ২১ নভেম্বর ১৯৭১ ঈসায়ী |  বিস্তারিত...
২২ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
রাজাকারদেরকে মুজাহিদের স্বাক্ষর করা পরিচয়পত্র দেয়া হতো |  বিস্তারিত...
২২ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
হুজি’র সন্ত্রাসবাদীরা ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা নিয়ে আবারো সংগঠিত হচ্ছে-২ |  বিস্তারিত...
২২ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
“ভারত-বাংলাদেশ হাইকমিশনার প্রথম কথিত সম্মেলনে” “ভারত বাংলাদেশের ভালো চায়” বক্তাদের এ কথার ঐতিহাসিক সত্যতা কতটুকু?
সুদূর অতীত থেকে বটেই, পাশাপাশি ব্রিটিশ আমলেও ভারত বাংলাদেশের প্রচণ্ড বিরোধিতা করেছে এবং এখনো করছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত নামকাওয়াস্তে ও লোকদেখানো সাহায্য করেছিল নিজেদের স্বার্থে এবং বাংলাদেশীদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে।
ভারতের ষড়যন্ত্রেই ১৯৭২ সালে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। ৯২ হাজার পাকিস্তানী সেনা ফেরত যেতে পেরেছিল।
সম্মানিত ইসলামী ফতওয়া মতে, মুশরিক হিন্দু কখনো বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে না, বাংলাদেশের ভালো চাইতে পারে না। (২) |  বিস্তারিত...
২১ নভেম্বর, ২০১৪ | -আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
ফিরে দেখা ইতিহাস : ঘাতক রাজাকার, আল-বাদর মওদুদী জামাতী, দেওবন্দী খারিজী, ওহাবী সালাফীদের দিনলিপি : ২০ নভেম্বর ১৯৭১ ঈসায়ী |  বিস্তারিত...
২১ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
সোহাগপুর ও বেনুপাড়ায় রাজাকাররা ২৪৫ জনকে হত্যা করে |  বিস্তারিত...
২১ নভেম্বর, ২০১৪ | আল ইহসান ডেস্ক:
মোট রেকর্ড: ৭৬১৪ | ৭৬২ এরনং পৃষ্ঠা দেখছেন go first go previous go next go last




For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Mudda Jilluhul Aali
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal