পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস সমস্ত প্রকার রহমত, বরকত, মাগফিরাত হাছিল করার মাস। এই পবিত্র মাসে আমরা রোযা রেখে থাকি। রোযা রাখার বিধান পূর্ববর্তী সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের উম্মতদের উপর ফরয ছিল। কিন্তু উনাদের সাথে আমাদের রোযার কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন আমাদের রোযা আর আহলে কিতাবদের রোযার পার্থক্য হচ্ছে সাহরী গ্রহণ করা। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে সাহরী খাওয়া ছেড়ে দেয়া যাবে না।
সাহরী খাওয়া প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَل বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাবার গ্রহণের সময় চামড়ার দস্তরখানা ব্যবহার করতেন। এবং খাবারের পাত্র হিসেবে কাঠের প্লেট, কাঠের বাটি, কাঠের পেয়ালা ও কাঠের লবণদানি ব্যবহার করতেন। সুবহানাল্লাহ!
রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্র।” সুবহানাল্লাহ!
সুন্নতী দস্তরখানা ও সুন্নতী কাঠের প্লেট, বাটি, পেয়াল ও লবণদানিসহ যে কোন বাকি অংশ পড়ুন...
সারা বিশ্বে একদিনে পবিত্র রোযা ও পবিত্র ঈদ পালন করার দাবীদাররা বিভ্রান্ত ও চরম গোমরাহ
জাযিরাতুল আরবের আকাশে চাঁদ না দেখে যেমনি পবিত্র হজ্জ উনার সময় নির্ধারণ করা জায়িয নয়, তেমনি নিজস্ব উদয়স্থলে চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা, পবিত্র ঈদ, অন্যান্য আমল পালন করাও জায়িয নয়। পৃথিবীর দু’টি স্থানের সর্বোচ্চ সময়ের পার্থক্য ১৪ ঘণ্টারও বেশি। সুতরাং কখনো এক দিনে পৃথিবীর সব দেশে পবিত্র রোযা ও পবিত্র ঈদ পালন করা সম্ভব নয়।
পৃথিবীর এমন অনেক স্থান আছে যেখানে সন্ধ্যা হলে অন্য স্থানে সকাল। আর আমরা জানি, সম্মানিত শরীয়ত উনার দিন শুরু হয় সন্ধ্যার পর থে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ.
অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে তোমর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى.
অর্থ: “তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর। নিশ্চয়ই উত্তম পাথেয় হচ্ছে তাক্বওয়া।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯৭)
‘তাক্বওয়া’ শব্দের অর্থ হলো আল্লাহভীতি। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে উনার নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ হতে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার নাম তাক্বওয়া। আর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পবিত্র রোযা উনার দ্বারা সেই তাক্বওয়া হাছিল হয়ে থাকে।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আদম সন্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দু’টি বিষয় প্রতিষেধক হিসেবে গ্রহণ করো মধু এবং পবিত্র কুরআন শরীফ।”
মহান আল্লাহ পাক তিনি মধুর ব্যাপারে ইরশাদ মুবারক করেন- “আপনার মহান রব তায়ালা তিনি মৌ-মাছিকে আদেশ মুবারক দিলেন পর্বতে, বৃক্ষে ও উঁচু চালে মৌচাক নির্মাণ করো। এরপর সর্বপ্রকার ফল হতে ভক্ষণ করো এবং আপন মহান রব তায়ালা উনার উন্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট হতে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রো বাকি অংশ পড়ুন...
মাটির পাত্রে আহার করার সীমাহীন ফযীলত মুবারক
মাটির পাত্রে আহার করার ফযীলত সম্পর্কে হযরত ইবনে আবিদীন মুহম্মদ আমীন ইবনে উমর রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ-১২৫২হিজরী) উনার লিখিত সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রসিদ্ধ ফিক্বাহর কিতাব “রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার” কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
وَيُكْرَهُ الْأَكْلُ فِي نُحَاسٍ أَوْ صُفْرٍ وَالْأَفْضَلُ الْخَزَفُ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اتَّخَذَ أَوَانِيَ بَيْتِهٖ خَزَفًا زَارَتْهُ الْمَلَائِكَةُ.
অর্থ: পিতল এবং কাঁসার পাত্রে খাবার খাওয়া মাকরূহ। আর খাবারের জন্য মাটির পাত্র হচ্ছে সর্বোত্তম অর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছে যা ক্বমীস বা কোর্তার উপরে পরিধান করা হয়, সামনে ফাঁড়া, ঢোলা এক প্রকার পোশাক। যার জেব এবং আস্তিনে উপর দিয়ে রেশমের বিশেষ কারুকার্য করা থাকে।
পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনকে মুসলমানদের সাধ্যের মধ্যে আনতে এবং আরও সহজলভ্য করতে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার উদ্ বাকি অংশ পড়ুন...












