হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন জলীলুল ক্বদর ছাহাবী। তিনি নিরিবিলি একাকী থাকতে পছন্দ করতেন তাই ‘সবজা’ নামক একটা জায়গায় থাকতেন। একদিন তিনি উনার ক্ষেতে পানি দিচ্ছিলেন। উনার পরনে ছিল সদ্যধোয়া পরিষ্কার কাপড়, আর জমিটা ছিল পানি দেয়ার কারণে কর্দমাক্ত।
এমন সময় একটা লোক এসে উনাকে কিছু কথা বললো। তাতে উনার খুব গোসসা পয়দা হলে তিনি সাথে সাথে মাটিতে বসে পড়লেন। কিছুক্ষণ পরে তিনি সেই জমির মধ্যেই শুয়ে পড়লেন। আর এদিকে সেই ব্যক্তি বিস্ময়ে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِىَ اللّٰهُ تَــعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا بَــعَثَ بِهٖ إِلَى الْيَمَنِ قَالَ إِيَّاكَ وَالتَّـنَـعُّمَ فَإِنَّ عِبَادَ اللّٰهِ لَيْسُوْا بِالْمُتَــنَـعِّمِيْـنَ. (روى البيهقي)
হযরত মুয়ায বিন জাবাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হযরত মুয়ায বিন জাবাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে ইয়েমেনে পাঠালেন তখন বললেন, আপনি নিজেকে বিলাসিতা থেকে রক্ষা করবেন। কেননা যারা মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ বান্দা, উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহপাক তিনি যখন সাত আসমান তৈরি করলেন তখন সাতজন ফিরিশতাও তৈরি করলেন। উনাদেরকে বলা হয় হাফাযা ফিরিশতা। তখন সেই সাতজন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সাত আসমানের দায়িত্ব দিয়ে দিলেন। মহান আল্লাহ পাক বললেন, ‘হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনাদের জিম্মাদারী হলো, আপনাদের সামনে দিয়ে বান্দাদের আমলগুলো যাবে, আপনারা আমলগুলো পরীক্ষা করবেন।’
যে ফেরেশতা আলাইহিস সালাম প্রথম আসমানে থাকেন উনার জিম্মাদারীতে দেয়া হলো, ‘গীবত।’ যখন বান্দার আমলনামাগুলো নিয়ে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রথম আসমানে পৌঁছবেন, তখন সেই হাফাযা ফেরে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ عَمْرِو بْنِ عَـوْفٍ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَـنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَـوَاللّٰهِ لَا الْفَقْرُ أَخْشٰى عَلَـيْكُمْ وَلٰكِنْ أَخْشٰى عَلَيْكُمْ أَنْ تُــبْسَطَ عَلَـيْكُمُ الدُّنْــيَا كَمَا بُسِطَتْ عَلٰى مَنْ كَانَ قَــبْـلَكُمْ فَــتَــنَافَسُوْهَا كَمَا تَــنَافَسُوْهَا وَتُـهْـلِكَكُمْ كَمَا أَهْلَكَـتْـهُمْ. (متفق عليه)
হযরত আমর বিন আউফ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমি তো বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দুটি হাড়কে ঘিরে থাকে একটি কার্টিলেজ। বয়সের সঙ্গে এ কার্টিলেজে নানা কারণে ক্ষয় ধরে। কার্টিলেজের এ ক্ষয়ের সমস্যাকেই বলে অস্টিওআর্থ্রাইটিস। হাত-পাসহ শরীরের নানা জায়গায় দেখা দিতে পারে এ সমস্যা। এ নিয়ে মানুষের একটি সাধারণ ধারণা ছিল, এটা কেবল বয়স্ক লোকদের ক্ষেত্রেই হয়। তবে এখন কম বয়সী লোকদের মধ্যেও এ রোগ হতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০-৩০ বছর বয়সী মানুষেরাও এখন এ রোগে ভুগছে। তবে বয়স্ক লোকদের ক্ষেত্রে তা যেভাবে প্রভাবিত করে, অল্প বয়সীদের ক্ষেত্রেও একইভাবে সমস্যার সৃষ্টি করে।
কম বয়সে এ রোগ হওয়ার কারণ:
বিশেষজ্ঞদের মত বাকি অংশ পড়ুন...
একদিন আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্ব আলাইহিস সালাম উনার দরবার শরীফে দুই ভাই মিলে একজন যুবককে টেনে-হিঁচড়ে হাযির করলো এবং বিচার প্রার্থনা করলো যে, ‘এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।’
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সেই যুবককে এই সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। যুবক বললো যে, ‘তাদের দাবী সম্পূর্ণ সত্য। আমি ক্লান্তির কারণে বিশ্রামের জন্য এক খেজুর গাছের ছায়ায় বসেছিলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেকের জন্য আবশ্যক হলো, অধীনস্তদেরকে নিয়ে নিজেও নেক আমল করা। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন,
قُـوْا أَنْــفُسَكُمْ وَأَهْلِـيْكُمْ نَارًا ﴿৬﴾ سورة التحریـم
তোমরা নিজেদেরকে এবং পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও বা রক্ষা করো। [সূরা তাহরীম শরীফ: ৬]
আর পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ عَـبْدِ اللهِ بْـنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْـهُمَا عَنِ النَّبِـيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلَا كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُــوْلٌ عَنْ رَعِـيَّــتِـهٖ، فَالْأَمِيْـرُ الَّذِيْ عَلَى النَّاسِ رَاعٍ، وَهُوَ مَسْـئُــوْلٌ عَنْ رَعِـيَّـتِـهٖ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلٰى أَهْلِ بَــيْـتِـهٖ، وَهُوَ مَسْـئُـ বাকি অংশ পড়ুন...
শীতের রুক্ষতা নানা সমস্যা ডেকে আনে। পায়ের পাতা ফেটে যাওয়ায় অনেকেই কষ্ট পান। এইসময় ত্বক যেমন খুব শুষ্ক হতে থাকে, তেমনই মাথার স্কাল্পও শুষ্ক হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লিন্সিং, স্ক্রাবিং এবং ময়েশ্চারাইজিং- এই পদ্ধতিতে পায়ের পরিচর্চা অত্যন্ত জরুরি।
শীতের রুক্ষতা নানা সমস্যা ডেকে আনে। পায়ের পাতা ফেটে যাওয়ায় অনেকেই কষ্ট পান। এমনিই শীতে কম-বেশি চামড়া ফাটে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পা ফাটা এতটাই মারাত্মক যে, হাত-পায়ের চামড়া ফেটে গিয়ে রক্ত বেরোনোর ঘটনাও কিন্তু স্বাভাবিক নয়। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ত্বকের অন্য কোনও বড় সমস্যা রয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে সর্দি-জ্বর খুব সাধারণ সমস্যা হলেও দীর্ঘ সময় ধরে শিশুর ঠান্ডা-কাশি থাকলে নাকের পেছনে মাংস বেড়ে যেতে পারে। একে এডেনয়েড গ্রন্থির সমস্যা বলে। নাকের পেছনে ও তালুর ওপরে থাকে এডেনয়েড গ্রন্থি।
এটি গঠনগত দিক থেকে টনসিলের মতো, যা খালি চোখে বা বাইরে থেকে দেখা যায় না। বিশেষ ধরনের অ্যান্ডোস্কোপ অথবা ন্যাসোফেরিংস এক্সরের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, শিশুর অ্যাডিনয়েড গ্রন্থি বড় হয়েছে।
* উপসর্গ:
▶ শিশু মুখ হা করে ঘুমায়।
▶ ঘুমের মধ্যে শব্দ হয় বা নাক ডাকে। হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে ঘুম থেকে উঠেও যেতে পারে।
▶ ঘন ঘন সর্দি-কাশিতে ভোগে, সহজে সারতে চায় না।
▶ লসি বাকি অংশ পড়ুন...
বীর মুসলিম সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাইফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তখন বললেন- ‘অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমার দেহে একটি মাত্র প্রাণ। যা এখনি চলে যাবে। যদি আমার একশ’ প্রাণ থাকতো, তাহলে আমি প্রত্যেকটি প্রাণ এভাবেই মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রাস্তায় কুরবান করে দিতাম।’ সুবহানাল্লাহ!
মুসলিম সেনাপতি উনার এ আশ্চর্যজনক উত্তরে রোম শাসক বিস্ময়াভূত হয়ে গেল। আর ভাবতে লাগলো- ‘শত বার মৃত্যুকে হাসিমুখে বরণ করে নেয়ার মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তির শাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ যখন কারো মৃত্যু এসে যাবে তখন চাইলেও সময়কে পিছানো যাবে না। নির্ধারিত সময়ে মৃত্যু হবে। এজন্য সময় থাকতে দান-খয়রাত করতে হবে। পরকালে ফায়দা লাভ করার জন্য মৃত্যুর পূর্বে দুনিয়াতে থাকতেই দান করে নিজের জন্য জমা করে রাখতে হবে। আর দুনিয়াতে যা দান করবে তা পরকালে নিজের জন্যই থাকবে। দুনিয়াতে যে যত বেশি দান-সদকা করবে পরকালে তার তত বেশি নেকী জমা হবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
أَقِـيْـمُوا الصَّلَاةَ وَاٰتُوا الزَّكَاةَ وَأَقْرِضُوا اللّٰهَ قَـرْضًا حَسَنًا وَمَا تُــقَدِّمُوْا لِأَنْــفُسِكُمْ مِّنْ خَـيْـرٍ تَـجِدُوْهُ عِنْدَ اللّٰهِ هُوَ خَـيْـرًا وَأَعْظَمَ أَ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাইফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অত্যন্ত প্রিয় একজন ছাহাবী যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য মাল-জান কুরবান করে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন।
আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আযম আলাইহিস সালাম তিনি রোম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন। সে অভিযানে সেনাপতির দায়িত্বে ছিলেন বয়সে তরুণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
ঘটনাক্রমে তিনি মুসলিম সৈন্যদল বাকি অংশ পড়ুন...












