মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আ’লা শরীফ উনার ৯, ১০ ও ১১ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতদেরকে নছীহত মুবারক করুন; নিশ্চয়ই আপনার নছীহত মুবারক উম্মতদের জন্য সম্মানিত দ্বীন পালনে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ও আপনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের সহায়ক হবে। যাদের অন্তরে ভয় রয়েছে উনারাই শুধুমাত্র নছীহতের মাধ্যমে ফায়দা লাভ করবে। আর আপনার নছীহত মুবারক তারাই গ্রহণ করবে না, যাদের অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় নেই এবং আপনার প্রতি মুহব্বত ও আদব নেই। অর্থাৎ যারা চরম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত হয়েছে-
عَن حضرت أَبي هُرَيْرَةَ رضي الله تعالي عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَكُونُ فِى آخِرِ الزَّمَانِ دَجَّالُونَ كَذَّابُونَ يَأْتُونَكُمْ مِنَ الأَحَادِيثِ بِمَا لَمْ تَسْمَعُوا أَنْتُمْ وَلاَ آبَاؤُكُمْ فَإِيَّاكُمْ وَإِيَّاهُمْ لاَ يُضِلُّونَكُمْ وَلاَ يَفْتِنُونَكُمْ )مسلم)
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আখিরী যামানায় অনেক মিথ্যাবাদী দাজ্জালের চেলা বের হবে, তারা এমন সব কথা বানিয়ে বানিয়ে বলবে যা কোনোদিন তোমরাও শুননি, তোমাদ বাকি অংশ পড়ুন...
“অবশ্যই এই ঘটনাসমূহের মধ্যে রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য নছীহত।” (পবিত্র সূরা ইউসুফ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ নং ১১১)
“পূর্ববর্তীদের ঘটনাসমূহ পরবর্তীদের জন্য নছীহতস্বরূপ”
ঘটনা-৩৫: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করার কুফল
হিজরী নয়শ শতকে এক বুযুর্গ ব্যক্তি ছিলেন ইয়েমেনে। তিনি প্রায় প্রতি বছরই পবিত্র হজ্জ করতে যেতেন। একবছর হজ্জ করে পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত সালাম মুবারক পেশ করলেন। তারপর পাশে যে সাইয়্যিদুন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: এক মহিলার আহাল সামান্য বিষয়ে তাকে মারধর করে। এভাবে সামান্য কারণে আহলিয়াকে মারধর করা শরীয়তসম্মত কিনা? জানতে বাসনা রাখি।
জওয়াব মুবারক:
দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে সামান্য বিষয়ে আহলিয়াকে মারধর করা জায়িয নেই। কেননা আহলিয়াদের সাথে সদাচরণের ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ
অর্থ: তোমরা নারীদের সাথে উত্তমভাবে বসবাস করো অর্থাৎ উত্তম ব্যবহার করো। (সূরা নিসা শরীফ-১৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ
অর্থ: আহলিয়াদের উপর আহালদের যেরূপ শরীয়তসম্মত বাকি অংশ পড়ুন...
বীরাঙ্গনা ছাহাবী সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। নাম মুবারক হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা, কুনিয়াত উম্মে সালমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। বংশধারা হচ্ছে, আসমা বিনতে ইয়াযীদ ইবনে আসকান ইবনে রাফে ইবনে ইমরাউল কাছীর ইবনে যায়েদ ইবনে আবদুল আশহাল ইবনে জসম ইবনে হারেস ইবনে খাযরাজ ইবনে আমর ইবনে মালেক ইবনে আওস। হিজরতের পর তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন।
একবার তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারকে হাযির হয়ে মুবারক খিদমতে বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন হয় প্রথমত ১৭৫৭ সালে। আমেরিকার নিউইয়র্কে। এ আন্দোলনের পিছনে কারণ ছিলো মূলত মহিলাদের সে সময় সংসারের পাশাপাশি বাইরে কাজ করতে হতো ১৫ ঘণ্টা। কিন্তু তাদের কাজ অনুযায়ী যেমন পেতো না উপযুক্ত পারিশ্রমিক এবং সেই সাথে খাটতে হতো অমানবিক পরিশ্রম। শুধু তাই নয়, অমুসলিম দেশগুলোতে মহিলাদের অধিকার, তাদের মর্যাদা এতো হীন ছিলো যে, তাদের সাথে পশুর মতো আচরণ করা হতো। যার পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয় নারীর অধিকার নিয়ে আন্দোলন। এরপর ক্রমে সেটা ১৯০৮ সালে জার্মানে হয়। ধারাবাহিকভাবে ১৯১০ সালের ৮ই মার্চ মহিলা আন্দোলন করে। ১৯১১ স বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ২০ শা’বান শরীফের পর)
এছাড়াও বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ (২) এ বলা হয়েছে- গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
অন্যদিকে, জবরদস্তি-শ্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে সংবিধানে। সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ‘মৌলিক অধিকার’ অধ্যায়ে বর্ণিত ৩৪ (১) এ বলা হয়েছে- সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনোভাবে লংঘিত হইলে আইনত দ-নীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।”
উপরে উল্লেখিত পত্রপত্রিকার বিবরণ, তথ্য-উপাত্ত এবং বিভিন্ন পত্রিকার সাক্ষাতকারে যৌনকর্মীদের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে স্পষ্টই প্রমাণ হয়েছে যে- কোনো যৌনকর্মী-ই বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ২৩ শা’বান শরীফের পর)
পশ্চিমা ও ভারতীয় সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার তাহযীব-তামুদ্দুন এবং বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতি আজ ধ্বংসের মুখে! গণমাধ্যম থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র ভার্চুয়াল মিডিয়া, সংগীত এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজাতীয় সংস্কৃতির আধিপত্য প্রচার করছে। ভারতীয় সিরিয়ালের ভয়াল থাবা যেন পুরো দেশকে গ্রাস করে ফেলেছে। প্রায় প্রতিটি ঘরেই বাড়ছে ভারতীয় সিরিয়াল দেখার আসক্তি। বিশেষ করে এ নেশায় জড়িয়ে পড়ছে নারীরা। আর তাদের সঙ্গে থাকা শিশুরাও অনেক ক্ষেত্রে এসব সিরিয়ালের ভক্ত হয়ে উঠছে।
স্টার জলস বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে বিবাহের কোন বয়স নির্দিষ্ট করা হয়নি। সর্বোপরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার আক্বদ মুবারক এবং নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ অনুষ্ঠিত হয় ৬ বছর বয়স মুবারকে এবং হুজরা শরীফে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন ৯ বছর বয়স মুবারকে। সেজন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে বাল্যবিবাহ অন্যতম খাছ সুন্নত মুবারক উনার অর্šÍভুক্ত। মূল বিষয় হলো, বাল্যবিবাহ করতেই হবে তা নয় কিন্তু কেউ বাল্যবিবাহ করাতে চ বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের নামায সংক্রান্ত বিষয়ে বহু সংখ্যক পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে যার মধ্যে উনাদেরকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে ঘরে নামায পড়তে বলা হয়েছে এবং মসজিদে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ حُمَيْدٍ امْرَأَةِ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّهَا جَاءَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُحِبُّ الصَّلَاةَ مَعَكَ، قَالَ: ্রقَدْ عَلِمْتُ أَنَّكِ تُحِبِّينَ الصَّلَاةَ مَعِي، وَصَلَاتُكِ فِي بَيْتِكِ خَيْرٌ لَكِ مِنْ صَلَاتِكِ فِي حُجْرَتِكِ، وَصَلَاتُكِ فِي حُجْرَتِكِ خَيْرٌ مِنْ صَلَاتِكِ فِي دَارِكِ، وَصَلَاتُكِ فِي دَارِكِ خَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّى تَسْتَأْنِسُوا وَتُسَلِّمُوا عَلَى أَهْلِهَا ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ঘর ছাড়া অন্য ঘরে প্রবেশ করোনা, যে পর্যন্ত অনুমতি না নাও এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না করো। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা স্মরণ রাখ। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৭)
উক্ত আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমভাবে সকলকেই যে কারো ঘরে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ কারো ঘরে প্রবেশ করার পূর্বে ঘরওয়ালাদের অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান মুসলিমারা যখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক তাজদীদী কাফিলায় দাখিল হচ্ছেন, উনার পবিত্র ছোহবতে তেজোদ্দীপ্ত কণ্ঠে নূরানী বয়ান মুবারক শুনে বদ আক্বীদাসম্পন্নদের আক্বীদা শুদ্ধ হচ্ছে, বেনামাযী নামাযী হচ্ছেন, বেপর্দা পর্দানশীন হচ্ছেন, বেহায়া হায়া পাচ্ছেন, বেআমল আমলদার হচ্ছেন, একজন সাধারণ শিক্ষিতা মহিলাও আলিমাতে পরিণত হচ্ছেন, এক কথায় উনার মুবারক ছোহবতে মহিলারা যখন হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালীতে পরিণত হচ্ছেন, সাথে সাথে উনার তাজদীদী কাজে শরীক হয়ে সমস্ত মুসলিমা মা-বোনদের হক্বের দাওয়াত দিচ্ছেন; আমাদ বাকি অংশ পড়ুন...












