এখনও বহাল তবিয়তে বিদ্যুৎ খাতের মাফিয়া সিন্ডিকেট !
, ২৩ শে রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৭ ছামিন, ১৩৯২ শামসী সন , ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫ খ্রি:, ১০ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) দেশের খবর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেড় দশকে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন টানা বাড়লেও তা গুটিকয়েক দেশি-বিদেশি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। আওয়ামী লীগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত এসব কোম্পানি এর বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া ভারতের নিয়ন্ত্রণেও রয়েছে উৎপাদন সক্ষমতার একটি অংশ। উচ্চ ব্যয়ের এসব কেন্দ্রের কারণে দেড় দশকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় গড়ে তিন টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১১ টাকা। এ সময় দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলো এক লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে যায়।
যদিও ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পরও এদের নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। বরং এসব কোম্পানি বহাল তবিয়তেই আছে। এমনকি এদের সঙ্গে সম্পাদিত বেশিরভাগ চুক্তি খতিয়ে দেখা হচ্ছে না। অথচ কোনো ধরনের পর্যালোচনা ছাড়াই গত মঙ্গলবার এসব কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম তথা ট্যারিফ পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছে। এতে বেসরকারি কেন্দ্রগুলো বাড়তি সুযোগ পাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণ সামিট গ্রুপের হাতে। এ গ্রুপের অধীনে বর্তমানে ১৪টি ছোট-বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। দেড় দশকে গ্রুপটি ক্যাপাসিটি চার্জ আদায় করেছে ১৪ হাজার ৮৫৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর বাইরেও কেপিসিএলের ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সামিটের কাছে, যার জন্য পৃথক ক্যাপাসিটি চার্জ পেয়েছে কোম্পানিটি।
এদিকে হাসিনার পতনের প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর বিদ্যুতের দাম (ট্যারিফ) পর্যালোচনায় কমিটি করল সরকার। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে চুক্তি পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছিল। ওই কমিটির মতামতের ভিত্তিতেই ট্যারিফ পর্যালোচনা কমিটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
চুক্তি পর্যালোচনা কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণে ট্যারিফ কাঠামোয় অনেকগুলো ব্যাপার আছে। এসব বিষয় নিয়ে দরকষাকষির বিষয় আছে। তাই তারা একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছেন। এছাড়া বিদেশি আইনি পরামর্শক নিয়োগেরও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
চতুর্থ মাসের মতো পতনের ধারায় রপ্তানি খাত
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘কর সন্ত্রাস থেকে মুক্তি চাই’
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বায়ুদূষণে দিল্লিতে বাড়ছে শ্বাসযন্ত্রের রোগ, আক্রান্ত ২ লাখ
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দিনাজপুরে তাপমাত্রা ১১, আসছে শৈত্যপ্রবাহ
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলিম যুবককে 'বাংলাদেশি' বলে মারধর, হিন্দুত্ববাদী সেøাগান বলানোর অভিযোগ
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১১৭২ জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্ত, ২৫৩ কোটি টাকা ফেরতের সুপারিশ
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সশরীরেই ট্রাইব্যুনালে আসতে হবে সেনা কর্মকর্তাদের
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শেখ হাসিনার মামলা না লড়ার ঘোষণা, পান্নাকে ট্রাইব্যুনালে তলব
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মোবাইল আমদানি ও হ্যান্ডসেট বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
‘বাবার হত্যাকারীদের শেখ হাসিনা রক্ষা করেছেন’
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মোদির বার্তা প্রসঙ্গে যা বললেন ডা. জাহেদ
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
‘প্রশাসনের বড় অংশ জামাতের দখলে’
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












