পুরান ঢাকায় সাহরির আগে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়া হতো। মহল্লায় মহল্লায় ভেসে আসত এধরণের সুরের মূর্ছনা। দিনগুলো হারিয়ে গেছে। ‘সাবকো রোযা রাখনে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে, সাবকো নামাজ পাড়নে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে।’ পুরান ঢাকায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রাতের শেষ প্রহরে হরহামেশা শোনা যেত এমন কাসিদা।
পুরান ঢাকায় এই প্রথার শুরু সেই মোগল আমল থেকে। রোযাদারদের জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়াকে সওয়াবের কাজ মনে করা হতো। ঈদের দিন মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরানা নিয়ে আসতো কাসিদার দলগুলো।
সাহরির আগে রোযাদারদের ঘুম ভাঙানোর চল রয়েছে প বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
ইসলামি জাহানের এক অভিনব জ্ঞানসমুদ্রের নাম-আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি। মূল নাম- আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ। উপনাম- আবুল ফদ্বল এবং উপাধি- জালালুদ্দীন। তিনি হিজরী দশম শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ। তিনি ছিলেন হাফিজুল হাদীছ। তিনি আরব-অনারবে শাইখুল ইসলাম বলেও সমাধিত মূল্যায়িত।
উনার বংশীয় ধারা- আবদুর রহমান ইবনু আবু বকর কামাল উদ্দিন ইবনু নাসির উদ্দিন মুহাম্মদ ইবনু আবু বকর সাবেকুদ্দিন ইবনু ফখর ইবনু উসমান ইবনু নাযিররুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনু সাইফুদ্দিন খাদ্বর ইবনু নজমুদ্দিন আবুস সালাহ আইয়ুব ইবনু বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন একজন ব্যক্তিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّاۤ اَعۡطَیۡنٰكَ الۡكَوۡثَرَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কাউছার মুবারক হাদিয়া করেছি। ” সুবহানাল্লাহ (পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১)
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কাওছার মুবারক উনার লক্ষ-কোটি ব্যাখ্যা মুবারক রয়েছেন। উনাদের মধ্যে একখানা ব্যাখ্যা মুবারক হচ্ছেন, ‘খইরে কাছীর অর্থাৎ সমস্ত প্রকার ভালাই’। অর্থাৎ খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সমস্ত প্রকার ভালাই অর্থা বাকি অংশ পড়ুন...
আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে বিরল ‘রক্ত চন্দ্রগ্রহণ’ দেখা গেছে। এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন এবং বিশেষ নামাজ আদায় করা হয়।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আল-ইখবারিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটি ২০১৮ সালের পর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হয়েছে। মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম ও পবিত্র মসজিদে নববী শরীফে মুসল্লিরা ঐতিহ্যবাহী ‘খুসুফ’ নামাজ আদায় করেন।
মিশরে হেলওয়ান সরাসরি সম্প্রচার করে এ দৃশ্য দেখায়। পাশাপাশি কায়রোর বিভিন্ন মসজিদেও নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। কাতার, আরব আমিরাত, কুয়েত বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে নেপোলিয়ান বোনাপোর্টের নাম অনেক আলোচিত। পাশ্চাত্যের কথিত ঐতিহাসিকরা সব সময় নেপোলিয়নের সামরিক দক্ষতার প্রশংসা করে থাকে। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে অজস্র বই। কিন্তু এত হাজারো বই লেখা হলেও মুসলিমবিদ্বেষী ঐতিহাসিক নামধারী কলম সন্ত্রাসীরা সব সময় নেপোলিয়ানের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের তথ্যটি গোপন করে থাকে। তারা বিশ্বকে জানতে দিতে চায় না যে, নেপোলিয়ান মুসলমান হয়েছিলো।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৯৮ সালে মিশরের কায়রোর জামে আজহার মসজিদে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে জোরালো মত রয়েছে। দ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের সামরিক ইতিহাসে নেপোলিয়ান বোনাপোর্টের নাম অনেক আলোচিত। পাশ্চাত্যের কথিত ঐতিহাসিকরা সব সময় নেপোলিয়নের সামরিক দক্ষতার প্রশংসা করে থাকে। তাকে নিয়ে লেখা হয়েছে অজস্র বই। কিন্তু এত হাজারো বই লেখা হলেও মুসলিমবিদ্বেষী ঐতিহাসিক নামধারী কলম সন্ত্রাসীরা সব সময় নেপোলিয়ানের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের তথ্যটি গোপন করে থাকে। তারা বিশ্বকে জানতে দিতে চায় না যে, নেপোলিয়ান মুসলমান হয়েছিলো।
ঐতিহাসিক তথ্যমতে, নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৯৮ সালে মিশরের কায়রোর জামে আজহার মসজিদে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে জোরালো মত রয়েছে। দ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কা’বা শরীফ উনার গিলাফ মুবারকে ঝুলে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না:
ইবনে খ্বাতাল নামক এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি করতো। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন এ কারণেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে হত্যা করার নির্দেশ মুবারক দেন। এ বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَامَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ فَلَمَّا نَزَع বাকি অংশ পড়ুন...
বিকশিত রীতির উদাহরণ লক্ষ্য করা যায় মিশরের বিভিন্ন কাঠখোদাই শিল্পে। বিশেষ করে কায়রোর পরিসীমায় অবস্থিত ফুসতাত ও আইন উস সিরার কাঠখোদাই অলঙ্করণে। আল-আকসা মসজিদে সংযুক্ত দরজা-জানালার কাঠখোদাই অলঙ্করণে হেলেনীয় খোদাই রীতির প্রভাব অতি স্পষ্ট।
জেরুজালেমে অবস্থিত কুব্বাতুস সাখরা এবং দামেশকে অবস্থিত জামি মসজিদের কাঠ অলঙ্করণরীতি হতে কিছুটা ভিন্নতর সিরীয় একাস্থাসতরু ও দ্রাক্ষালতার পেঁচানো সংমিশ্রিত কাঠখোদাই পদ্ধতি আল-আকসার কাঠ অলঙ্করণ প্রক্রিয়ায় লক্ষ্য করা যায়। মাশাত্তা প্রাসাদের ফ্যাসাদ বা সম্মুখভাগের কাঠখোদাই অলঙ্করণে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মানবিক সংস্থা ‘ইউথ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ এর সহায়তায় বাংলাদেশের মানবিক সংস্থা ‘মাই ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ ফিলিস্তিনের যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজায় ১০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ করেছে রান্না করা ইফতার ও পানীয়।
ফিলিস্তিনিদের সহায়তা দিতে গঠিত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মানবিক সংস্থা ‘ইউথ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ এর চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম সাকিব জানান, আমরা ফিলিস্তিনের যুদ্ধ বিধ্বস্ত অসহায় গাজাবাসীদের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে গাজার একটি মানবি বাকি অংশ পড়ুন...
কাবুঙ্গা নামে পরিচিত মিসরীয় ক্রীড়াবিদ আশরাফ মাহরুস রোজা রেখে ২৭৯ টনের ট্রেন টেনে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। কায়রোর প্রধান রেলওয়ে স্টেশন, রামসেস স্টেশনে শত শত দর্শক এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কমিটির উপস্থিতিতে কাবুঙ্গা একটি ইঞ্জিন এবং বেশ কয়েকটি বগি সমন্বিত ১০ মিটার (৩৩ ফুট) লম্বা একটি ট্রেন টেনে নিয়ে যান।
কাবুঙ্গার এই প্রথমবারের মতো এমন কিছু হয়নি, তিনি এর আগে ২২১ টনের ট্রেন টেনে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন এবং এবার তিনি নিজের রেকর্ডটিই ভেঙেছেন।
তুর্কি সংবাদ সংস্থার সাথে কথা বলতে গিয়ে কাবুঙ্গা বলেন, প্রথম দিনে থাকা অবস্থায় তিনি মা বাকি অংশ পড়ুন...












