মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৭)
ফক্বীহুল মাগরিব, শাইখুল মালিকিয়্যাহ্ হযরত ইমাম আবূ ‘আব্দিল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আব্দিস সালাম ইবনে সাহনূন ইবনে সা‘ঈদ আত তানূখী আল ক্বইরাওয়ানী মালিকী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২০২ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২৬৫ হিজরী শরীফ)। তিনি সকলের মাঝে হযরত ইমাম ইবনে সাহ্নূন রহমতুল্লাহি আলাইহি হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন,
اَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ اَنَّ شَاتِـمَ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْمُتَنَقِّصَ لَهٗ كَافِرٌ وَالْوَعِيْدُ جَارٍ عَلَيْهِ بِعَذَابِ اللهِ لَهٗ وَحُكْمُهٗ عِنْدَ الْاُمَّةِ الْقَتْلُ وَمَنْ شَكَّ فِـىْ كُفْرِهٖ وَعَذ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৪)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৭৬ হিজরী শরীফ এবং বিছাল শরীফ ৫৪৪ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার মধ্যে বলেন-
قَالَ حَضْرَتْ اَبُوْ بَكْرِ بْنُ الْمُنْذِرِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَجْمَعَ عَوَامُّ اَهْلِ الْعِلْمِ عَلـٰى اَنَّ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْتَلُ وَمِـمَّنْ قَالَ ذٰلِكَ حَضْرَتْ مَالِكُ بْنُ اَنَسٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَللَّيْثُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَحْمَدُ رَحْمَةُ الله বাকি অংশ পড়ুন...
৪০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ نُوْرُ الْفَخْرِ مُبَارَكٌ নূরুল ফখ্র মুবারক
৪১ স্পর্শকৃত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ধুলা-বালি মুবারক نُوْرُ الشَّرَافَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শরাফাত মুবারক
৪২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক نُوْرُ الشِّفَاءِ مُبَارَكٌ নূরুশ শিফা’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৩)
আল ইমামুল কাবীর, মুজতাহিদে মত্বলক্ব, হাফিয, শাইখুল ইসলাম হযরত আবূ বকর মুহম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে মুনযির নীশাপূরী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২৪২ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৩১৯ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন-
اَجْمَعَ عَوَامُّ اَهْلِ الْعِلْمِ عَلـٰى اَنَّ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْتَلُ وَمِـمَّنْ قَال ذٰلِكَ حَضْرَتْ مَالِكُ بْنُ اَنَسٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَللَّيْثُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اَحْمَدُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اِسْحَاقُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَهُوَ مَذْهَبُ الشَّافِعِـىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার আমল মুবারক-ই সর্বশ্রেষ্ঠ আমল মুবারক। তাই সর্বক্ষেত্রে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ.
অর্থ: “(আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত মুবারক করে থাকো, তাহলে তোমরা আমাকে অনুসরণ মুবারক করো, যাতে মহান আল্লাহ পাক তিনিও তোমাদেরকে মুহব্বত করেন এবং তোমাদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(২)
আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন-
وَكَذٰلِكَ مَنْ لَّعَنَهٗ اَوْ دَعَا عَلَيْهِ اَوْ تَـمَنّٰى مَضَرَّةً لَّهٗ اَوْ نَسَبَ اِلَيْهِ مَا لَا يَلِيْقُ بـِمَنْصِبِهٖ عَلـٰى طَرِيْقِ الذَّمِّ اَوْ عَبَثَ فِىْ جِهَتِهِ الْعَزِيْزَةِ بِسُخْفٍ مِّنَ الْكَلَامِ وَهَجْرٍ وَّمُنْكَرٍ مِّنَ الْقَوْلِ وَزُوْرٍ اَوْ عَيَّرَهٗ بِشَىْءٍ مِّـمَّا جَرٰى مِنَ الْبَلَاءِ وَالْمِحْنَةِ عَلَيْهِ اَوْ غَمَصَهٗ بِبَعْضِ الْعَوَارِضِ الْبَشَرِيَّةِ الْـجَائِزَةِ وَالْمَعْهُوْدَةِ لَدَيْهِ وَهٰذَا كُلُّهٗ اِجْمَاعٌ مِّنَ الْعُلَمَاءِ وَاَئِمَّةِ الْفَتْوٰى مِنْ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(১)
আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার ২য় খ-ের ২১৪ পৃষ্ঠায় বলেন-
اِعْلَمْ وَفَّقَنَا اللهُ وَاِيَّاكَ اَنَّ جَمِيْعَ مَنْ سَبَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوْ عَابَهٗ اَوْ اَلْـحَقَ بِهٖ نَقْصًا فِـىْ نَفْسِهٖ اَوْ نَسَبِهٖ اَوْ دِيْنِهٖ اَوْ خَصْلَةٍ مِّنْ خِصَالِهٖ اَوْ عَرَّضَ بِهٖ اَوْ شَبَّهَهٗ بِشَىْءٍ عَلـٰى طَرِيْقِ السَّبِّ لَهٗ اَوِ الْاِزْرَاءِ عَلَيْهِ اَوِ التَّصْغِيْرِ لِشَأْنِهٖ اَوِ الْغَضِّ مِنْه বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
(১)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَبَّ نَبِيًّا فَاقْتُلُوْهُ وَمَنْ سَبَّ اَصْحَابِـىْ فَاضْرِبُوْهُ
অর্থ: “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে গাল-মন্দ করবে, উনার মানহানি করব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ الَّذِيْنَ يُحَآدُّوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ اُولـٰـٓئِكَ فِى الْاَذَلِّيْنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের বিরোধিতা করবে, তারা লাঞ্ছিতদের অন্তর্ভুক্ত।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুজাদালাহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২০)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ‘তাফসীরে মুক্বাতিল’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন,
قَوْلُهٗ اِنَّ الَّذِيْنَ يُحَآدُّوْ বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরনী ওয়াক্বিয়া মুবারক
‘দারিমী, শারহুয যারক্বানী, তারীখুল খমীস, বাহ্জাতুল মাহাফিল, আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ, শিফা শরীফসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وَفِي حَدِيث حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قال النبىّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ شِئْتَ أَرُدُّكَ إِلَى الْحَائِطِ الَّذِي كُنْتَ فِيهِ تَنْبُتُ لَكَ عُرُوقُكَ وَيَكْمُلُ خلقك وَيُجَدَّدُ لَكَ خُوصٌ وَثَمَرَةٌ وَإِنْ شِئْتَ أَغْرِسكَ فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ أَوْلِيَاءُ اللَّه من ثَمَرِكَ ثُمَّ أَصْغَى لَهُ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَمِعُ مَا يَقُولُ فَقَالَ بَلْ تَغْرِسُنِي فِي الجَنَّةِ فَيَأْكُلُ مِنّي أَوْلِيَاءُ اللَّه وَأ বাকি অংশ পড়ুন...
উস্তুনে হান্নানা উনার ঈমান জাগরণী ওয়াক্বিয়া মুবারক
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَوْ لَمْ أَحْتَضِنْهُ لَحَنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
অর্থ: “যদি আমি দয়া করে সেই শুকনো খেজুর গাছের খুঁটি মুবারকখানা উনাকে জড়িয়ে সান্ত¡না না দিতাম, তাহলে তা কিয়ামত পর্যন্ত কান্না করতে থাকতেন।” সুবহানাল্লাহ! (ইবনে মাজাহ্ শরীফ, মুসনাদে আহমাদ, মুছান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ্, মুসনাদে আবী ইয়ালা, মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ ইত্যাদি)
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
أَنَّ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعَاهُ إلى نفسه فجاءه বাকি অংশ পড়ুন...












