এরপর বলা হচ্ছে, তৃতীয় পবিত্র আয়াত শরীফ-
وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهٖ حَدِيثًا
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে প্রবেশ করে উনাকে কিছু বললেন, আলোচনা মুবারক করলেন।
فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهٖ
উনাকে বললেন ঠিক আছে, তাহলে যদি ঘ্রাণই হয়, যদি রুচির খিলাফ হয়েই যায় তাহলেতো এটা খাওয়া যাবে না। এটা তিনি বলে দিলেন উনাকে। এরপর আবার সেই হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম তিনি অন্যজনের সাথেও আলোচনা করলেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ঊলা বা প্রথমা, কুবরা বা মূল, বড়, মহান, শ্রেষ্ঠা।” সুবহানাল্লাহ!
আহ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جُبَـيْرِ بْنِ نُـفَيْرٍ رحمة الله عليه قَالَ دَخَلْتُ عَلَى حَضْرَتْ أُمّ الْمُؤْمِنِين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَام فَسَأَلْتُـهَا عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَـقَالَتِ الْقُرْآنُ
অর্থ: “হযরত জুবাইর ইবনে নুফাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার নিকট গেলাম এবং উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আখ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস সমস্ত প্রকার রহমত, বরকত, মাগফিরাত হাছিল করার মাস। এই পবিত্র মাসে আমরা রোযা রেখে থাকি। রোযা রাখার হুকুম পূর্ববর্তী সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের উম্মতদের উপর ফরয ছিল। কিন্তু উনাদের সাথে আমাদের রোযার কিছু পার্থক্য রয়েছে।
যেমন আমাদের রোযা আর আহলে কিতাবদের রোযার পার্থক্য হচ্ছে সাহরী গ্রহণ করা। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে সাহরী খাওয়া ছেড়ে দেয়া যাবে না।
সাহরী খাওয়া প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَل বাকি অংশ পড়ুন...
কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম ইবাদত:
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْـرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে জানিয়ে দিন, তারা যে সম্মানিত ফযল মুবারক এবং সম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করতে পেরেছে, সেজন্য তারা যেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ অর্থাৎ খুশি মুবারক প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লখতে জিগার মুবারক, মহাসম্মানিত বানাত (মেয়ে) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ‘ছানিয়াহ তথা দ্বিতীয়া।’ সুবহানাল্লাহ! আ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত মুবারক ও নছীহত মুব বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহিলাদেরকে ইলিম-তালীম শিক্ষা করা ও শিক্ষা দেয়ার জন্য বহু মহাপবিত্র হাদীছ শরীফে তাকীদ দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমানের উপর ইলিম অর্জন করা ফরজ”।
এই পবিত্র হাদীছ শরীফে মুসলমান বলতে মহিলা ও পুরুষ উভয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শরয়ী এবং পার্থিব উভয় প্রকার ইলিম অর্জনের জন্য পুরুষের পাশাপাশি মহিলাদের প্রতিও মুবারক নির্দেশ রয়েছে। পুরুষদের জন্য ইলিম-তালীমকে যেরূপ জরুরি করা হয়েছে, মহিলাদের জন্যও তেমনি আবশ্যক করা হয়েছে। পু বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতান নিসায়ি আলাল আলামীন, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতাল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৯শে শা‘বান শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার) বা’দ ফজর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা হচ্ছেন- আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিতা নাওয় বাকি অংশ পড়ুন...












