১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম এক নিদর্শন যশোরের শেখপুর জামে মসজিদ। নয়নাভিরাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ জামে মসজিদটি আজও ছড়াচ্ছে শিক্ষার আলো।
মসজিদটির পাঠশালায় ৪০০ বছর ধরে স্থানীয়রা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা এবং কুরআন শরীফ শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এই পাঠশালায়।
এ মসজিদকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। শত শত বছর ধরে ইসলামের প্রচার প্রসারের কেন্দ্রবিন্দু মসজিদটি। এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে মসজিদটির সংস্কার প্রয়োজন।
মোঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত শেখপুর জামে মসজিদটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম সমৃদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ছিলেন পবিত্র মসজিদে নববী শরীফকেন্দ্রিক ‘আস সুফফা’। যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশনা মুবারকেই তৈরি করা হয়েছিলো। এই শিক্ষাকেন্দ্র উনাকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিলো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা।
হিজরী চতুর্থ শতাব্দী পর্যন্ত শিক্ষার কার্যক্রম সম্মানিত মসজিদ উনাকে কেন্দ্র করেই সম্পাদিত হয়ে আসছিলো। সে যুগে এমন কোনো মসজিদ পাওয়া কঠিন ছিলো, যাকে কেন্দ্র করে কোনো মাদরাসা বা মক্তব গড়ে উঠেনি।
পরবর্তীতে মসজিদ উনার পাশাপাশি স্বতন্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
মিমার সিনান পাশার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন:
সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ ঐতিহাসিক কনস্ট্যান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ‘ইসলামবুল’ (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শহর)। যদিও এখন ইস্তাম্বুল নামেই শহরটি পরিচিত। তারপরে উসমানীয়রা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করে এই প্রাচীন শহরটির আকাশমন্ডলীকে নতুনভাবে সজ্জিত করার পরিকল্পনা করে। আর এর পুরোভাগে ছিলেন মিমার সিনান।
মিমার সিনান পাশার বর্ণিল স্থাপত্য জীবনকে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা, শিক্ষানবিশ কাল, যোগ্যতার স্তর এবং মাস্টারস্টেজ।
শিক্ষানবিশ কাল: বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাচীন স্থাপনার দেয়ালে খোদাই করা শিলালিপি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মাধ্যম। একদিকে এতে রয়েছে ইতিহাসের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় তথ্য, অন্যদিকে শিল্পমান বিবেচনায় এগুলো অমূল্য। বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শিলালিপিগুলো এ অঞ্চলে ইসলামের আগমন ও বিস্তারের ইতিহাস বুঝতে দারুণভাবে সাহায্য করে। এই ইতিহাসের পথ ধরেই বাঙালি মুসলমানরা একসময় ইসলামি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষাভিত্তিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছিলো।
শিলালিপিবিদ্যার সঙ্গে বাংলার সংযোগ বেশ পুরোনো। পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে মক্কার একটি মাদ্রাসায় কর্মরত বাঙালি শিক্ষাবি বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপের বুকে সম্মানিত ইসলামের পদচিহ্নের কথা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে স্পেনের আন্দালুস কিংবা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বলকান বিজয়ের ছবি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রায়ই অনালোচিত থেকে যায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ইতালির দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত সিসিলি দ্বীপের কথা।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিলো, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিলো।
সিসিলি বিজয়ের সূচনা:
সিসিলি বিজয়ের ইতিহাস শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার আঘলাবি রাজবংশের হাত ধরে। আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশিদের সময় ইব্র বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মার্কিন বিশেষ দূত হিসেবে কর্মরত কুশনার একটি ‘নিউ গাজা’ বা নতুন গাজার পরিকল্পনা উন্মোচন করেছে। যেখানে থাকবে ঝকঝকে আকাশচুম্বী ভবন, উপকূলীয় পর্যটন কেন্দ্র এবং ব্যবসার জন্য নির্ধারিত বিশাল সব এলাকা। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কুশনার বিশ্বনেতাদের বলে, গাজা চলবে ‘মুক্ত বাজার অর্থনীতি’র নীতিতে, যা হবে ট্রাম্পের আমেরিকার মতোই।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পরিকল্পনা যুদ্ধ এবং গণহত্যার ওপর ভিত্তি করে মুনাফা লোটার এক বড় উদাহরণ। ব্রিটিশ-ইসরায়েলি বিশ্লেষক ড্যানিয়েল লেভি বলে, ‘মানুষ এই গণহত্যা থেকে টা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আঠারো’শ শতকের মুসলিম স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। প্রায় দুই শতাধিক বছর আগের পুরানো ঐতিহাসিক মসজিদটি স্থানীয়ভাবে মিয়ার মসজিদ হিসেবে পরিচিত। মূল নাম খান বাহাদুর কাজী সালামতউল্লাহ জামে মসজিদ হলেও বর্তমানে এটি তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত।
দীর্ঘদিন অযতœ আর অবহেলায় থাকার পর ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধীনে সম্প্রতি কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। তবে, দ্রুত সম্পূর্ণ সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তা না হলে ইতিহাস আর ঐতিহ্যের বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
এর মধ্যে রয়েছে সোকোল্লু মুহম্মদ পাশা, একজন অটোমান উজির বা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সুলতান সুলেমান এবং সুলতান দ্বিতীয় সেলিম এর অধীনে কাজ করেছিলেন। এছাড়াও এখানে দাফন করা হয়েছে সিয়াভুস পাসা, ১৬ শতকের আরেক উজির এবং লালা মুস্তাফা পাশা যিনি ১৬ শতকে উসমানীয় সালতানাতের জন্য সাইপ্রাস বিজয় করেছিলেন। তাদের কবরগুলো মসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত রয়েছে, যেমন আদিল সুলতান এবং তার পরিবারের অন্যান্যরাও মসজিদের পাশেই শায়িত রয়েছেন। যেখানে সুলতানদের কবর অবস্থিত সে কবরস্থানটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের পিছনে গোল্ডেন হর্ণে শহরের বাকি অংশ পড়ুন...












