মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ نَفۡسٖ ذَآئِقَةُ ٱلۡمَوۡتِۖ ثُمَّ إِلَيۡنَا تُرۡجَعُونَ
অর্থ : “প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর আমার কাছে ফিরে আসবে। (পবিত্র সূরা আনকাবুত: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৭)
আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে, এই প্রত্যাবর্তন সকলের জন্য সমান নয়। হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু। উনাদের বিদায় বা বিছাল শরীফ বিশ্ববাসীর জন্য ইবরত-নছীহতপূর্ণ। যা বিশ্ববাসীর জন্য হিদায়েতের কারণ। গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আওলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র জীবন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা লাহাব শরীফ নাযিল হওয়ার কারণ স্বরূপ বলা হয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি প্রথমে নাযিল করলেন,
انذر عشيرتك الاقربين.
অর্থ : “আপনি আপনার গোত্রের লোকদেরকে ভয় প্রদর্শন করেন।”
এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার নাযিল হওয়ার পর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাফা পাহাড়ে গিয়ে সমস্ত লোকদের ডেকে বললেন, “তোমাদের সাথে জরুরী কথা আছে।” যখন স বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ كُنْتُ شَفِيْعًا لَّه يَّوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا فِـىْ مَوْلِدِىْ فَكَاَنَّـمَا اَنْفَقَ جَبَلًا مِّنْ ذَهَبٍ فِـىْ سَبِيْلِ اللهِ تَعَالـٰى
অর্থ: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদত শরীফ (ঈদে মীলাদে হাবীবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে তাযীম-তাকরীম, ইজ্জত ও সম্মান করবেন, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার আওলাদ হযরত সালামাহ আলাইহিস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ সম্পন্ন করেন হযরত হামযাহ আলাইহিস সালাম উনার বানাত (মেয়ে) উনার সাথে। সে সময় উনারা দু’জনই ছিলেন অল্প বয়স মুবারকের অধিকারী।” (আহকামুল কুরআন লিল জাসসাস ২য় খ- ৩৪৪ পৃষ্ঠা)
শুধু তাই নয়, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার ফযীলত সীমাহীন। কিন্তু কে না চায় এই সীমাহীন ফযীলত উনার পরিপূর্ণ ফায়দা হাছিল করতে? কে না চায় ফযীলত অর্জন করতে? কে চায় না যে সমস্ত নিয়ামত হাছিল হোক? সবাই চায়। সবাই ভালো জিনিস ও নিয়ামতরাজি চায়। কিন্তু কিভাবে সম্ভব?
এখন প্রশ্ন হলো ভালো খাওয়া ও ভালো পরার মধ্যে কোনটি উত্তম?
এককথায় বলতে গেলে উত্তর হলো, সর্বশ্রেষ্ঠ খাবার সুন্নতী খাবার, সর্বোত্তম পোশাক সুন্নতী পোশাক। সুবহানাল্লাহ!
যিনি শাহিদুন নবী, হাযির নাযীর, মুত্তালা’ আলাল গইব, মুবাশশির, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আখাচ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে দু খানা পবিত্র আয়াত শরীফ যিনি খলিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দা-বান্দি উম্মত, জ্বিন ইনসানের জন্য বিশেষভাবে নাযিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ! যে দু-খানা আয়াত শরীফ সমস্ত জ্বিন-ইনসানের মুখস্থ রাখা উচিত, আয়ত্ত্বে রাখা উচিত, বুঝা উচিত সেই অনুযায়ী ফিকির করে নিজেদের আমলগুলি শুদ্ধ করা উচিত। তারমধ্যে প্রথম পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত মাখলুকাতের মধ্যে ইনসান হচ্ছে আশরাফুল মাখলুকাত, তথা শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। আর তা এক মাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইনসানের মাঝে মুবারক তাশরীফ আনার কারণে। সুবহানাল্লাহ!
আর সমস্ত উম্মতের মধ্যে মুসলমানরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত। এবং তা সম্ভব হয়েছে একমাত্র নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হওয়ার কারণে। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু মুসলমানরা কখনো ভেবে দেখেছেন কি কি জন্য এত সম্মান ইজ্জত পেয়েছেন? যা অন্য কোন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনার উম্মতগণ পাননি বাকি অংশ পড়ুন...
আর যদি এরকমই হয়ে থাকে তাহলে উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক, পবিত্র ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু? উনাদের বুযূর্গী- সম্মান মুবারক কতটুকু? উনাদের সাথে যারা বেয়াদবী করে তাহলে তারা কোথায় যাবে? জাহান্নাম ছাড়া তাদের কোন রাস্তা নেই। জাহান্নাম বললে কম হবে। এমন জাহান্নাম যেই জাহান্নামের আগুন মানুষ, জ্বীন-ইনসান কল্পনাই করতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! উনাদের পবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক, পবিত্র বৈশিষ্ট মুবারক তাহলে কতটুকু? উনাদের সম্মানিত ফযীলত মুবারক তাহলে কতটুকু সেটা ফিকির করতে হবে। ফিকির না করলে বুঝা যাবে না। এজন্য বলা হয়েছে উনারাতো সর্বদিক দ বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাযারা বা বাহাছ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে যে ইলিম, আক্বল, সমঝ ও হিকমত মুবারক হাদিয়া করেছেন তা বেমেছাল, তুলনাহীন। উনার মিছাল উনি নিজেই। সুবহানাল্লাহ!
ইমামুল খামিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, ইমামুল মুত্তাক্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম বাকির আলাইহিস সালাম তিনি উনার ইলিম, আক্বল, সমঝ ও হিকমতের পরিচয় পেয়ে অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন। উনার কপাল মুবারকে বুছা দিয়ে বলেছিলেন: “আপনার ইলিম, আক্বল, সমঝ ও হিকমত মুবারকই আপনাকে শত্রু বানিয়েছে।” অর্থ বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণ-রৌপ্য ও নগদ টাকার সম্মানিত যাকাত
সাধারণভাবে স্বর্ণ, রৌপ্য ও টাকা-পয়সা ইত্যাদি নিছাব পরিমাণ এক বছর কারো মালিকানাধীনে থাকলে, তার উপর যাকাত ফরয হয়।
স্বর্ণের সম্মানিত যাকাত : এ প্রসঙ্গে ফিকাহর কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে-
لَيْسَ فِىْ مَا دُوْنَ عِشْرِيْنَ مِثْقَالًا مِّنَ الذَّهَبِ صَدَقَةٌ فَاِذَا كَانَتْ عِشْرِيْنَ مِثْقَالًا وَ حَالَ عَلَيْهَا الْـحَوْلُ فَفِيْهَا نِصْفُ مِثْقَالٍ.
অর্থ : “২০ মিছকাল অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা কম পরিমাণ স্বর্ণের সম্মানিত যাকাত ওয়াজিব হয় না। অতএব, কারো কাছে যদি ২০ মিছকাল অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ এক বছর অধীনে থাকে তাহলে অর্ধ মিছকাল অর্থাৎ ৪০ ভাগের ১ বাকি অংশ পড়ুন...












