পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নির্দেশে শাদী মুবারক সুসম্পন্ন:
দাড়গরের শাসক, সূফী সাধকগণের প্রভাব-প্রতিপত্তি মেনে নিতে পারেনি। তাই সে মাঝে মধ্যে মুসলমানগণের উপর চোরা গুপ্তা হত্যা চালায়। মুসলমানগণের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্ষতি সাধন করে। দাড়গরের পাশে ছিলো মুসলমানগণের সেনা ছাউনী। সেই সেনা ছাউনীর প্রধান ছিলেন মালিক খত্তাব হাকিম রহমতুল্লাহি আলাইহি। সঙ্গত কারণেই উনার নেতৃত্বে দাড়গড়ের শাসকের বিরুদ্ধে একটি জিহাদ পরিচালিত হয়। সেই যুদ্ধে দাড়গড়ের শাসক পরাজিত হয়ে পালিয়ে যায়। অনেক ধ বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর ত বাকি অংশ পড়ুন...
(৭) দেওবন্দের বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথি হিন্দু যোগী ঠাকুর:
দারুল উলুম দেওবন্দের ২৯ তম বার্ষিক সভার প্রধান অতিথি হয় মুসলিম বিদ্বেষী রবি শঙ্কর, (http://goo.gl/UHwtvS)
৩০ তম সভার প্রধান অতিধি হয় ঠাকুর রামদেব। (goo.gl/qWbm5e)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে আছে ‘মুশরিকরা নাপাক’। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা কুরআন শরীফের দোহাই দিয়ে চলে তারাই হিন্দুদের প্রধান অতিথি বানায়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে।
মনে রাখবেন, প্রত্যেকে সমগোত্রীয়দের সাথে চলে, কুকুর চলে কুকুরের সাথে, ছাগল চলে ছাগলের সাথে। কুকুরকে কখনো ছাগলের সাথে আর ছাগলকে কখনো কুকুরের সাথে ঘুরতে দেখবেন না। তেমন বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রগের বর্ণনা:
বলা হয়ে থাকে, রগে টান পড়া, রগ কেটে দেয়া, রগ ফুলে যাওয়া, রগ ছিড়ে যাওয়া, রগ টনটন করা, রগ দপদপ করা। এক্ষেত্রে সব রগ এক নয়। কোনটি শিরা (াবরহ), কোনটা ধমনী (ধৎবঃবৎু), কোনটা বা টেনডন (ঞবহফড়হ) কিন্তু আমরা সবগুলোকেই রগ বলছি। এভাবে রগ ১০ প্রকার।
১. ধমনী (অৎবঃবৎু) : এটা এক প্রকার রক্তনালী যা সাধারণতঃ পরিশোধিত রক্ত বহন করে।
২. শিরা (ঠবরহ) : দূষিত রক্ত বহনকারী রক্তনালী।
৩. লসিকা নালী (খুসঢ়য ঠবংংবষ)ঃ লসিকা (খুসঢ়য) বহনকারী নালী, লসিকা মানবদেহের জন্য রক্তের মতই একটি অতীব প্রয়োজনীয় দুধের মত সাদা পানীয় পদার্থ। লসিকা ন বাকি অংশ পড়ুন...
রিয়াজত-মাশাক্কাত:
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি, রেযামন্দি, তায়াল্লুক, নিছবত মুবারক হাছিলের ক্ষেত্রে রিয়াজত-মাশাক্কাতের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা হচ্ছে, কোন কাজ করার নিয়ত এবং সেই অনুযায়ী কোশেশ (চেষ্টা) করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে কাজটি সুসম্পন্ন করার তৌফিক দেন, মদদ করেন। ফলে কাজটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য সহজ ও শান্তিদায়ক হয়। মহান আল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اَللهَ فِـىْ اَصْحَابِـىْ لَاتَتَّخِذُوْهُمْ غَرَضًا مِّنْ بَعْدِىْ فَمَنْ اَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّـىْ اَحَبَّهُمْ وَمَنْ اَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِىْ اَبْغَضَهُمْ وَمَنْ اٰذَاهُمْ فَقَدْ اٰذَانِـىْ وَمَنْ اٰذَانِـىْ فَقَدْ اٰذَى اللهَ وَمَنْ اٰذَى اللهَ فَيُوْشِكُ اَنْ يَّأْخُذَهٗ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের লক্ষ্যস্থল করো না। যে ব্যক্তি উনাদেরকে মুহব্বত করলো, সে আমা বাকি অংশ পড়ুন...
মগজ (Brain):
আমাদের মগজের উপর আছে তিনটি পর্দা-
১। ডুরা মেটার (Dura Mater)
২। এ্যরাকনয়েড (Arachnoid)
৩। পায়া মেটার (Pia Mater)
ডুরা মেটারের গঠন একটু পুরু এবং পায়া মেটার অত্যন্ত সুক্ষè একটি পর্দা, যা কিনা মগজ (brain) কে ঢেকে আছে। আর এ দুয়ের মাঝামাঝি হলো এ্যারাকনয়েড। রক্ত নালী (blood vessel)-এ তিনটি পর্দা (meninges) পার হয়ে মগজে পৌঁছেছে এবং জালিকার মত মগজের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে আছে।
বিভিন্ন রক্তনালীর মাধ্যমে মগজে খাদ্য এবং অক্সিজেন পৌঁছায়। শরীরে মোট রক্ত সরবরাহের ১৫-২০% মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
হৃদপিন্ড the carotid arteries and the vertebral arteries এর মাধ্যমে মগজে রক্ত পৌঁছায়। carotid arteries গলার সম্মুখে অবস্থিত। বাকি অংশ পড়ুন...












