(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
হযরত উওয়াইস আল-ক্বারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাক্ষাত ও আলোচনা সীরতের কিতাবসমূহে একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত শায়েখ ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত তাযকিরাতুল আওলিয়া কিতাবে এই ঘটনার বর্ণনা এভাবে দেয়া হয়েছে-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের অনেক পরে বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতার নাম ছিল হযরত শামউন আলাইহিস সালাম। যিনি ছিলেন মিশরের সম্ভ্রান্ত ক্বিবতি বংশীয় এবং আহলে কিতাবের অনুসারী। উনার সম্মানিতা মাতা রোমান আহলে কিতাব সম্প্রদায়ভূক্ত। তিনি নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নুরুর রবি’ (হযরত ইবরাহিম) আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা মাতা। মিসরের শাসনকর্তা মুকাউকিস উনাকে নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যখন সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ভ্রমন করানো হলো তখন উনার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাহান্নামের দরজার নিকট এসে জাহান্নামের দ্বার রক্ষী ফেরেশতা হযরত মালিক আলাইহিস সালাম উনার নিকট বললেন, হে হযরত মালিক আলাইহিস সালাম! আপনি জাহান্নামের সর্বোচ্চ স্তরটি খুলে দিন, আমি উক্ত জাহান্নাম ও তার মাঝে যে পুরুষ ও মহিলা রয়েছে তা প্রত্যক্ষ করি। হযরত মালিক ফেরেশতা আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক পরিচালনাকালে তিনি হযরত যায়ীদ বিন আমের আল জুমাহী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হিমসের গভর্নর করে পাঠালেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কিছুদিন পর হিমসের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য হিমসে গেলেন।
হিমসের জনগণ সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট অভিযোগ দিলেন- হযরত যায়ীদ বিন আমের আল জুমাহী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি মাঝে মাঝে বেহুঁশ হয়ে যান। তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত যায়ীদ ব বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা জানি, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে কোনো নেক আমল করলে সত্তরগুন বেশি ফযীলত পাওয়া যায়। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান মাস আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উসীলায় পেলাম। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে সম্মানিত মাসে অর্থাৎ পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে দুনিয়াতে মুবারক তাশরীফ এনেছেন, সে সম্মানিত মাসে কোনো নেক আমল করলে কতবেশি ফযীলত হবে, তা চিন্তা এবং ফিকিরের বিষয়। নিশ্চয়ই তা বেমেছাল ফযীলত হবে। সুবহানাল্লাহ!
আমরা অনেকেই একটা ঘটনা জা বাকি অংশ পড়ুন...
সেটা কি?
مَنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللَّهُ دِينهُ وَدُنْيَاهُ،
যারা এই তিনটা পবিত্র হুরমত মুবারক, পবিত্র সম্মান মুবারক রক্ষা করবে। অর্থাৎ পবিত্র তা’যীম-তাকরীম করবে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার দ্বীন-দুনিয়া, ইহকাল-পরকাল সবকিছুই তিনি কুদরতময় ভাবে হিফাযত মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
مَنْ لَمْ يَحْفَظْهُنَّ لَمْ يَحْفَظِ اللَّهُ دِيْنَه وَاَخِرَتَه
আর যে হিফাযত করবে না তার দ্বীন-দুনিয়া, ইহকাল-পরকাল কোনটাই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হিফাযত মুবারক করবেন না। নাউযুবিল্লাহ! বাকি অংশ পড়ুন...
লম্বা, উঁচু ও পাঁচ কল্লি টুপির ব্যাপারে সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
অপরদিকে কোনা ফাড়া পাঞ্জাবী ও লম্বা বা কিস্তি টুপি দেওবন্দী লোকদের মধ্যে বিস্তার লাভ করার কারণ দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা কাসেম নানুতুবী মজ্জুব হালের লোক ছিলো। এজন্য সে লম্বা টুপি ও কোনা ফাড়া পাঞ্জাবী পরিধান করতো। তখন থেকেই দেওবন্দ মাদ্রাসার ছাত্ররা তাকে অনুসরণ করে, লম্বা টুপি ও কোনা ফাড়া পাঞ্জাবী পরিধান করতে থাকে।
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ বাদ দিয়ে এ ব্যাপারে মাওলানা কাসেম নানুতুবীকে অনুসরণ করা আদৌ শুদ্ধ ন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
৬. ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির কুফরী কাজের প্রতিবাদ এবং তার বায়াত ভঙ্গ:
পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এবং হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির এই সকল কুফরী ও হারাম-নাজায়িয কাজের প্রতিবাদ করেন এবং তার বায়াত ভঙ্গ করেন। আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “৬২ হিজরীতে ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি তার চাচাতো ভাই উছমানকে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার শাসক পদে নিয়োগ করে। উছমান ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির নি বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আযম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ভাবগাম্ভির্যের সাথে মিম্বরের উপর বসলেন। বললেন, বলুন! আপনার সেই প্রশ্নাবলী কি কি?
পাদ্রী বললো, প্রথম প্রশ্ন, মহান আল্লাহ পাক উনার পূর্বে কি ছিল?
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, গণিতের সংখ্যাগুলো আপনার স্মরণ আছে কি? স্মরণ থাকলে কিছু সংখ্যা গণনা করুন।
পাদ্রী বললো, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, পূনরায় বলুন।
পাদ্রী বললো, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বল বাকি অংশ পড়ুন...












