কাজেই ইহকাল এবং পরকালে সে লা’নতগ্রস্ত হয়ে যাবে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে, ঈমান নষ্ট হবে অর্থাৎ ঈমানহারা হয়ে সে জাহান্নামী হয়ে যাবে।
إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ
তোমাদের এ আচরণ আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেয় এবং কষ্টদায়ক। কাজেই খুব সাবধান থাকতে হবে এ সমস্ত ব্যাপারে।
এরপর বলা হয়েছে-
فَيَسْتَحْيِي مِنْكُمْ
“তোমাদের কিছু বলতে আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সংকোচ বোধ করেন। অর্থাৎ সংকোচ করার বিষয় নয়; যেহেতু
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ ا বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
১. সদাচরণ কাকে বলে?
জবাব মুবারক: ‘সততার মাধ্যমেই অসত্যকে প্রতিহত করা। ’ সুবহানাল্লাহ!
২. ভদ্রতা কাকে বলে?
জবাব মুবারক: পরিবার-পরিজনের প্রতি ইহসান করা এবং তাদের অসদাচরণের মোকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করা। সুবহানাল্লাহ!
৩. উদারতা এবং দানশীলতা কাকে বলে?
জবাব মুবারক: সচ্ছল এবং অসচ্ছল উভয় অবস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করা। সুবহানাল্লাহ!
৪. কমিনা কাকে বলে?
জবাব মুবারক: ইযযত-সম্মান বিলীন করে অর্থ সম্পদ রক্ষা করা। নাউযুবিল্লাহ!
৫. অমুখাপেক্ষিতা কাকে বলে?
জবাব মুবারক: মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত নিয়ামতে তুষ্ট থাকা। সুবহানাল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كَتَبَ اللهُ لَأَغْلِبَنَّ أَنَا وَرُسُلِي إِنَّ اللهَ قَوِيٌّ عَزِيزٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন যে, আমি ও আমার সম্মানিত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাই বিজয়ী হবো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অতিশয় শক্তিমান, সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। (পবিত্র সূরা মুজাদালা শরীফ-২১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা সমস্ত কায়িনাতের মালিক। আর মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ তথা হাকীকী মু’মিনগণ সেই ওয়ারিসত্বে সারা কায়িনাতের বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। ” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পব বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই দাওয়াত দেয়া হলো তাকে খাওয়ার জন্য, মেহমানদারী করার জন্য, তাকে তা’যীম-তাকরীম করার জন্য। আর সে বসে কথা বলে সময় নষ্ট করে, দাওয়াতকারীকে কষ্ট দিবে, সেটা শরীয়তসম্মত নয়।
সেজন্য বলা হয়েছে-
فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانْتَشِرُوا
“খাওয়া শেষ হয়ে গেলেই তোমরা চলে এসো। ”
وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ
“কথা-বার্তায়, আলাপ আলোচনায় মশগুল থেকনা। ”
আর এখানে আরেকটা আয়াত শরীফ নাযিল করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে যাতে বলা হয়েছে, তোমরা আলোচনায় মশগুল থেকনা।
إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ فَيَسْتَحْيِي مِنْكُمْ وَاللهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ
“নিশ্চয়ই তোমাদের এ আচরণ, বসে কথা-বার্তা বলাটা, আল বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তাওয়াল্লুদ শরীফ
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمَنِ الرَّحِيْمِ.
وَلَـمَّا تَـمَّ مِنْ حَـمْلِه صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سِتَّةُ اَشْهُرٍ عَلٰى مَشْهُوْرِ الْاَقْوَالِ الْـمَرْوِيَّةِ، تُوُفّـىَ بِالْـمَدِيْنَةِ الْـمُنَوَّرَةِ الشَّرِيْفَةِ حَضْرَتْ ذَبِيْحُ اللهِ الْمُكَرَّمُ اَبُوْهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَ قَدِ اجْتَازَ بِاَخْوَالِه بَنِىْ عَدِىّ مّنَ الطَّائِفَةِ النَّجَّارِيَّةِ، وَمَكَثَ فِيْهِمْ شَهْرًا سَقِيْمًا يُّعَانُوْنَ سُقْمَه وَشَكْوَاهُ، وَلَـمَّا بَلَغَ مِنْ حَـمْلِه صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الرَّاجِحِ تِسْعَةُ اَشْهُرٍ قَمَرِيَّةٍ، وَاٰنَ لِلزَّمَانِ اَنْ يَّنْجَلِىَ عَنْهُ صَدَاهُ، حَضَرَ سَيّدَةَ نِسَاءِ الْعَالَمِيْنَ اُمَّه صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَة বাকি অংশ পড়ুন...
এখানে ফিকিরের বিষয়,
إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ এবং إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا
যে অনুমতি নিবে এবং যখন তোমাদের ডাকা হবে তখনি প্রবেশ করবে, বিনা অনুমতিতে কেউ আসবে না এবং প্রবেশও করবে না।
এখানে স্পষ্টভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন। আর সেটা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমল করে দেখিয়ে দিলেন।
তোমাদের যতজনকে দাওয়াত করা হবে ঠিক ততজনই তোমরা যাবে। আর অনির্দিষ্টভাবে দাওয়াত করা হলে অনির্দিষ্টভাবেই যাবে; তাতে কোন অসুবিধা নেই। তবে নির্দিষ্ট করে দাওয়াত দিলে নির্দিষ্ট করে যেতে বাকি অংশ পড়ুন...












