সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথীদের মধ্যে যাঁরা শাহাদাত গ্রহণ করার জন্য উদগ্রীব ছিলেন, উনারা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমতি মুবারক প্রার্থনা করলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদেরকে অনুমতি দিলেন। অনুমতি পেয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, খাজায়ে খাজেগাঁ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী লোক তিনি, যিনি কারো নিকট সাহায্য চান না এবং দুঃখ, কষ্টের সময় অভিযোগ করেও বেড়ান না। তিনি আরো বলেন, তাওয়াক্কুলকারীগণের উপর মুহব্বতের তাজাল্লী বর্ষিত হওয়াকালীন এমন এক হাল যাহির হয় যখন তাকে তলোয়ার দ্বারা টুকরা টুকরা করে ফেললে কিংবা কোনো প্রকার দুঃখ কষ্ট ও যন্ত্রণা প্রদান করা হলেও তার কোনো খবর থাকে না।” (তাযকিরাতুল আউলিয়া-৪/২৩২)
কুতুবুল আলম, ফরীদু যামানিহী, শায়খুল উল বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ৬১ সন, পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ দশ তারিখ রাত্রি বেলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত সফর সঙ্গী উনাদের সবাইকে একত্রিত করলেন এবং বললেন, আমার প্রিয় সাথীরা! আমি আপনাদের সকলের প্রতি আন্তরিকভাবে সন্তুষ্ট। আমি আপনাদেরকে অনুমতি মুবারক দিচ্ছি যে, আজ রাতে আপনারা যে যেদিকে পারেন চলে যান। এসব ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর লোকেরা আমার পবিত্র রক্ত পিপাসু। এরা একমাত্র আমার পবিত্র রক্তেই পরিতৃপ্ত হবে। আপনারা চলে যা বাকি অংশ পড়ুন...
সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কি কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য, কি ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে পাবো অপরাজেয় সামরিক শক্তি, ইনসাফপূর্ণ হুকুমতব্যবস্থা, সর্বোচ্চ ইসলামী আদর্শ, ৬টি মৌলিক অধিকারের অপরিমেয় একচ্ছত্র ভিত্তিস্থাপন ইত্যাদি। তেমনি একজন মহান শাসক ছিলেন খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
আমিরুল মু’মিনী বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত নিযামুদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৭২৫ হিজরী) উনার মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে প্রতি বছর বসন্ত পঞ্চমি বা বসন্তি উৎসব পালন করা হয়। হাজার হাজার মুসলিম ও হিন্দু জমায়েত হয়। অনেকে হলুদ পাগড়ি পরিধান করে। হলুদ ফুল ছিটিয়ে দেয়। দাবি করা হয় ৭০০ বছর আগে উৎসবটি পালন করা শুরু হয়।
এই উৎসবের সূচনা সম্পর্কে একটি বানোয়াট ঘটনা বর্ণনা করা হয়। ঘটনাটা এরূপ, হযরত নিযামুদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভাগিনা হযরত তকীউদ্দিন নূহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইন্তেকাল করলে তিনি খুব ব্যথিত হন। তিনি বেশ কিছু দিন বিষণœ ছিলেন। ফলে উনার বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা ও বানোয়াটি তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করে থাকে- পর্নো নাকি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো দেখে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অথচ তারা এটা নিয়ে বিশ্বস্ত ও সঠিক পরিসংখ্যানভিত্তিক কোনো রেফারেন্স দিতে পারে না। মূলত তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ও মুসলিমদের হেয় করতেই এসব মিথ্যা ও বানোয়াটি তথ্য প্রচার করে থাকে।
প্রকৃত ও সত্য তথ্য হলো- পর্নো দেখায় শীর্ষ ১০-এ কেনো, শীর্ষ ২০ রাষ্ট্রের তালিকাতেও অমুসলিম, বিধর্মী খ্রিস্টান, ইহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও নাস্তিকদের রয়েছে একক আধিপত্য। তারা এই পর্নোর মাধ্যমে কোটিকোটি টাকার ব্যবসা করে থাকে। তাদে বাকি অংশ পড়ুন...
ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমানদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসে ব্যভিচারের গল্প ফাঁদে, কলকাতার নাট্যমঞ্চগুলোতে মুসলমান রাজা বাদশাহগণ উনাদের নিয়ে কুৎসিত কাহিনীযুক্ত নাটক মঞ্চায়িত হতে থাকে।
কিন্তু সেসব নাটকের কুশীলব কারা ছিল? প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার গ্রন্থ ‘আত্মঘাতী বাঙালী’-তে সেসময়ের মঞ্চনাট বাকি অংশ পড়ুন...
ইংরেজিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত এবং মহাপবিত্র নাম মুবারক “সাইয়্যিদুনা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” লিখলে প্রথমে ‘M’ অক্ষরটি আসে। সেই হিসেবে ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী ‘M’ অক্ষরটি ১৩ নম্বরে আসে। সে জন্য এই যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য কাফির-মুশরিকগুলি তাদের কোন বিমান, রেল, লঞ্চ-এ তের নম্বর সিটটি রাখে না। কোন হোটেলে তের নম্বর কক্ষ-কামরা রাখে না। লেখা বাহুল্য, মুসলমানরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নাম মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, উগ্র হিন্দু-উপজাতি সন্ত্রাসীদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা করছে সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা।
বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর শাসকরা কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ ইমেজ ধরে রাখতে গিয়ে কাফিরদের গোলাম হয়। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের অন্যায় আবদার মেটাতে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান যুগে বিয়ে মানেই সুন্দরী মেয়ে। বিয়ে মানেই ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি। গরিবদের দিকে মুখ তুলে তাকাতেও সামর্থ্যবান ও সম্পদশীল পুরুষরা নিজেদেরকে লজ্জিত মনে করে থাকে। আর গরিব মেয়ে ঘরে নিলে তো বুঝি তাদের দেহ-মন পচে যাবে। আর এই নীচু ও হীন মন-মানসিকতার জন্য তাদের পরিবারে কখনো সুখ থাকে না এবং নেক সন্তানও লাভ হয় না। কিন্তু মুসলিম জাহানের খলীফা খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ঠিকই এই সমস্ত দুনিয়ালোভী মুসলমানদের মুখে চুনকালী মেখে মহান আদর্শ স্থাপন করেছেন। ধন-সম্পদে সুখ নয়, সুখ হচ্ছে তাক্বওয়া-পরহেজগারী বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাছভাবে ফায়েজে ইত্তেহাদী মুবারক দান করেছেন খাছভাবে। যা খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফযীলত ও বুযূর্গী মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ।
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রবাদ আছে, ‘হার গুলেরা রঙ্গো বুয়ে দিগারাস্ত’। অর্থাৎ ‘একেক ফুলের একেক রকম রং ও ঘ্রাণ’। সমস্ত উম্মতের মাঝে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব। আবার উনাদের মাঝে বদরী ছাহাবীগণ উনাদের রয়েছে বিশেষ ফযীলত। আবার মুহাজিরগণ উনাদের রয়েছে ব্যতিক্রম শান মুবারক। অপরদিকে খিলাফতের ক্ষেত্রে কুরাইশগণ উনাদের রয়েছে একক প্রাধান্য। সর্বোপরি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুবারক নির্ধারিত।
পবিত্র হাদীছ শ বাকি অংশ পড়ুন...












