সম্পাদকীয়-২
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
, ০৪ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ সাদিস, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ১১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বর্তমানে এক কোটিরও বেশী বাংলাদেশি বিভিন্ন দেশে কর্মরত। মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপ- সবখানেই ছড়িয়ে আছে তারা। কিন্তু এই শ্রম রপ্তানির ধারণাটিই প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ মানবিক মর্যাদা ছাড়া কোনো শ্রম প্রকৃত অর্থে ‘সম্পদ’ নয়। প্রদত্ত শ্রম যান্ত্রিকতার নামান্তর!
প্রবাসীরা কাজ করেন নির্মাণ সাইটে, ফ্যাক্টরিতে, কৃষিক্ষেত্রে, গৃহপরিচারিকারূপেÑ অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে। একদিকে মালিক পক্ষের নিপীড়ন, অন্যদিকে নিয়োগকারী দেশের আইনগত দুর্বলতাÑ এই দুইয়ের মাঝখানে পড়ে যান শ্রমিকেরা। অনেকেই বেতন পান না, অনেকে মৃত্যুর পর ফেরত আসেন কফিনবন্দি হয়ে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধ হয়ে আউটপাস নিয়ে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭০ বাংলাদেশী দেশে ফিরেছেন এবং বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে অবৈধ হয়ে ফিরে আসাদের এ সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। ফেরত আসা শ্রমিকদের প্রতিজনের গড় ব্যয় ৫ লাখ টাকা ধরা হলে প্রবাসী পরিবারের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এসব অর্থ মূলত দালাল ও রিক্রুটিং এজেন্টদের পকেটে গেছে। সবচেয়ে বেশি ফেরত পাঠানো হয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ওমান ও কুয়েত থেকে। এতে যেমন প্রবাসী ও তার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে বিরূপ প্রভাবে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বৈদেশিক শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে আসার ঝুঁকিও বাড়ছে।
এমনিতেও এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশসহ মালয়েশিয়া বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, অবৈধ অভিবাসন ও অদক্ষ শ্রমশক্তি ছিল এর অন্যতম কারণ। এছাড়া অভিবাসীরা সেসব দেশে প্রতিশ্রুত কাজ না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে রাস্তাঘাটে এমন সব কাজ করতেন, যা সেসব দেশের প্রচলিত আইনে বিধিসম্মত নয়। অনেকে বাধ্য হয়ে অনৈতিক কাজেও জড়িয়ে পড়েন। আবার অনেকে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেখানে অবস্থান করেছেন কিংবা শ্রমশক্তি প্রয়োজন না থাকার পরও সেসব দেশে দালালদের মাধ্যমে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে অনেকে। সংশ্লিষ্টরাও মনে করছেন, বিদেশ থেকে ফেরত পাঠানো এসব কর্মী সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই বৈধ পথে গিয়েছিলেন। কিন্তু যাওয়ার পর তাদের অনেকে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ হারান। এরপর তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া বিদেশে অবস্থান অব্যাহত রেখেছিলেন। অনেকে প্রতারণার শিকার হয়েও এমন অবস্থায় পড়েন। আবার বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাজ না পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে দেশে ফেরার ঘটনা রয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) মতে, দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসন খাতকে নিয়মের মধ্যে আনা যায়নি। এটি একটি শ্রেণীর কাছে অর্থ লুটপাটের উপায়।
এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
অভিবাসন প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি স্বচ্ছ, নিরীক্ষিত এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে, যাতে প্রতিটি শ্রমিক নিজের ভিসা, চাকরির চুক্তি, রিক্রুটিং এজেন্সির তথ্য এবং খরচ যাচাই করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, বিদেশে কাজের নিশ্চয়তা ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোকে আরো সক্রিয় হতে হবে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায়। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখা প্রয়োজন। প্রতি বছর নির্দিষ্টসংখ্যক এজেন্সির কার্যক্রম মূল্যায়ন করে তাদের লাইসেন্স নবায়ন বা বাতিল করা যেতে পারে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যারা এ খাত তদারকি করবে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নির্বাচনী ডামাডোলে রমজানের বাজারা মূল্য তদারকিতে চরম নিস্ক্রিয়তা রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আজ থেকেই সর্বাত্মক কার্যক্রম শুরু করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ২৮শে রজবুল হারাম শরীফ! সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৭ শে রজবুল হারাম শরীফ! পবিত্র মি’রাজ শরীফ এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সুমহান বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং পবিত্র রগায়িবে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম।
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ দিবাগত রাতটিই মহিমান্বিত মহামহিম পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এবং মহিমান্বিত লাইলাতুর রগায়িবে হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম।
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বর্তমান সরকারের অরাজাকতায় মধ্যবিত্তরাও এখন পুষ্টি সঙ্কটে ভূগছে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতমূখী প্রবণতার অভাবই এর মূল কারণ কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় খোদায়ী রহমতে সব কিছুতে সচ্ছলতা হাছিল সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিগত সরকারগুলোর মত কথিত অন্তর্বর্তী সরকারও দেশের পতিত জমির দিকে নজর দিচ্ছে না অথচ প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫৫ হাজার শতক পতিত জমি আবাদের আওতায় এনে দেশকে মহা সমৃদ্ধ করা যায় যতদিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা না হবে ততদিন এসব নিয়ামত অধরাই থেকে যাবে (নাউযুবিল্লাহ)
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহিমান্বিত ২২শে রজবুল হারাম শরীফ! হযরত খাজা আবূ তালিব উনার ও কাতিবে ওহী, খলীফায়ে সাদিস, সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
রফতানী কমেছে ২৬ দেশে। পোশাক শিল্পে অব্যাহত বিপর্যয় দিন দিন বাড়ছে। পরিস্থিতি মহা উদ্বেগের হলেও সরকার উদ্বিগ্ন নয় কেনো? এ বিষয়ে সরকারের নিরুত্তাপ, জনগণের মাঝে উত্তাপ বাড়াচ্ছে।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
লবণ আমদানির খবরে দিশেহারা লবণ চাষি ও শ্রমিকরা ৮ লাখ মেট্রিক টন লবণ মওজুদ থাকার পরও অবুঝ অন্তর্বর্তী সরকারকে লবণ আমদানী আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পতিত সরকারের প্রতারণার পন্থা দ্বৈত নাগরিকত্ব যথাযথভাবে বাতিলে কোন উদ্যোগ ও তৎপরতা নেই কেন? দ্বৈত নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করে নির্বাচন করার প্রক্রিয়া সংবিধান ও আইন সম্মত হচ্ছে না। এ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিতরা বেআইনী থেকেই যাবে। দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ই-বর্জ্য যথাযথ ব্যবহার না করায় দেশ থেকে বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা হাতছাড়া হয়। সোনার বাংলার সবই সোনা গ্রহণ করার সদিচ্ছা আর কবে হবে?
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












