মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
এর মধ্যে রয়েছে সোকোল্লু মুহম্মদ পাশা, একজন অটোমান উজির বা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সুলতান সুলেমান এবং সুলতান দ্বিতীয় সেলিম এর অধীনে কাজ করেছিলেন। এছাড়াও এখানে দাফন করা হয়েছে সিয়াভুস পাসা, ১৬ শতকের আরেক উজির এবং লালা মুস্তাফা পাশা যিনি ১৬ শতকে উসমানীয় সালতানাতের জন্য সাইপ্রাস বিজয় করেছিলেন। তাদের কবরগুলো মসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত রয়েছে, যেমন আদিল সুলতান এবং তার পরিবারের অন্যান্যরাও মসজিদের পাশেই শায়িত রয়েছেন। যেখানে সুলতানদের কবর অবস্থিত সে কবরস্থানটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের পিছনে গোল্ডেন হর্ণে শহরের বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ৫২ সনে কনষ্টান্টিনোপোলের যুদ্ধে সম্মুখ সমরে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে তিনি যখন শাহাদাতের তামান্নায় অপেক্ষমান, একজন এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন “হে আবু আইয়ূব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)! জীবনের শেষ ইচ্ছা আমাদের বলুন, আমরা তা যথাসম্ভব বাস্তবায়ন করবো। তখন তিনি ব্যক্ত করলেন, আপনারা আমার দেহ মুবারক আমার ঘোড়ায় উঠিয়ে দিন এবং যতদূর সম্ভব কনষ্টান্টিনোপোলের শেষ সীমানায় নিয়ে যান, যাতে আমি মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি, “মহান আল্লাহ পাক! আমি যুদ্ধের ময়দান থেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ চেষ্টা বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক আবু আইয়ূব আল আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদ তুরস্কের ইস্তাম্বুলের ইয়ূপ জেলায় এবং গোল্ডেন হর্ন শহরের কাছে অবস্থিত। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হযরত আবু আইয়ূব আল আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নামে নামকরণ করা হয়েছে যা স্থানীয় ভাষায় “ইয়ূপ বা আইয়ূব সুলতান মসজিদ” নামেই বেশি পরিচিত।
এই ঐতিহাসিক মসজিদটি উসমানীয় সালতানাত কর্তৃক ইস্তাম্বুলে নির্মিত প্রথম মসজিদ। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মসজিদটি ১৪৫৮ খৃ: নির্মিত হয়। ইসলামী ও ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় স্থাপত্যশৈলীতে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মিত। মসজিদে মিনারের সংখ্যা ২ট বাকি অংশ পড়ুন...
আরব আমিরাতের শারজাহ সিটিতে অবস্থিত ‘মাজমাউল কুরআনুল কারীম’ কর্তৃপক্ষ খেজুরের পাতায় লিখা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার একটি দু®প্রার্প কপি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ‘মাজমা’র মহাসচিব জানিয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন যুগের এবং বিশ্বের অসংখ্য দেশের পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার দুর্লভ কপি এবং দু®প্রাপ্য প্রতœঐতিহাসিক নুসখা সংগ্রহ করে গর্বিত।’
এই দু®প্রাপ্য অনুলিপিটি সম্পূর্ণরূপে খেজুরের পাতায় লিখা হয়েছে। কালামুল্লাহ শরীফের এই কপিটি লিখতে খেজুরের পাতা দিয়ে সর্বমোট ৭০টি পৃষ্ঠা বানানোর প্রয়োজন পড়েছে। প্রত্যেক পৃষ বাকি অংশ পড়ুন...
মুন্সীগঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবস্থিত ইদ্রাকপুর দুর্গ।
মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এটি। যা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের ইতিহাস এবং মোঘল আমলের স্থাপত্য কলাকৌশল। দীর্ঘ ৪০০ বছরে ধ্বংস হয়ে গেছে এর অনেক অংশ।
সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে মোঘল বাদশাহ আওরঙ্গজেবের শাসনামলে (১৬৫৮-১৭০৭) বাংলার সুবেদার মীর জুমলার সময়ে ১৬৬০ সালে এ দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার লালবাগ কেল্লার আদলে দুর্গটি নির্মিত হয়। উত্তর দক্ষিণে প্রসারিত দুর্গটির দৈর্ঘ্য ৮৬.৮৭ মিটার এবং প্রস্থ ৫৯.৬০ মিটার।
রক্ষিত দু বাকি অংশ পড়ুন...
সাতৈর শাহী মসজিদ শত শত বছর ধরে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে অবস্থিত। এটি প্রায় ৭০০ বছর আগের নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহের আমলে নির্মিত।
বর্গাকার এই মসজিদটি বাইরের দিক থেকে ১৭ দশমিক ৮ মিটার এবং ভেতরের দিক থেকে ১৩ দশমিক ৮ মিটার।
স্থানীয় তথ্যসূত্রে, ভূমি থেকে মসজিদটির মেঝে প্রায় শুন্য দশমিক ৭৬ মিটার উঁচু ছিলো, বর্তমানে এটি শুন্য দশমিক ৬ মিটার উঁচু। মোট ৯টি কন্দ আকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদটির ভেতরে পাথরের তৈরি চারটি স্তম্ভ, দেয়ালে ও দেয়ালের গা সংলগ্ন মোট ১২টি পিলার রয়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী সভ্যতায় হাসপাতাল বা বিমারিস্তান তৈরি মুসলমানদের অনন্য কীর্তি। স্থায়ী হাসপাতালের পাশাপাশি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণেও মুসলমানরা নজীর সৃষ্টি করেছিলেন।
তবে অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণ সর্বপ্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারকে খন্দকের যুদ্ধের সময় তৈরি করা হয়েছিলো। সেই বিশেষ অস্থায়ী হাসপাতালের নাম ছিলো ‘খিমাতু রুফাইদা’। আজকের পৃথিবীর ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল ও চিকিৎসার ধারণাটি এখান থেকেই মানুষ নিয়েছে।
পরবর্তীতে হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম মালয়েশিয়ার জাতীয় মসজিদ, যা মালয়েশিয়ার স্থানীয় ভাষায় “মসজিদ নেগারা” নামে পরিচিত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই মসজিদ কমপ্লেক্স ১৩ একর জায়গার উপর নির্মিত। এর মনোরম স্থাপত্যশৈলী ও ইন্টোয়ির ডিজাইন যে কাউকেই মুগ্ধ করে। মালয়েশিয়ার জাতীয় ঐক্যের প্রতীক মসজিদ নেগারা বা জাতীয় মসজিদ নির্মাণে স্বনামধন্য তিনজন দক্ষ স্থপতির যৌথ নক্শায় এ মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
মালয়েশিয়ার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রাজধানী কুয়ালালামপুরের ভেখিৃ: রোডের পর্শস্থিত ১৩ একর ভূমির উপর ১৯৬৫ খৃ: এ মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রায় ২০০ বছর আগের কথা। তখন মেঘনা ও খরস্রোতা ডাকাতিয়া নদীর মোহনা জনবিরল বিশাল চরাঞ্চল। তখন এখানে আগমন ঘটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দ্বীন ইসলাম প্রচারক অনেক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের। বলা হয়, বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসার ঘটেছে এই এলাকাকে কেন্দ্র করে। ঐতিহাসিক এই মসজিদটি লক্ষ¥ীপুর জেলার রায়পুর পৌর শহর থেকে ৮০০-৯০০ গজ পূর্বে পীর ফয়েজ উল্লাহ সড়কের দক্ষিণ দিকে দেনায়েতপুর গ্রামে অবস্থিত।
দিল্লির শাহী জামে মসজিদের হুবহু নমুনার ১১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭০ ফুট প্রস্থ এবং মাটি থেকে ১০ ফ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদ শাহ মখদুম রুপোশ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নছবনামা মুবারক: হযরত সাইয়্যিদ আব্দুল কুদ্দুস ওরফে হযরত শাহ্ সাইয়্যিদ শাহ মখদুম রুপোশ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা (১) হযরত সাইয়্যিদ আজাল্লা শাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা হযরত (২) আব্দুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা (৩) হযরত সাইয়্যিদ আবু আব্দুল্লাহ মুসা রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা (৪) হযরত সাইয়্যিদ আবু আবদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা (৫) হযরত সাইয়্যিদ ইয়াহইয়া জাহেদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা (৬) হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি, উনার পিতা ( বাকি অংশ পড়ুন...
সাফাবী যুগের কম্বল ও গালিচা:
মধ্যস্থিত ডিজাইনসহ চারটি সমক্ষেত্রের কম্বল বা গালিচা বৃহদাকার বা ক্ষুদ্রাকার হোক প্রধানত কোনো ঘরের মেঝেতে বিছিয়ে রাখার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিলো। এটির প্রান্ত-সীমা অনেকটা মজবুত ও প্রশস্ত এবং ক্ষেত্রের সাথে সমতা রেখে ডিজাইন ও রংয়ের সামঞ্জস্য বিধান করা হয়েছিল। ক্ষেত্রের সাথে সঙ্গতি রেখে কেন্দ্রে ডিম্বাকৃতি মেডেল বা পদক সংস্থাপিত হয়েছিলো এবং কোনো কোনো সময় সেটির ওপরে ও নিচে ক্ষুদ্রাকায় বিন্দু যুক্ত করা হয়েছে। আবার সুসম রংয়ের প্রয়োগের ফলে পা-ুলিপি চিত্রিতকরণের সাথে তার যথেষ্ট সাদৃশ্য খুঁজে বাকি অংশ পড়ুন...












