মুসলিম বিশ্বের প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হওয়া এবং রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা সত্ত্বেও আল-আজহার কায়রোর অন্যান্য মাদরাসার মত ছিল না। আল-আজহারে নিজস্ব পন্থায় পাঠদান করা হত। অন্যদিকে সুলতান সালাউদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় নির্মিত মাদরাসাগুলো ছিল রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার অংশ। মিশর ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে শিক্ষার্থীরা আল-আজহারে পড়াশোনার জন্য আসত। শিক্ষার্থীদের সংখ্যার দিক থেকে আল-আজহার অন্যান্য মাদরাসাগুলোকে ছাড়িয়ে যায়। আল-আজহারের শিক্ষার্থীদের জাতীয়তার ভিত্তিতে রিওয়াকে দলবদ্ধ করা হত এবং ইসলামি আইনের বিষয়াদি বাকি অংশ পড়ুন...
আইয়ুবীয় সালতানাতের সময়:
আল-মুফাদ্দালের মতে সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল মসজিদের একটি মিনার।
আইয়ুবীয় সুলতানরা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের উপর পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং তারা কায়রোজুড়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়ত মতাদর্শের মাদরাসা স্থাপন করেছেন।
একটি মতানুযায়ী একজন শিক্ষক (সম্ভবত আবদুল লতিফ আল-বাগদাদি) মসজিদে আইন ও চিকিৎসাসহ বেশ কিছু বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করতেন। সালাহউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে মত রয়েছে যে তিনি আল-বাগদাদিকে ৩০ দিনার বেতন হিসেবে প্রদান করত বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদের ইতিহাস:
ফাতেমীয় যুগে মসজিদটি ছিলো মার্বেল পাথর দিয়ে নির্মিত আচ্ছাদিত উঠোন। মসজিদের বাম থেকে ডানে, আল-গাওরি মিনার ও কাইতবাই মিনার। গম্বুজের পেছনে আকবাগাউয়িয়া মিনারের শীর্ষভাগ। পেছনের মিনার কাতখুদা নির্মাণ করেছিলেন।
ফাতেমীয় শাসক আল-মুইজ লিদিনাল্লাহ তার সেনাপতি জওহর আল-সিকিলির মাধ্যমে মিশর বিজয় করেছিলেন। জওহর নতুন শহরের জন্য মসজিদ নির্মাণের আদেশ দেন। ৯৭০ খৃ: এর ৪ এপ্রিল এর নির্মাণ শুরু হয়। ৯৭২ খৃ: এর নির্মাণ সমাপ্ত হয়। সে বছরের ২২ জুন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে এখানে প্রথম জুমুয়ার নামাজ আদায় করা হয়।
আল-আজহার শীঘ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল আযহার জামে মসজিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান মিশরের কায়রোতে। এই ঐতিহাসিক মসজিদটির প্রতিষ্ঠাকাল ৩৬০ হিজরী মোতাবেক ৯৭২ খৃ:। এই ঐতিহাসিক মসজিদটির মিনারের সংখ্যা ৪টি। মসজিদের আয়তন ৭৮০০ মিটার বা ৮৪০০০ স্কয়ার ফিট। মসজিদটিতে ২০,০০০ মুসল্লী একসাথে নামায আদায় করতে পারেন।
আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদায় দ্বীনতত্ত্ব এবং শরঈ বা ইসলামিক আইন অধ্যয়নের জন্য মুসলিম বিশ্বের সর্বাগ্রে প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। মসজিদের মধ্যে একীভূত বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি একটি ম বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে যে কোন নেক নিয়তে দান করলে পূরণ হয়, পাশের পুকুরে গিয়ে বললেই ভেসে ওঠে পিতলের থালা-বাসন! এমনকি রাতের আঁধারে এই মসজিদে নামায পড়ে জ্বিনরাও, এমনই অলৌকিকতায় ঘেরা টাঙ্গাইলের তেবাড়িয়া জামে মসজিদ।
জানা যায়, প্রায় ৪০০ বছর আগে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের তেবাড়িয়া গ্রামে স্থাপিত হয় মসজিদটি। যমুনা নদীর ভাঙনে পুরো এলাকা বিলীন হলেও মসজিদটি অক্ষত থাকায়, অলৌকিক আল্লাহ’র ঘর বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয়রা। নদীর স্রোত আর ঢেউয়ের প্রখরতায় মসজিদটি দুলতে থাকে, তবে ভেঙে যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের।
মসজিদটির দৃষ্টিনন্দনও বটে। বাকি অংশ পড়ুন...
জাপানের টোকিও জামে মসজিদটি সর্বপ্রথম ১৯৩৮ সালে নির্মাণ হয়।
১৯১৭ খৃ: কমিউনিস্ট আগ্রাসনের সময় পূর্ব ইউরোপ ও বলকান অঞ্চলে রুশ কমিউনিষ্টদের অত্যাচারের শিকার হয়ে ঐ অঞ্চলের বহু মুসলমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিজরত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় কাযান টার্কিশ মুসলমানদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধিবাসী জাপানের রাজধানী টোকিওতে এসে বসতি স্থাপন করেন। টোকিওর যে অঞ্চলে মুসলমানগণ বসবাস করতেন, সে অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ‘ইসলামী-মহল্লা’ যা আজও মেট্রোপলিটন সিটি টোকিওর ‘ইসলামিক ডিষ্ট্রিক্ট’ নামেই পরিচিত ও সরকারীভাবে নিবন্ধিত। পরবর্তীতে সেখানে মু বাকি অংশ পড়ুন...
কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক প্রতœতাত্তি¡ক নিদর্শন ঝাউদিয়া শাহী মসজিদ। এর অবস্থান জেলা সদর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে ঝাউদিয়া গ্রামে। মসজিদটি নিয়ে ছড়িয়ে রয়েছে নানা লোককথা। জনশ্রæতি রয়েছে, অলৌকিকভাবে মসজিদটি নির্মিত হয়েছে। আবার অনেকের মতে, দ্বীন প্রচারের জন্য ইরাক থেকে এ অঞ্চলে আগত শাহ সুফি আদারি ইবাদত-বন্দেগীর জন্য মসজিদটি নির্মাণ করেন।
ঝাউদিয়া মসজিদের প্রবেশমুখে লেখা আছে, ‘এটির বড় পরিচয় মানুষের তৈরি এবং এটা প্রতিষ্ঠিত হয় মুঘল শাসক আওরঙ্গজেবের শাসনামলে’। কিন্তু কে এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন সে বিষয়ের কোনো উল্লেখ নেই। স্থানীয়রাও এ সম বাকি অংশ পড়ুন...
মেথি সাধারণত রান্নায় পাঁচ ফোড়ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এর নানা ভেষজ গুণ সম্পর্কে চিকিৎসকদেরও রয়েছে উক্তি। তাই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিয়মিত খেতে পারেন মেথি ভেজানো পানি। মেথিতে রয়েছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ। এছাড়াও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরির মতো উপাদান।
নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি অথবা চা পানে ডায়াবেটিসের পাশাপাশি বদহজম, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।
ভেষজ ওষুধ হিসেবে পিরিয়ড ক্র্যাম্প, স্ট্রোক, বর্ধিত প্রোস্টেট এবং মুটিয়ে যাওয়ার মতো সমস বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত শাহ তুরকান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফটি খেরুয়া মসজিদের প্রায় এক মাইল পূর্বে অবস্থিত। শেরপুরে বিদ্যমান মুসলিম স্থাপত্য নিদর্শনের মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়। বাংলা স্থাপত্যের গবেষক সি বি আশার এর নির্মাণকাল চৌদ্দ শতকের কোনো এক সময় (ভড়ঁৎঃববহঃয পবহঃঁৎু ড়হ) বলে উল্লেখ করেছেন।
হযরত শাহ তুরকান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ শির মোকাম ও ধর মোকাম নামে অভিহিত। এ মাজার শরীফ দুটির একটিতে উনার শির অর্থাৎ মস্তক ও অপরটিতে উনার ধড় অর্থাৎ দেহ দাফন করা আছে বলে জনসাধারণের কাছ থেকে জানা যায়। বর্ণিত রয়েছে, শেরপু বাকি অংশ পড়ুন...












