عَسَى اللهُ
নিশ্চয়ই যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি
أَن يَجْعَلَ بَيْنَكُمْ
তোমাদের পরস্পরের সৃষ্টি করে দিবেন
وَبَيْنَ الَّذِينَ عَادَيْتُم مِّنْهُم مَّوَدَّةً
তোমাদের মধ্যে পরস্পরে যে বিদ্বেষ রয়ে গেছে, শত্রুতা রয়ে গেছে, নানা রকম চূ-চেরা, কীল-কাল রয়েছে সেটা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানার্থে দূর করে পরস্পরের মধ্যে তিনি পবিত্র মহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ قَدِيرٌ
যিনি খ¦লিক যি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ
(দু‘আ ও ক্বিরায়াত)
জায়নামাযের উপর দাঁড়িয়ে দুয়া
اِنِّـىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا اَنَا مِنَ الْـمُشْرِكِيْنَ.
অর্থ : নিশ্চয়ই আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরিয়েছি ঐ মহান সত্তা উনার দিকে- যিনি আসমান ও যমীনসমূহকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্গত নই।
তাকবীরে তাহরীমা
اَللهُ اَكْبَرُ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি সবচেয়ে বড় বা শ্রেষ্ঠ।
ছানা
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِـحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْـمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
অর্থ : হে মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা বর বাকি অংশ পড়ুন...
أَنْ تَعْبُدَ اللهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমনভাবে ইবাদত-বন্দেগী করবে যেন তোমরা যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখতে পাচ্ছ।
فَإِنْ لَّمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهٗ يَرَاكَ.
যদি দেখতে না পারো তাহলে ধারণা করো যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাকে দেখতেছেন। ইহসানের দু’টা দরজা। কিন্তু প্রথমটার মধ্যে আরো অনেক হাক্বীক্বত মুবারক রয়ে গেছে। সে হাক্বীক্বত মুবারক কিছু প্রকাশ করা হয়েছিল এবং এর চাইতে আরো বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি, বেদী, ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর এসবগুলোই শয়তানের কাজ। অতএব, এগুলো থেকে তোমরা বিরত থাকো। অবশ্যই তোমরা সফলতা লাভ করবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ
অর্থ: তোমরা মূর্তিসমূহের খারাবী, অপবিত্রতা, নাপাকী, নিষিদ্ধতা বা শাস্তি থেকে বেঁচে থাকো। ( বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
আইউব ইবনে ওয়াইল আর-রাসিবী বলেন, একদিন হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাতে চার হাজার দিরহাম ও একটি মখমলের চাদর আসলো। পরদিন বর্ণনাকারী তিনি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দেখলেন, বাজার থেকে উনার সওয়ারী পশুর জন্য বাকিতে (কর্জ করে) খাদ্য কিনছেন। ইবনে ওয়াইল তখনই হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বাড়ীতে গিয়ে উনার পরিবারের লোকদের জিজ্ঞাসা করলেন, গতকালই কি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাতে চার হাজার দিরহাম ও একটি মখমলের চাদর আসেনি? উনারা বললেন, হ্যাঁ; ইবনে ওয়াই বাকি অংশ পড়ুন...
وَلٰكِنْ يَا حَضْرَتْ حَنْظَلَةُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ سَاعَةً وَّسَاعَةً ثَلَاثَ مَرَّاتٍ.
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! যে, হ্যাঁ ঠিকই আছে। কখনও আমার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করলে এ রকম অবস্থা হবে আর কখনও দূরে গেলে এরকম হবে। আর এটিই হচ্ছে স্বাভাবিক। এটাই হচ্ছে স্বাভাবিক একটা অবস্থা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তিনি এ মহাসম্মানিত কথা মুবারক তিনবার বললেন। এখন বলার বিষয় হচ্ছে, এটা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়াল বাকি অংশ পড়ুন...
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَه لَعَنَهُمُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَـهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا
অর্থ : নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে কষ্ট দেয়, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন।” (সূরা আহযাব: আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...












