মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ সফর মুবারক:
দুনিয়াবী দৃষ্টিতে যখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বয়স মুবারক ছয় বছর, তখন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসিম বা নাম মুবারক: ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম। ’ কেউ কেউ বলেছেন, উনার নাম মুবারক ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব ছুগরা আলাইহাস সালাম’ আর উনার মহাসম্মানিত কুনিয়াত মুবারক ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম’। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত লক্বব মুবারক: মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ ইত্যাদি।
মহাসম্মানিত আম্মাজান আলাইহাস সালাম: সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম।
মহাসম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত লক্বব মুবারক: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আশবাহুল খলক্বি বি-রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, ইত্যাদি।
যেই সম্মানিত লক্বব মুবারকে পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত কুনিয়াত মুবারক: উম্মু মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু ক্বুছাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
সম্মানিত লক্বব মুবারক: উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকাতু আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত, সাইয়্যিদাত বাকি অংশ পড়ুন...
সরাসরি হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার পূর্ণ সমর্থন ও অনুমতি মুবারক
আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন, তা অবশ্যই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ সমর্থিত এবং আমাদের জন্য তা নিঃসন্দেহে অনুসরণীয়। পাশাপাশি আরও গুরুত্বপূর্ণ যে- উক্ত বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন অর্থাৎ সত্যায়িত করেছেন। আর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন- “কথিত খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় বছরা শহরে নফসের অনুসারী এক যুবক ছিলো। শহরের লোকেরা তার মন্দ কাজের জন্য তাকে ঘৃণার চোখে, অবজ্ঞার চোখে দেখতো। তবে যখনই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ) মাস আগমন করতেন, তখনই এই যুবক উত্তমরূপে উনার কাপড় ধৌত করে সুগন্ধি ব্যবহার করে সুসজ্জিত হয়ে ওলীমা বা খাবারের মজলিস অর্থাৎ মেহমানদারীর ব্যবস্থা করতেন এবং সেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উন বাকি অংশ পড়ুন...
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেই বেমেছাল নূরুল মুহব্বত মুবারক (অশ্রু মুবারক) প্রকাশ করেছেন, এর মাধ্যম দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল। যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর বোধগম্যের বাহির বাকি অংশ পড়ুন...
স্বঘোষিত তথাকথিত রাজা ও রাণী কোন যুক্তিতে সাধারণ পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে একর প্রতি জুম ফসলের ৪২ ভাগ? এই অথোরিটি বাংলাদেশের কোন আইনে সিদ্ধ? কে দিয়েছে তাদের? বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমি তাই উচ্চকিত চিৎকারে বলি, “এই কথিত রাজার সিস্টেম আমি মানিনা”। আমি পাহাড়ে এই রক্তচোষা তথাকথিত রাজা সিস্টেমের বিলুপ্তি চাই।
একজন গরীব কৃষক রক্ত পানি করে ফসল ফলান। সেই ফসলের ৪২ পয়সা যায় রাজাকার ত্রিদিবের সন্তান দেবাশীষের ঘরে। স্বঘোষিত কথিত রাণী ইয়ায়ন ইয়ান সেই অর্থ দিয়ে হাতে উল্কি আঁকে। জেনে রাখো ওটা উল্কি নয় ইয়ান ইয়ান, ওটা বাকি অংশ পড়ুন...












