এর আভ্যন্তরীণ যে একটা অর্থ রয়েছে সেটা হচ্ছে যিনি হক্কানী রব্বানী আলিম হবেন তিনি
اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا
অর্থাৎ গাইরুল্লাহ থেকে তিনি বিরত থাকবেন।
وَالرَّاغِبُ فِي الْآخِرَةِ وَالْبَصِيرُ بِذَنْبِهِ
সবসময় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি রুজু থাকবেন। যার কারণে জাহিরী এবং বাতিনী জিসমানী এবং রূহানী, বাহ্যিক আভ্যান্তরীন সমস্ত গোনাহ থেকে তিনি সতর্ক থাকবেন। কোন প্রকার গোনাহতে তিনি লিপ্ত হবেন না।
وَالْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَبِّهِ
এবং দায়িমীভাবেই তিনি জাহিরী-বাতিনী সমস্ত ইবাদতে মশগুল থাকবেন। সেটা বাহ্যিকভাবে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা। আভ্যন্ বাকি অংশ পড়ুন...
এর আভ্যন্তরীণ যে একটা অর্থ রয়েছে সেটা হচ্ছে যিনি হক্কানী রব্বানী আলিম হবেন তিনি
اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا
অর্থাৎ গাইরুল্লাহ থেকে তিনি বিরত থাকবেন।
وَالرَّاغِبُ فِي الْآخِرَةِ وَالْبَصِيرُ بِذَنْبِهِ
সবসময় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি রুজু থাকবেন। যার কারণে জাহিরী এবং বাতিনী জিসমানী এবং রূহানী, বাহ্যিক আভ্যান্তরীন সমস্ত গোনাহ থেকে তিনি সতর্ক থাকবেন। কোন প্রকার গোনাহতে তিনি লিপ্ত হবেন না।
وَالْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَبِّهِ
এবং দায়িমীভাবেই তিনি জাহিরী-বাতিনী সমস্ত ইবাদতে মশগুল থাকবেন। সেটা বাহ্যিকভাবে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা। আভ্যন্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত আন নূরুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ৮ বছর পূর্বে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) মাস উনার ৪ তারিখ ইয়াওমুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার) সকালে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশে সমস্ত জিন-ইনসান ও তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই অফুরন্ত রহমত-বরকত, স বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা মাওলানা হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ এছাড়াও আরো অসংখ্য অগণিত। সুবহানাল্লাহ!
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছেন: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
(৮) হাফিয আল্লামা মুহম্মদ ইবনে ইঊসুফ ছালিহী শামী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৯৪২ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ পাঠকের উপর রহম করুন! যিনি পাঠ করেছেন,
يَا مَوْلِدَ الْمُخْتَارِ اَنْتَ رَبِيْعُنَا * * بِكَ رَاحَةُ الْاَرْوَاحِ وَالْاَجْسَادِ
يَا مَوْلِدًا فَاقَ الْمَوَالِدَ كُلَّهَا * * شَرَفًا وَسَادَ بِسَيِّدِ الْاَسْيَادِ
لَا زَالَ نُوْرُكَ فِى الْبَرِيَّةِ سَاطِعًا * * يَعْتَادُ فِىْ ذَا الشَّهْرِ كَالْاَعْيَادِ
فِىْ كُلِّ عَامٍ لِلْقُلُوْبِ مَسَرَّةٌ * * بِسَمَاعِ مَا نَرْوِيْهِ فِى الْمِيْلَادِ
‘হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ওযূদ পাক মুবারক! আপনি আমাদের বসন্তকাল, আপনার মাধ্যমে সমস্ত রূহ এবং জিসিম বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ইলমে গইব উনার অধিকারী। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কেননা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন আলিমুল গইব। আর মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মুত্তালা’ আলাল গইব। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত ইলিম উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! যেমন এ প্রসঙ্গে বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, “বছরা শহরে এক ব্যক্তি প্রতি বছর মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতেন। তিনি এই উপলক্ষে অনেক মাল-সম্পদ খরচ করতেন অর্থাৎ অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে মাহফিল করতেন এবং মেহমানদারীর আয়োজন করতেন। সুবহানাল্লাহ! উনার একজন ইহুদী প্রতিবেশী ছিলো। সে উনার এই আমল পছন্দ করতো। একবার ঐ ইহুদী ব্যক্তির আহলিয়া তাকে আগ্রহ নিয়ে সুওয়াল করলো- ‘আমাদের মুসলিম প্রতিবেশীর কি হলো যে, তিনি এই মাসে (সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম রবীউল আউওয়াল শরীফ) অনেক মাল-সম্পদ বিলিয়ে দেন, খরচ করেন?’ তখন ইহুদী ব্যক্তি তার আহলিয়াকে বলল বাকি অংশ পড়ুন...
অন্যের ঘরে প্রবেশের লক্ষ্যে অনুমতি নেয়ার জন্যে কড়া নাড়া বা গলা খাকড়ানোর চেয়ে সালাম দেয়াই উত্তম:
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই অনুমতির আমলটি মানুষেরা ছেড়ে দিয়েছে। আমাদের উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনারা বলেন, মানুষেরা দরজাকে এবং গলাখাকড়ানোকে গ্রহণ করেছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি অধিক জ্ঞাত।
হযরত আবূ দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুছর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...












