২২ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,১১,০৪১ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৯৪০ টাকা
২১ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,০৬,০২৬ টাকা
২১ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৬২৭ টাকা
২২ ক্যারেট ১ ভরি রূপার দাম ১,৭১৪ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা রূপার দাম ১০৭ টাকা
বাকি অংশ পড়ুন...
আমায় কে চিনে
আম্মাজি বিনে
আমায় কে চিনে?
আমার
শুন্যতার মাঝে
তাহাজ্জুদ নামাজে
শান্তনা দেন তিনি নিজে...
ভিখারীর বেশে, আম্মাজির দেশে
এসেছি অবশেষে
দিল খুলে তাই, খয়রাতি চাই
রছমী ইশকে ভেসে
কবুল করুন হেসে।
আম্মা, কবুল করুন হেসে
পাক মায়া মমতায় রাখুন অভাগায়
সর্ব কঠিন দিনে
আমায় কে চিনে...
হৃদয়ের নালা, শুকিয়ে কারবালা
লুকাই তবুও জ্বালা
মুখ বুজে রোজ, করে যাই খোঁজ
কোশেশে হই উতলা
সজীব করুন মাওলা
নূরে, সজীব করুন মাওলা
এই গোলামের আশা থাকবো হামেশা
রুজু শাহী শানে
আমায় কে চিনে...
মরণের কালে, অধমের কপালে
লিখিত হোক আম্মিজান
আমার এ অসিয়ত, হাকীকী আ বাকি অংশ পড়ুন...
একবার শাসক হারুনুর রশীদের দরবারে ঐ যুগের বিখ্যাত বুযুর্গ হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাশরীফ আনলেন। কাজের ফাঁকে শাসকের পানির পিপাসা লাগল। শাসক খাদেমকে বললেন, আমাকে পানি দাও। খাদেম একটি গ্লাসে ঠা-া পানি এনে শাসকের দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
শাসক হারুনুর রশীদ তার হাত থেকে পানির গ্লাস নিতেই হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, হে শাসক! একটু থামুন। শাসক থেমে গেলেন।
হযরত সুলাইমান ইবনে হরব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, আমাকে একটি কথা বলুন, আপনার এখন পিপাসা লেগেছে; যদি এমন এক সময় আসে যে, আপনার এমন পিপাসা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি যিনি হাম্বলী মাযহাবের ইমাম। তিনি একবার কিছু আটা এনে উনার খাদিমের কাছে দিলেন রুটি বানানোর জন্য এবং তাড়াতাড়ি করে রুটি বানিয়ে দিতে বললেন। কারণ ক্ষুধা লেগেছে। খাদিম মনে মনে চিন্তা করলেন, উনার যেহেতু ক্ষুধা লেগেছে তাই তাড়াতাড়ি রুটি তৈরি করে উনার সামনে পেশ করি। তারপর তিনি তাড়াতাড়ি রুটি তৈরি করে সামনে পেশ করার পরে হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, এত তাড়াতাড়ি কি করে রুটি তৈরি করলে? লবনই বা কোথায় পেলে? আর আগুনই বা কোথায় পেলে? উনাকে বলা হলো, হুযূর! মূলতঃ তাড়াতাড়ি কর বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক বা সুন্নাহ শরীফের অনুগামী না হওয়া পর্যন্ত মু’মিনে কামিল বা পরিপূর্ণ মু’মিন হওয়া যাবে না।
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثِـنْـتَانِ وَسَـبْـعُوْنَ فِـىْ النَّارِ وَ وَاحِدَةٌ فِـىْ الـجَنَّـةِ وَهِىَ الْـجَمَاعَةُ وَاَنَّهٗ سَيَخْرُجُ فِـىْ اُمَّتِىْ اَقْـوَامٌ يَــتَجَارٰى بِـهِمْ تِلْكَ الاَهْوَاءُ كَمَا يَــتَجَارٰى الْكَلْبُ بِصَاحِبِهٖ لَايَــبْـقٰى مِنْهُ عِرْقٌ وَ لَامَفْصَلٌ اِلَّا دَخَلَهٗ. (رواه أحمد وأبو داؤد)
হযরত মুয়াব বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, অধ্যাপক হওয়া সবচেয়ে সহজ হচ্ছে বাংলাদেশে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেক বিভাগেই অধ্যাপকের চেয়ে অন্য তিন পদের শিক্ষকের সংখ্যা কম। কারণ গবেষণা, প্রকাশনা থাকুক আর নাই থাকুক বাংলাদেশে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের পর একটা নির্দিষ্ট সময়ে সে অধ্যাপক হয়ে যায়। দেশে এখন অধ্যাপক কার্যত দুই প্রকার-পিএইচডি ডিগ্রিধারী (ডক্টরেট ডিগ্রি) ও পিএইচডি ছাড়া অধ্যাপক। পিএইচডি না করেই কর্মজীবনের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ (অভিজ্ঞতা) পূরণ করেই অনেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়ে যাচ্ছে। অথচ এরকম পদোন্নতি বিশ্বের কো বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্তম বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ যাঁরা প্রকৃত ওলীআল্লাহ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। কাজেই উনাদের সবকিছুই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত বা ক্ষমতা বলেই সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাই উনাদের গইব সম্পর্কে অবগত হওয়াটা বিস্ময়কর কোন বিষয়ই নয়।
অতএব, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ক্ষেত্রে যদি ইলমে গইব থাকাটা বাস্তবসম্মত হয় তাহলে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ইলমে গইব থাকাটা আরো বেশি বাস্তব সম্মত। এ বিষয়ে কেবল পথভ্রষ্ট, জাহিল ও জাহান্নামী ফিরক্বার লোকেরাই চু-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ!
সুপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
লক্ষ্য করবেন, বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে দেদারসে বিক্রি হয় আতশবাজি এবং সেগুলো বিভিন্ন কুরিয়ার বা পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে কাস্টমারের বাসায় পৌছে যায়। আপনাদের মনে থাকার কথা, গত ৯ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে রাজধানীর কাকরাইলে এস এ পরিবহণে ভয়াবহ আগুন লাগে। সেই আগুনের মূল কারণ ছিলো, আতশবাজি ও পটকা পরিবহন। এ সম্পর্কে সংবাদে প্রকাশ, “কাকরাইলের আগুন নিয়ন্ত্রণে, ভবনে পটকা-আতশবাজি বিস্ফোরণ” (সূত্র: সমকাল অনলাইন, ০৯ অক্টোবর ২০২৩); “এসএ পরিবহন ভবনে আগুন আতশবাজি থেকে” (সূত্র: ঢাকা টাইমস, ০৯ অক্টোবর ২০২৩)
আতশবাজি ও পটকাকে কেন্দ্র করে এত বড় দুর্ঘট বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আশূরা মিনাল মুহররম তথা ১০ই মুহররম শরীফ উনার দিন মেশক মিশ্রিত সুরমা চোখে দিবে, তার পরবর্তী এক বছর চোখে কোনো রোগ হবে না। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ করেন, তোমরা ‘ইসমিদ সুরমা’ ব্যবহার কর, এতে তোমাদের চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি পাবে।
চোখে ‘সুরমা’ দেয়ার সুন্নতী নিয়ম: একটি সুন্নতী নিয়ম হলো, প্রথমে বাকি অংশ পড়ুন...












