মন্তব্য কলাম
শুধু অব্যাহতভাবেই নয় জঘণ্য থেকে জঘণ্যতরভাবে দিন দিন বেড়েই চলছে ভারতীয় গান, টিভি সিরিয়াল, ইন্টারনেট কনটেন্ট তথা সিনেমায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মহাসম্মানিত, মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি মহা অপবাদ, ঘৃণা এবং বিদ্বেষ ছড়ানোর নিকৃষ্ট তৎপরতা।
, ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
ভারতীয় হাইকোর্টের মাধ্যমে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর ও চরম উস্কানিমূলক সিনেমা আটকে দিলেও আবার সুপ্রীম কোর্টের রায়ে অতিশীঘ্র তা রিলিজ হওয়ার আশঙ্কা।
যা শুধু ভারতীয় মুসলমানদের দ্বীনি অনুভূতিতেই আঘাত নয়
বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের দ্বীনি অনুভূতিতে চূড়ান্ত আঘাত
গোটা মুসলিম বিশ্বের উচিত- এর বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা ইনশাআল্লাহ (১ম পর্ব)
(১)
ভারতীয় সিনেমায় সিনেমা বা গান রিলিজের পর মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ধারাবাহিক। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ইসলাম ধর্মের পবিত্র বিষয়গুলির অবমাননা বা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো ইত্যাদি।
অতীতের বিভিন্ন অভিযোগসহ সম্প্রতি দক্ষিণ ভারতীয় গানের টিজারে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ, বিবিসি বাংলা-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
কিছু ক্ষেত্রে, সিনেমার মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতীক বা উৎসবকে অবমাননা করার অভিযোগও উঠেছে। যেমন, একটি কার্টুনে ঈদের মত একটি পবিত্র উৎসবকে অবমাননা করার অভিযোগ এনে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল বাংলা নিউজ ২৪-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী।
কিছু চলচ্চিত্র বা ওয়েব সিরিজের বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। যেমন, '৭২ হুর' নামের একটি চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যেখানে মুসলিম নেতাদের একাংশ এর বিষয়বস্তু নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল দৈনিক ইত্তেফাক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী।
(২)
ভারতে ইসলামকে অবমাননা করে ‘জি বাংলা’ চ্যানেলে নতুন ধারাবাহিক
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ঢাকা প্রকাশ
ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলায় সম্প্রচারিতব্য নতুন ধারাবাহিক ‘ইশক সুবহান আল্লাহ’ প্রকাশ্যে আসার পরই তা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সিরিয়ালটির প্রোমো প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম ধর্মাবলম্বী দর্শকদের তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। মুসলমানরা ধারাবাহিকটিকে ইসলাম ধর্ম অবমাননাকর বলে দাবি করছেন।
গণমাধ্যমের সংবাদ অনুযায়ী সিনেমাতে দেখানো হয়েছে- অশান্ত পরিবেশে নায়িকা ও তার হিন্দু বন্ধুদের মসজিদে আশ্রয় নিতে দেখা যায়। পরে মুসলিম নায়ক জানতে পারে তারা মুসলিম নয়। এরপর যে কথোপকথন ও দৃশ্য উপস্থাপিত হয়, তা দ্বীন ইসলাম ও এর পবিত্র স্থান নিয়ে ঘৃণাবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে হয়েছে।
একজন দর্শক মন্তব্য করে, এই সিরিয়ালে দ্বীন ইসলাম নিয়ে অনেক বাজে ধারণা দেখানো হয়েছে, তাই এটি কেউ দেখা উচিত না। ’ আরেকজন লেখেন, ‘সুবহান আল্লাহ মানে কি তারা জানে? আল্লাহর নাম নিয়ে নাটক বানাচ্ছে, এটা কি মেনে নেওয়া যায়?’ একের পর এক এমন মন্তব্যে ভরে গেছে ধারাবাহিকের কমেন্ট বক্স।
এই বিতর্ক আরও তীব্রতর হয় যখন মুম্বাইভিত্তিক ইসলামিক সংগঠন রেজা অ্যাকাডেমি ধারাবাহিকটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। অ্যাকাডেমির পক্ষে আইনজীবী হিতেশ সি সোনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে জানায়, ‘এই সিরিয়াল শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে না, বরং সাধারণ মানুষের মনোজগতে প্রভাব ফেলছে, বিশেষত শিশুদের ওপর। ’
মামলায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিকটিতে দ্বীন ইসলাম সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা ও বিকৃতি ঘটানো হয়েছে। সংলাপ, চিত্রনাট্য ও চরিত্রায়ণে অন্তত ২০টি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে সংস্থাটি।
(৩)
ওরু আদর লাভ: ভারতে মুসলিমদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগ মালয়ালম গানের বিরুদ্ধে
বিবিসি নিউজ
'মাণিক্কিয়া মালারায়্যা পূভি' নামের ওই গানটির একটি টিজার কয়েকদিন আগে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হওয়ার পরে তা ভাইরাল হয়ে গেছে।
এই গানের সিকোয়েন্স নিয়ে আপত্তি তুলেছে মুসলমান সমাজ।
তাদের মধ্যে একজন হায়দরাবাদ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে, যে গানটির চিত্রায়নের ফলে মুসলমান হিসাবে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।
যে ফালাকনামা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই হায়দ্রাবাদ সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বিবিসি বাংলাকে বলেছিলো, "মুকিথ খান নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন যে ওই মালয়ালম ছবির একটি গানে এমন কিছু শব্দ আছে, যা তার দ¦ীনি ভাবাবেগে চরম আঘাত দিয়েছে। "
উল্লেখ্য যে, সেই ছবিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল উলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে ব্যঙ্গ করার অভিযোগ এসেছে। হক্কানী রব্বানী আলেম সমাজ বলেছেন- দ্বীন ইসলামের দৃষ্টিতে এ অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড।
(৪)
‘৭২ হুর’ সিনেমা নিষিদ্ধের দাবি ভারতীয় মুসলিম নেতাদের
ইত্তেফাক
মুক্তির অপেক্ষায় আরেক বিতর্কিত সিনেমা ‘৭২ হুর’। এই ছবি নিয়ে কাশ্মিরের বিশিষ্ট ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতারা নিন্দা করেছেন। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, এই সিনেমা তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে।
সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জম্মু ও কাশ্মিরের গ্র্যান্ড মুফতি নাসির উল ইসলাম বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বিতর্কিত, বিশেষ করে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করে। আমরা এই শিরোনামটি মেনে নেব না। এই চলচ্চিত্রটিকে নিষিদ্ধ করা দরকার।
নিজের বক্তব্যে আরও যোগ করেন, ‘এই সিনেমার প্রযোজকদের কাছে আমার বার্তা হলো যে, তাদের বোঝা উচিত মুসলমানরা ভারতে বসবাসকারী বৃহত্তম সম্প্রদায় এবং তাদের মর্যাদা, সম্মান এবং শান্তির সঙ্গে বাঁচার অধিকার রয়েছে। তাদের সেই মনোভাব নিয়ে বাঁচতে দেওয়া অত্যাবশ্যক। ’
(৫)
ভারতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকে দেয়া হচ্ছে
১৮ মার্চ ২০২৫, সময় নিউজ
সম্প্রতি ভারতের নাগপুরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ উসকে দেয়ার লক্ষ্যে ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে।
বিবৃতিতে ভারতীয় মুসলমানরা বলেন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের উগ্র সাম্প্রদায়িক কর্মীরা সম্রাট আওরঙ্গজেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) উনার সমাধি সরানোর দাবিতে বিক্ষোভের নামে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তারা ইসলামি শাসকের সমাধি সরানোর দাবি তুলে রাজপথে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ইতিহাস ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
বিবৃতিতে বিশ্ব মুসলিম উলামা নেতৃত্ব বলেন, আমরা এই জঘন্য কর্মকা-ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বাদশাহ আওরঙ্গজেব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক, যিনি ইসলামের সেবায় জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার শাসনামল ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে তার নামের ওপর কুৎসা রটিয়ে ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
তারা আরও বলেন, ভারত সরকারকে অবিলম্বে এই সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং মুসলিমদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ইতিহাস রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববাসীকে এ ধরনের ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাই। একইসাথে স্পষ্ট জানাচ্ছি যে, আমরা ভারতীয় মুসলিম উম্মাহর পাশে আছি এবং তাদের ধৈর্য, ঐক্য ও সুন্নাহর পথে অবিচল থাকার আহ্বান জানাই।
(৬)
১১ জুলাই, ২০২৫ হাইকোর্টের মাধ্যমে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে
সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম অবমাননাকর ও চরম উস্কানিমূলক সিনেমা আটকে দিলেও আবার সুপ্রীম কোর্টের রায়ে অতিশীঘ্র তা রিলিজ হওয়ার আশঙ্কা
১১ জুলাই, ২০২৫ ভারতে ‘উদয়পুর ফাইলস নামে সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক সিনেমা রিলিজ হওয়ার কথা ছিল। এর ট্রেলার প্রকাশিত হওয়ার পরই আঁচ করা যায় যে, এতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ভারতের মুসলিমরা। অবশেষে দীর্ঘ শুনানি শেষে দিল্লি হাইকোর্ট সেই সিনেমার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ২০২৫ দিল্লি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সিনেমাটি স্থগিতের রায় দেয়। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।
আদালত নির্দেশ দেয় যে, আবেদনকারীরা যেন সিনেমাটোগ্রাফ আইন, ১৯৫২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী জমা দেওয়া রিভিশন আবেদনের বিষয়ে দুই দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে জানায়। আর সরকারকে এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। ততদিন পর্যন্ত সিনেমার মুক্তি স্থগিত থাকবে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় মাওলানারা বলেন, এটি সংবিধানের আধিপত্যের দৃঢ় প্রমাণ। তিনি বলেন, শিল্প ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে এই নয় যে, কেউ সংবিধান বা নৈতিক সীমা লঙ্ঘন করবে। যদিও সিনেমায় কিছু কাটছাঁট করা হয়েছে, তবু এটি মুসলমানদের ঘৃণা ছড়ানোর বিপজ্জনক উপাদানে ভরপুর।
এর আগে গত সোমবার (৭ জুলাই) ২০২৫ আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদনটি করেন ভারতীয় মাওলানা। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আবেদনে মাওলানারা দাবি করেছেন, ২৬ জুন, ২০২৫-এ মুক্তি পাওয়া সিনেমার ট্রেলারটি এমন সংলাপ ও দৃশ্যসমূহে পরিপূর্ণ যা ২০২২ সালে সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল এবং যার ফলে আবারও সেই একই সাম্প্রদায়িক অনুভূতিগুলো উসকে ওঠার পূর্ণ আশঙ্কা রয়েছে।
আবেদনে ভারতীয় মাওলানা বলেন, সিনেমাটি প্রকৃতপক্ষে নির্লজ্জভাবে আদালতের দৃশ্য দেখায়, মামলার এক পক্ষকে সমর্থন করে এমন এক বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে এবং সেইসাথে একটি বিতর্কিত বক্তব্যও সরাসরি তুলে ধরা হয়েছে - যা রাজনীতিবিদ নুপুর শর্মা দিয়েছিলো - যার ফলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়ায় এবং পরিণামে কানহাইয়া লালের নৃশংস হত্যাকা- ঘটে।
আবেদনে আরও বলা হয়, ট্রেলারটিই যথেষ্ট এটা দেখানোর জন্য যে, এটি অত্যন্ত উসকানিমূলক, যা সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে সক্ষম এবং এর ফলে দেশজুড়ে জনশৃঙ্খলার গুরুতর ব্যাঘাত ঘটতে পারে। যেমনটি পূর্বেও একই বক্তব্যের ফলে ঘটেছিল, যা এখন সিনেমায় পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে।
ফ্রন্টলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান উত্তর ভারতে বলিউড চলচ্চিত্রগুলো মুসলিম চরিত্রগুলোকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। তারা বলছেন, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির ওপর হিন্দু ডানপন্থীদের ক্রমবর্ধমান প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এসব সিনেমায় মুসলিমদেরকে দানব ও নৃশংসভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
তারা বলেন, ১৯৯০-এর দশক থেকে হিন্দি চলচ্চিত্রগুলোতে মুসলিমদের যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে তাকে চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে : ১. জাতির শত্রু হিসেবে ‘মুসলিম আদার’। ২. কল্পিত হিন্দু জাতিতে মুসলিমদের নিম্নতর মর্যাদায় রাখা। ৩. দেশের মধ্যে মুসলিমদেরকে সন্ত্রাসের উৎস হিসেবে দেখানো। এবং ৪. মুসলিম, সন্ত্রাসী ও পাকিস্তানকে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে।
হিন্দুত্ববাদের নিয়ন্ত্রণ:
নিউ ইয়র্ক টাইমসে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রীতিশ বিজেপির হিন্দুত্বাদী নীতির ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রচারের কথা বলেছে। সে বলেছে, বলিউডের অনেক অভিনেতা ও নির্মাতা হিন্দু জাতীয়তাবাদী এস্টাবলিশমেন্টের সাথে অবস্থান করে স্বস্তি পেয়ে থাকে।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা ‘আইএমএফের চাপে’ নতুন করের বোঝা বাড়ছে ৫৫ হাজার কোটি টাকা আইএমএফের শর্ত মানতে গিয়ে সরকারকে জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ এবং সামাজিক খাতে ভর্তুকি কমাতে হয়। এতে সমাজের নিচের স্তরের মানুষের ওপর চাপ বাড়ে।
০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে কী প্রকৃতির মুহব্বত ও ঋতু প্রিয়তার কথা নেই? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে শীতকাল যে কত প্রিয় তা অনেকেরই অজানা। শীতে আছে গণীমত (পর্ব -২)
০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে কী প্রকৃতির মুহব্বত ও ঋতু প্রিয়তার কথা নেই? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে শীতকাল যে কত প্রিয় তা অনেকেরই অজানা। শীতে আছে গণীমত (পর্ব -১)
০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সন্ত্রাসবাদ নয়; জিহাদী যোগ্যতা অর্জন করা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ফরয। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সব নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। উন্নত প্রশিক্ষন, যুদ্ধকৌশল, সামরিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন সাফল্যের শীর্ষে। সরকারের উচিত- দেশের মর্যাদা বুলন্দ ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ত্বকে সমুন্নত রাখতে সেনাবাহিনীর প্রতি সকল প্রকার পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা।
০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এর তথ্যানুযায়ী বেনিয়া বৃটিশগুলো মুসলিম ভারত থেকে লুট করেছে ১২ হাজার লক্ষ কোটি টাকা প্রকৃতপক্ষে তারা লুট করেছে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এখনও বন্ধ করলে যা লাভ হবে চালু রাখলে তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি হবে ৫৩টি পরিবেশবাদী সংগঠনের দাবী অবিলম্বে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হোক কিন্তু তাদের উপেক্ষা করে পরিবেশ উপদেষ্টা প্রমাণ করছে তার পরিবেশবাদী তৎপরতা অন্য পরিবেশবাদীদের সাথে সাংঘর্ষিক এবং তার পরিবেশবাদী প্রচারণা কার্যকলাপ আসলে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নয় বরং বিশেষ প্রভুর নির্দেশনায় (প্রথম পর্ব)
০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জুয়ার নেশায় বুদ হচ্ছে শিশু-কিশোররা-শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ সাইটই পরিচালিত হয় দেশের বাইরে থেকে অনলাইনে জুয়ায় ছোট ছোট বাজির টাকা দিন শেষে একটি বড় অঙ্কের অর্থ হয়ে দেশ থেকে ডলারের মাধ্যমে পাচার হচ্ছে প্রতিদিন এসব খেলা স্বাভাবিক গেমের মতো হওয়ায় প্রকাশ্যে খেলা হলেও আশপাশের মানুষ তা বুঝতে পারেন না কেবলমাত্র ইসলামী মূল্যবোধের উজ্জীবনেই জুয়া বন্ধ সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গার্মেন্টসের চেয়েও বড় অবস্থানে তথা বিশ্বের শীর্ষ অবস্থানে অধিষ্ঠান হতে পারে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে শুধু মাত্র এ খাত থেকেই বছরে ১১ লাখ কোটি টাকা অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ। যা বর্তমান বাজেটের প্রায় দেড়গুণ আর শুধু অনিয়ম এবং সরকারের অবহেলা, অসহযোগীতা দূর করলে বর্তমানেই সম্ভব প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অর্জন জাহাজ নির্মাণ শিল্পের সমৃদ্ধি সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সরকারের গাফলতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা জনগণের জন্যও জরুরী। (২য় পর্ব)
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার রোবে, দোয়ার বরকতে- কুদরতীভাবে কমে যাচ্ছে ডলারের আধিপত্য বাংলাদেশের রিজার্ভ ডলারে রাখা উচিৎ নয়- এতে লাভ আমেরিকার মুসলিম বিশ্বে অভিন্ন মুদ্রা ব্যবস্থা বিশেষত মূল্যহীন কাগজী মুদ্রা বাদ দিয়ে সুন্নতী দিনার-দিরহাম মুদ্রা চালু করা আবশ্যক ইনশাআল্লাহ (দ্বিতীয় পর্ব)
৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিদেশি হাইব্রিড বীজের ফাঁদে দেশের কৃষি। হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফসলের জাত, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। ফুলে-ফেঁপে উঠছে বীজ কোম্পানিগুলো।
২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুশরিক ভারতের প্রতি লা’নত ওদের জনসংখ্যা দিন দিন নিম্নমুখী পক্ষান্তরে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ) বাংলাদেশে জনসংখ্যার এখন ৬৫ ভাগই কর্মক্ষম এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার উর্ধ্বগামী বাংলাদেশ ভোগ করছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রসঙ্গ: মধ্যম আয়ের ফাঁদ এড়াতে সতর্কতা তথা মধ্যম আয়ের স্থবিরতা তাওয়াক্কুল আর তাকওয়া অবলম্বনে সব সমস্যা দূর হয়ে অচিরেই বাংলাদেশ হতে পারবে শীর্ষ সমৃদ্ধশালী দেশ ইনশাআল্লাহ
২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












