তাওবাতুন নাছূহা উনার পরিচিতি
তাওবাতুন নাছূহা ঐ তওবাকে বলা হয় যা অন্তর থেকে একাগ্রতার সহিত ও একনিষ্ঠভাবে করা হয়। তবে তাওবাতুন নাছূহা হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত থাকা আবশ্যক।
(১) গুনাহ্ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা এবং তা পরিপূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা।
(২) কৃত গুনাহের জন্য অন্তর থেকে অনুতপ্ত হওয়া এবং অনুশোচনা প্রকাশ করা।
(৩) আগামীতে গুনাহ্ না করার প্রতি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হওয়া।
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ‘তাওবাতুন নাছূহা’:
যিনি খালিক্ব, মালিক্ব, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উন বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্য শাসক খসরু পারভেজ:
পারস্য শাসক কিসরা উনাকে এগিয়ে আসতে দেখেই দরবারের একজনকে ইঙ্গিত করলো চিঠি মুবারক উনার থেকে নেওয়ার জন্য।
তিনি অন্য কারো হাতে চিঠি মুবারক দিতে অস্বীকার করে বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা সরাসরি পারস্যের শাসকের হাতে দিতেই আমাকে আদেশ মুবারক করেছেন। কিসরা বললো, ‘তাহলে উনাকে আসতে দাও।’ তিনি কিসরার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সরাসরি তার হাতে চিঠি মুবারক হস্তান্তর করলেন।
এরপর কিসরা ইরাকের হীরা-অঞ্চলের একজন আরবী জানা লোককে ডেকে চিঠির বক্তব্য পারস্যভাষায় তাকে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করতেছেন-
خَالِصَةً لَّكَ مِنْ دُونِ الْمُؤْمِنِينَ
এটা আপনার জন্য খাছ করা হয়েছে, অন্য কারো জন্য না। এটা আপনার জন্য খাছ। এটা আপনার শান-মান, মর্যাদা। আর অন্য কারো জন্য নয়। এখানে বলা হচ্ছে, প্রত্যেক পুরুষ মু’মিনকে বিয়ে করতে হলে তাকে মহর দিতে হবে, সাক্ষী থাকতে হবে, ওলী থাকতে হবে ইত্যাদি। এছাড়া সে বিয়ে করতে পারবে না। কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কোনটাই প্রয়োজন নেই। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু।” সুবহানা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করাই কামিয়াবীর একমাত্র উছীলা বা মাধ্যম মুবারক। মূলত মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা প্রত্যেক মুসলমানেরই জন্য ফরযে আইন। কেননা কোনো ব্যক্তিই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ মুবারক ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনাকে কস্মিনকালেও হাছিল করতে পারবে না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে হাছিল করতে হলে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করতে হলে অবশ্যই তাকে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার দায়িমী অনুসারী হতে হবে। আর মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করার মাধ্যমেই মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুহব্বত মুবারক উনার পূর্ব শর্ত হলো মা’রিফত মুবারক অর্জন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফত মুবারক অর্জন তখনই হবে, যখন উনার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উ বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাদের প্রথম বানাত বা মেয়ে হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলা বাকি অংশ পড়ুন...
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا
অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং আপনার বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং মু’মিনদের আহলিয়াগণকে বলে দিন- উনারা যেন উনাদের চাদরের একটা অংশ চেহারা ও বুকের উপর টেনে দেন অর্থাৎ পর্দা করেন। এটা হচ্ছে- উনাদের সম্ভ্রান্ত হওয়ার পরিচয় এবং উনাদেরকে বিরক্ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বুঝতে পারলেন যে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত মুবারক পেশ করে থাকেন, সমস্ত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারাও। সুবহানাল্লাহ! কাজেই তোমরা পবিত্র ছলাত-সালাম পেশ করো পেশ করার মতো। অর্থাৎ অত্যন্ত আদবের সাথে, শরাফতের সাথে, মহব্বতের সাথে, ইখলাছ ও খুলূছিয়াতের সাথে এবং সাখাওয়াতির সাথে তোমারা পেশ করো। সুবহানাল্লাহ! এই পবিত্র আয়াত শরীফ যখন তিলাওয়াত মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবি বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আমরা প্রতিদিন বলে থাকি, প্রত্যেকের জন্য একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করা ফরযে আইন। সে বাইয়াত গ্রহণ করে যিকির-ফিকির করবে, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করবে এবং ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যম দিয়ে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করবে। সুবহানাল্লাহ! সেটাই বলা হচ্ছে, তুমি যিকির-আযকার করো, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো।
وَسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلاً
“এবং সকাল-সন্ধা যিকির করো।” আরেকটা অর্থ হচ্ছে ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব, ইশা তথা পাঁচ ওয়াক্ত নামায ঠিক মতো আদায় করো। তাহলে তোমাদের পক্ষে অন্তর ইছলাহ করা, বিষয়গুলো উপলব্ধি করা সহজ এবং স বাকি অংশ পড়ুন...












