মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উচ্চ সুদহার ব্যবসায়ীরা আর সহ্য করতে পারছেন না। ‘অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এবং উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) ব্যবসায়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এআইটি ও টিডিএস আসলে ট্যাক্স টেরোরিজম বা কর-সন্ত্রাস। ব্যবসায়ীরা ‘কর-সন্ত্রাস’ থেকে মুক্তি চান। ব্যবসায়ীরা অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপ থেকে মুক্তি চান।
, ২০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা বলেছে-
‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না। ’
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকুতি করলেও নরম হয় না।
মিনতি জানালেও দয়া করে না।
যেন সেই প্রবাদ
- চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী।
ব্যবসায়ীরা ‘কর-সন্ত্রাস’ থেকে মুক্তি চান। ব্যবসায়ীরা অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপ থেকে মুক্তি চান। ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
দীর্ঘদিন থেকে দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যা চলমান। নতুন করে ব্যাংক খাতে ঋণের সুদহার এখন প্রায় ১৫ শতাংশ। এত সুদহার দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা ব্যবসায়ীদের পক্ষে অসম্ভব।
পাশাপাশি এক বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে নতুন বিনিয়োগে সাহস করছেন না কেউ। একই সাথে অনির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশকে ব্যাপকভাবে ব্যাহত করছে। এর সঙ্গে আরো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সঙ্কট, আমদানি জটিলতা এবং অর্থনৈতিক নীতির অনিশ্চয়তা। ফলে সরকার ও বেসরকারি খাত নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও কাক্সিক্ষত বিনিয়োগ প্রবাহ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। সরকারি পরিসংখ্যানে বিনিয়োগ বৃদ্ধির দাবি করলেও বাস্তব মাঠপর্যায়ে সেই প্রবাহে রয়েছে বড় ধরনের স্থবিরতা।
ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার অভাব এবং নীতির অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষুণœ করছে। অনেক প্রতিষ্ঠানকে বারবার নিয়ম পরিবর্তনের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের অভাব বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করছে। বিশেষত পোশাক, সিরামিক ও ইস্পাত খাত এ সমস্যার মুখে। বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে হলে শুধু নীতি প্রণয়ন নয়, বাস্তবায়নেও স্বচ্ছতা আনতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসতে চায়; কিন্তু সিস্টেমের জটিলতা ও অস্থিরতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ব্যবসায়ীদের চেয়ে আমলারা দেশ থেকে বেশি অর্থ পাচার করেছে বলে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বাংলাদেশে শুধু ব্যবসায়ীরা বিত্তবান হয়েছেন, নাকি আমলারাও হয়েছেনÑ এই কথাটি বলা হয় না। যে টাকা পাচার করা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাচার করেছেন আমলারা। আমরা ব্যবসায়ীরা এ দায় নিতে চায় না।
ব্যবসায়ীরা সুদহার আর সইতে পারছেন না। ব্যবসার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। তাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাচ্ছে।
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, কুমিল্লায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে আমি ২০১৫ সালে বিনিয়োগ করেছি। এ জন্য বিদেশি সংস্থা থেকে ঋণ করতে হয়েছে। সেখানে গ্যাস-সংযোগের জন্য নিজ টাকায় জমিও কিনে দিয়েছি। কিন্তু এখনো গ্যাস-সংযোগ না পাওয়ায় অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু করতে পারিনি। তিন বছর ধরে প্রচুর সুদ দিতে হচ্ছে।
টিকে গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য সম্প্রতি মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি (এমপিপি) করা হয়েছে। কিন্তু এ নীতিতে হুইলিং চার্জ (প্রক্রিয়াগত মাশুল) বিষয়ে স্পষ্ট করা নেই। বেসরকারি খাতে এলএনজি আমদানির অনুমতি দেয়ার প্রস্তাব করেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীর। তিনি বলেন, আমাদের অন্যতম প্রধান একটি সমস্যা জ্বালানি। আমদানির সুযোগ বাড়ালে জ্বালানি খাতের অনেক সমস্যা কমে আসবে।
অগ্রিম আয়কর ও উৎস করের অতিরিক্ত চাপকে ‘কর সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে এর থেকে দ্রুত মুক্তি চেয়েছেন অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা লাভ করি বা লোকসান করি, সব অবস্থাতেই ট্যাক্স দিচ্ছি। এমনও হয়েছে, লোকসান বেশি করেছি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে। এই অযৌক্তিক চাপ থেকে ব্যবসায়ীরা মুক্তি চান। ’
‘অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এবং উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) ব্যবসায়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। এআইটি ও টিডিএস আসলে ট্যাক্স টেরোরিজম বা কর সন্ত্রাস।
এদিকে দেশ থেকে অর্থ পাচারের বড় অংশ আমলাতন্ত্রের দ্বারা হয়েছে বলে মন্তব্য করে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কি শুধু বিত্তবান হয়েছে, নাকি আমলারাও হয়েছেন- এটা কেউ বলে না। দেশের সবচেয়ে বেশি টাকা পাচার করেছে আমলারা। ব্যবসায়ীদের এই দায় দেওয়া যাবে না। কেউ চুরি করলে তাকে ধরা হোক, কিন্তু সবার ওপর দায় চাপাবেন না। ’
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উচ্চ সুদহার ব্যবসায়ীরা আর সহ্য করতে পারছেন না। ব্যবসায়ের খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম ও ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। ’
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতা ব্যবসায়ীরা সমর্থন করেন না উল্লেখ করে তারা বলেন, ‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করলে চলবে না। ’
সংলাপে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, উৎপাদন ব্যয়, কর কাঠামো, শুল্কনীতি, অবকাঠামো এবং আর্থিক খাতে অনিশ্চয়তা ব্যবসায়ের গতি বাধাগ্রস্ত করছে। তারা দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়ন ও নীতি স্বচ্ছতার ওপর জোর দেন।
মূলত: অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিগত এক বছরের অধিক সময় ধরে হাহাকার চলছে। সরকারের হাতে টাকা নেই। অর্থউপদেষ্টা বলেছেন, ব্যাংক খাত সচল করতে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এর অর্থ হচ্ছে, ব্যাংক খাত ইতিহাসের চরম তারল্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সরকার কোথাও থেকে অর্থ পাচ্ছে না। অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকার মরিয়া হয়ে ‘কর সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যাংকের সুদ হার বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে এমন পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে, লোকসান দিলেও ব্যবসায়ীদের কর দিতে হচ্ছে। লোকসান বেশি দিয়েও কর দেয়া থেকে রেহাই পাচ্ছে না। অর্থাৎ আয় না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া ছাড়া গতি কি! ব্যাংকের যে উচ্চ সুদহার, এ হারে ঋণ নিয়ে ব্যবসা চালানো বা নতুন ব্যবসা শুরু করা অসম্ভব। অন্যদিকে, ট্যাক্স আদায়ে এনবিআর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তার নিয়োজিত শাখাগুলোকে ট্যাক্স আদায়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা দিয়ে থাকে। এ লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ীদেরকে তারা অনেকটা দৌড়ের উপর রাখে। ব্যবসা না হলেও ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স দিতে হবে। টার্গেট পূরণ করতে গিয়ে ট্যাক্স আদায়কারী শাখার কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা থাকে বিপাকে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও উন্নত থাকলে কোনো সমস্যা হয় না। এখন সরকারকে শুকনো কাপড় থেকেও পানি বের করতে হবে। এটা সরকারের চরম ব্যর্থতা।
অস্বীকার করার উপায় নেই, জালিম শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। তবে নতুন বাংলাদেশে সকলেরই আশা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকার ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে খাদের তলানি থেকে তুলে আনতে সক্ষম হবে। সরকার এ কাজটি করতে পারেনি। অর্থনীতি চাঙ্গা করা দূরে থাক, নিজেই চলতে পারছে না। অর্থনীতির সকল সূচক নি¤œগামী। অন্যতম চালিকা শক্তি রফতানি বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে শূন্যের কোঠায়। রেমিট্যান্স থেকে আয় হলেও এককভাবে তা দেশ চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। সামনে যে এ আয় বাড়বে তা নিয়েও এখন শঙ্কা জেগেছে।
শ্রমবাজার সংকুচিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ ভিসা নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি গার্মেন্ট, শ্রমবাজার, আবাসন খাত চরম দুর্দশার মধ্যে। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের এসব খাত সংকুচিত হয়ে গেছে। আবাসন খাত তো পুরোপুরি স্থবির হয়ে গেছে। এ খাতের ব্যবসায়ীদের হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে। এর সাথে যুক্ত ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের বিভিন্ন শিল্পকারখানায়ও উৎপাদন কমে গেছে। রড, সিমেন্ট, ইট, বালু ইত্যাদি নির্মাণ শিল্পও স্থবির হয়ে পড়েছে। কৃষি খাতে কৃষকের উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারের ‘কর সন্ত্রাস’ পরিস্থিতি নাজুক করে ফেলেছে।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো খরচ কমাতে লোকবল ছাঁটাই করছে। এতে লাখ লাখ লোক বেকার হয়ে যাচ্ছে। বিনিয়োগ বলতে কিছু নেই। ব্যাংকের উচ্চ সুদহার ও ‘কর সন্ত্রাস’-এর কাছে ব্যবসায়ীরা অসহায় হয়ে পড়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে ট্যাক্স দেবে? সরকারের আচরণ হয়ে পড়েছে, ‘ভাত দেয়ার মুরোদ নাই, কিল দেয়ার গোসাই’-এর মতো।
বলার অপেক্ষা রাখে না, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক কাবুলিওয়ালার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ঋণ দিয়ে ছড়ি ঘোরায়। সরকারকে তাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চলতে হয়। অর্থনীতি কীভাবে চলবে, কী করতে হবে ইত্যাদি ফর্মুলা দিয়ে থাকে। সরকারের ওপর খবরদারি চালায়। তবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত থাকলে এ খবরদারি খুব একটা চালাতে পারে না। অর্থনীতির দুর্দশার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারকে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চলতে হচ্ছে। তাদের শর্ত ও কথা মানতে গিয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পড়ছে বিপাকে। অনেক দেশ এখন আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক-এর ঋণের ফাঁদ থেকে কীভাবে বের হওয়া যায়, এ পথ ও প্রক্রিয়া খুঁজছে। যত কম সম্ভব সংস্থাগুলোর দ্বারস্থ হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে তাদের খবরদারি থেকে বের হওয়ার জন্য নিজেরাই স্বাবলম্বী হওয়ার নীতি নিয়ে চলছে। বাংলাদেশকেও এ নীতি অবলম্বন করা ছাড়া বিকল্প নেই।
প্রসঙ্গত, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতা ব্যবসায়ীরা বরদাশত করতে পারছেন না উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, ‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না। ’
বিনিয়োগ নীতিতে স্থিতিশীলতা, সরকারি সেবার গতি বৃদ্ধি ও দুর্নীতি নির্মূল করলে, ব্যবসায়ীরাই সরকারকে বিশ্বব্যাংক আই.এম.এফ ইত্যাদির চেয়ে অনেক বেশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা দিতে পারবে।
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকুতি করলেও নরম হয় না।
মিনতি জানালেও দয়া করে না।
যেন সেই প্রবাদ
- চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শতবর্ষ আগের ঐতিহ্যবাহী হেজাজ রেলওয়ে এখনও টিকে আছে জর্ডানে বিশ্বের মুসলমানদের একত্রিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিলো ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ নামে এই রেলপথ হেজাজ রেলওয়ে পূণর্জ্জীবিত করলে এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বকে এক সূতায় বাঁধা সম্ভব সম্ভব মুসলিম বিশ্বের নিজস্ব বাণিজ্য, অর্থনীতি, সমরনীতি সমৃদ্ধ করে নতুন সোনালী অধ্যায়ের সূচনা ইনশাআল্লাহ!
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শুধু চট্টগ্রাম বন্দর, করিডোর অথবা পার্বত্য চট্টগ্রামকে জুমল্যান্ড নামে আলাদা খ্রিস্টান রাজ্য বানানোর গভীর ষড়যন্ত্রই শেষ নয়- বরং অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বলতা তথা আতাতের কারণে বাংলাদেশে নতুন নতুন ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বসানোর পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা।
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অজ্ঞতা, অদক্ষতা এবং দায়িত্বহীনতার কারণেই এলপিজি সংকট। যা সহসাই কাটছে না। ভোগাবে রমজানেও।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হাড়কাঁপানো শীতে যশোরে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু প্রচ- শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে রংপুরে ১০৩ জনের মৃত্যু! হাসপাতালে ভর্তি ১৪০০ জন! নোয়াখালীতে তীব্র শীত, এক মাসে ১৮ শিশুর মৃত্যু দেশজুড়ে তীব্র শীতে কষ্টে মানুষ, বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার বরাবরের মতোই নির্বিকার।
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাগরের বুকে তৈরি হচ্ছে নতুন বাংলাদেশ অনেক বেড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের আয়তন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললে বাংলাদেশ এত বড় হতে পারে যে বর্তমান ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যার পরও বাংলাদেশেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের জন্য লোক আসবে ইনশাআল্লাহ!
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দেশের বাজারে এলপিজি সংকট ভয়াবহ। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ১২ কেজির সিলিন্ডার, দাম ঠেকেছে ২৫০০ টাকা জালেমশাহী হাসিনা সরকারের পেঁয়াজ সিন্ডিকেট, চাল সিন্ডিকেট, তেল সিন্ডিকেট সহ সব সিন্ডিকেট ছাপিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন উপহার এলপিজি সিন্ডিকেট।
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদীদের বন্ধুও বড় শত্রুই বটে! ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়। ইহুদীদের দুরভিসন্ধি এবং সহযোগীতায় আমেরিকা একের পর এক মুসলিম দেশ দখল করে, যুদ্ধ লাগায়, ঘাটি বানায়, সরকার পরিবর্তন করে, গৃহযুদ্ধ ঘটায়, সব বরবাদ করে দেয়।
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
"" জনাব প্রধান উপদেষ্টার প্রতি খোলা জনমত"" লাইফ সাপোর্টে গেলে গুলি লাগলে মারা গেলে ঠিকই দোয়া চাইবেন আর বাকি সময় দোয়ার বিপরীত কাজ করবেন বহুরূপী হাসিনার মত আর কত প্রতারণা করবেন? দোয়ার মালিক মহান আল্লাহ পাক এর গযব থেকে বাঁচতে চাইলে আগামীকালই পবিত্র রমজানে স্কুল খোলার আদেশ প্রত্যাহার করুন
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সোনার চেয়েও অনেক দামী সোনাদিয়া দ্বীপ। বঙ্গোপসাগরে সোনাদিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সন্দীপসহ আরো দ্বীপগুলোতে সোনা নয়, হীরার চেয়েও দামী খনিজ আছে। আরো আছে গারনেট, ইলমেনাইট ও রুটাইল সহ আরো দামী এবং দুর্লভ খনিজ।
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কৃষিপণ্য রপ্তানির অপূর্ব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশের চেয়ে আয়তনে ছোট দেশ নেদারল্যান্ডসের কৃষিপণ্যের রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। দেশে কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮-তে রপ্তানিকারকদের লাইসেন্স ও মান নিয়ন্ত্রণের কথা বলা থাকলেও, মাঠ পর্যায়ে ‘ট্রেসিবিলিটি’ বা পণ্যের উৎস শনাক্তকরণের ব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পর্যায়ে।
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে অন্তর্বর্তী সরকার
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












