মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু কাফির-মুশরিকরা (২)
, ২২ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
আর এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ‘তাফসীরে ইবনে কাছীর শরীফ’-এ উল্লেখ রয়েছে,
مَا ذَاكَ إِلَّا لِأَنَّ كُفْر الْيَهُودِ عِنَادٌ وَجُحُودٌ وَمُبَاهَتَةٌ لِلْحَقِّ وغَمْط لِلنَّاسِ وتَنَقص بِحَمَلَةِ الْعِلْمِ وَلِهَذَا قَتَلُوا كَثِيرًا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ حَتَّى هَمُّوا بِقَتْلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَيْرَ مَرَّةٍ وَسَحَرُوهُ وألَّبوا عَلَيْهِ أَشْبَاهَهُمْ مِنَ الْمُشْرِكِينَ عَلَيْهِمْ لَعَائِنُ اللَّهِ الْمُتَتَابِعَةُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
অর্থ: ইহুদীরা ঈমানদার উনাদের সাথে যে চরম শত্রুতা পোষণ করে তার কারণ এই যে, ইহুদীদের কুফরীসমূহ- চরম অবাধ্যতা, একগুঁয়েমী, জেদ, অবিশ্বাস, আস্বীকার, হক্বের বিরোধীত করা, হক্ব বা সঠিক বিষয়কে মিথ্যারোপ করা, মানুষকে অবজ্ঞা করা, তুচ্ছ জ্ঞান করা, মানুষের নাশুকুরগুজারী করা এবং আলিম বা মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ বান্দা উনাদের মানহানী করা। না‘ঊযুবিল্লাহ! এ কারণে তারা অসংখ্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে শহীদ করেছে। এমনকি তারা স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও শহীদ করার ষড়যন্ত্র করেছিলো। একবার নয়; বার বার। না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তারা (উনার খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করেছিলো, বাড়ীর ছাদের উপর থেকে পাথর মেরে শহীদ করার চেষ্টা করেছিলো,) উনার উপর যাদু করে এবং তাদের ন্যায় দুষ্ট প্রকৃতির মুশরিকদেরকে উনার বিরুদ্ধে একত্রিত করেছিলো (বদর, উহুদ, খন্দকসহ আরো অন্যান্য জিহাদ মুবারক-এ)। না‘ঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত তাদের প্রতি অবিরত ধারায় ক্বিয়ামত অবধি। (তাফসীরে ইবনে কাছীর ৩/১৬৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব অর্থাৎ ইহুদী-নাছারারা চায় আপনারা ঈমান আনার পর কি করে আপনাদেরকে কাফির বানানো যায়। তাদের ব্যক্তিগত হিংসা বশত। ” না‘ঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ১০৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ
অর্থ: নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে (আপনাদেরকে) ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। (এজন্য ক্বিয়ামত পর্যন্ত) তারা খরচ করতেই থাকবে। তারপর এটা তাদের জন্য আফসোসের কারণ হবে। অতঃপর তারা পরাজিত। (তারপরেও মুসলমানদেরকে কাফির বানানোর জন্য তারা খরচ করতেই থাকবে। ) আর যারা কাফির তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি জাহান্নামে একত্রিত করবেন। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা আনফাল : আয়াত শরীফ ৩৬)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত ‘লাইলাতুম মুবারকা’ই হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত (১)
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করলে তা দিগুণ-বহুগুনে বৃদ্ধি করে ফিরিয়ে দেয়া হয়
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের মর্যাদা উম্মতের মাঝে সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম স্থানে
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমানদের ক্ষমতা হারানোর কারণ: জ্ঞান চর্চা থেকে দূরে সরে আসা (১)
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












