গোসলবিহীন অবস্থার হুকুম
যার উপর গোসল ফরয হয়েছে গোসলবিহীন অবস্থায় তার জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ স্পর্শ করা, মসজিদে প্রবেশ করা হারাম। অবশ্য যদি করো মসজিদে পা রাখার একান্ত প্রয়োজন হয়, যেমন হয়তো মসজিদের হুজরা হতে বের হওয়ার পথই মসজিদের ভিতর, তাছাড়া অন্য কোনো পথ নেই, অথবা কেউ হয়তো অন্য কোথাও জায়গা না পেয়ে ঠেকাবশতঃ মসজিদে নিজের বিছানায় শুয়েছিলো, রাতে ইহতিলাম হয়ে গেছে, তখন সঙ্গে সঙ্গে তাইয়াম্মুম করে বাইরে গিয়ে গোসল করবে।
মাসয়ালা: হায়িয এবং নিফাস অবস্থায় নির্জনবাস করা হারাম।
মাসয়ালা: হায়িয ও নিফাসের অবস্থায় স্ত্রীর হাতের পানি পাক; একত্ বাকি অংশ পড়ুন...
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقَرْنَ فِيْ بُيُوْتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْـجَاهِلِيَّةِ الْأُوْلٰى
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক মহিলাদেরকে সম্বোধন করে বলেন “তোমরা আপন গৃহে অবস্থান করো। আইয়ামে জাহিলিয়্যাতের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বাহিরে বের হয়ো না। ” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
তাফসীরে উল্লেখ করা হয়েছে, হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কথার পরিপ্রেক্ষিতে কমপক্ষে কুরআন শরীফের ২২ খানা আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী ছাড়া কোন কথা বলেন না, ওহী ছাড়া কোন কাজ করেন না।
হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার যেটা পছন্দ হতো আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সে বিষয় প্রস্তাব করতেন। দেখা যেত, আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। সু বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اُمَيْمَةَ بِنْتِ رُقَـيْـقَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَـنْـهَا قَالَتْ كَانَ لِلنَّبِـىِّ صلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ قَدَحٌ مِّنْ عِيْدَانٍ فَـيَـبُـوْلُ فِيْهِ يَضَعُهٗ تَـحْتَ السَّرِيرِ فَجَاءَتِ امْرَاَةُ ۣ اسْـمُهَا سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ بَرَكَةُ عَلَيْـهَا السَّلَامُ فَشَرِبَــتْهُ فَطَـلَـبَهٗ فَـلَمْ يَـجِدْهُ فَقِيْلَ شَرِبَـتْهُ سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ بَـرَكَةُ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ) فَـقَالَ لَقَدِ احْتَظَرَتْ مِنَ النَّارِ بِـحِظَارٍ
অর্থ: “হযরত উমাইমাহ বিনতে রুক্বাইক্বাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহ বাকি অংশ পড়ুন...
৮২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ الرِّحْلَةِ/ نُوْرُ الْوِصَالِ شَرِيْفٌ নূরুর রিহলাহ্/ নূরুল বিছাল শরীফ (প্রস্থান)
৮৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শিশুকাল মুবারক نُوْرُ الْاَحْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ্রার মুবারক (মহৎ, স্বাধীন, মুক্ত)
৮৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিশোরকাল মুবারক نُوْرُ الْـحَسَنَةِ مُبَارَكٌ নূরুল হাসানাহ্ মুবারক (খুব ছূরত)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضَرَتْ عُمَرُو بْنِ شُعَيْبِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَده اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا لاَتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلا بِالنَّصَارٰى.
অর্থ: “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার নবী, জলীলুল ক্বদর রসূল, যিনি উলুল আযম মিনার রসূল, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেছেন যে, একস্থানে তিনি একবার রাস্তা দিয়ে কোথাও হেঁটে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ দেখলেন তিনি দুনিয়াকে। তার ছূরত হচ্ছে- মহিলার ছূরত। তার প্রতি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার একটা হাত সামনে, একটা হাত পিছনে। সামনেরটা খুব রঙ্গীন, চাকচিক্যময়। তিনি দুনিয়াকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, “হে দুনিয়া! তোমার এই ছূরত কেন? তোমার একটা হাত সামনে, একটা হাত পিছনে। তোমার পিছনের হাতটা আমাকে দেখাও। ” যখন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি বললেন একথা, বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন এবং পালন করার জন্য উৎসাহিত করেছেন:
এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّهٗ كَانَ يُـحَدِّثُ ذَاتَ يَوْمٍ فِىْ بَيْتِهٖ وَقَائِعَ وِلَادَتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِقَوْمٍ فَيَسْتَبْشِرُوْنَ وَيُـحَمِّدُوْنَ اللهَ وَيُصَلُّوْنَ عَلَيْهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاِذَا جَاءَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَلَّتْ لَكُمْ شَفَاعَتِىْ.
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসআরএস) রিপোর্টে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান অনুপাতের মধ্যে কর্মক্ষম গোষ্ঠীর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা। ০-১৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ভারতীয় নারীদের মধ্যে প্রজননের হার কমেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ০-১৪ বছর বয়সীদের হার ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যার ৪১.২ শতাংশ ছিল। ১৯৮১ সালে ২০ বছরের মধ্যে সেটি কমে ৩৮.১ শতাংশে দাঁড়ায়। একইভাবে ১৯৯১-২০২৩ সালে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
কুমিল্লার বুড়িচং সদরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের ভেতরে এক নারী গ্রাহকের নাকে-মুখে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ (স্কোপোলামিন) ছিটিয়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বুড়িচং থানায় লি বাকি অংশ পড়ুন...












