মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ হাদিয়া মুবারক করার সাথে সাথে অনুরূপ তথা মহাপবিত্র সুন্নত মুবারকও হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কালামুল্লাহ শরীফ থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, প্রচার ও প্রসারে অগ্রগামী হয়ে মুবারক নির্দেশনা মুতাবিক সুন্নত মুবারক অনুসরণের মাধ্যমেই হাক্বীক্বী হিদায়েত মুবারক লাভ করার সাথে সাথে ঈমান ও আমলের উপর ইস্তিক বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত পর্বসমূহের দলীলভিত্তিক আলোচনা থেকে যে বিষয়গুলো প্রমাণিত হলো তার সারসংক্ষেপ:
১. মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরবানী করতে আদেশ মুবারক করেছেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক পালন করা আবশ্যক। তাই সম্মানিত শরীয়তে সামর্থ্যবান সবার জন্য পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব করা হয়েছে।
২. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রত্যেক পরিবারকে পবিত্র কুরবানী মুবারক করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। উনার আদেশ মুবারক পালন করাও আবশ্যক। তাই সম্মানিত শরীয়তে সামর্থ্যবান সবার জন্য পবিত্র কুরবানী করা ও বাকি অংশ পড়ুন...
যখন এই ব্যক্তি এই আয়াত শরীফ বললো, তার অর্থ করলো এবং তার ব্যাখ্যা করলো সেটা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শুনলেন।
উনি শুনে বললেন যে, সত্যিই সে সুন্দর ব্যাখ্যা করেছে। যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ইতায়াত করবে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার ফরযগুলো পালন করবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইতায়াত করবে, সুন্নত মুবারকগুলো পালন করবে, মহান আল্লাহ পাক উনাকে তার অতীতকালের জন্য ভয় করবে, পিছনের আমলের জন্য এবং সামনের জিন্দেগীর জন্য যে পরহেযগারী ইখতিয়ার করবে, তাক্বওয়া হাছিল করবে সেই ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
৯৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হেলান দেয়া শান মুবারক نُوْرُ الْقَرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল ক্বর্রা মুবারক (স্থায়ী)
৯৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বৃদ্ধকাল মুবারক نُوْرُ النَّوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাওওর্য়া মুবারক (বহুত আলোকিত)
৯৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুস্থতা মুবারক نُوْرُ الْاِسْتَوٰى مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্اَلْـحَمْدُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ لِشَيْخِنَا مَـمْدُوْحْ مُرْشِدْ قِـبْـلَةْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ سُلْطَانٍ نَّصِيْـرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَعَلـٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلـٰى سَيّـِدِ الْاَنْۢبِيَاءِ وَالْـمُرْسَلِـيْـنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلـٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالْـحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِـيْـنَ. اَمَّا بَـعْدُ
যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ وَاللهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيْمِ
“যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ববর্তী শরীয়তেও আক্বীক্বার হুকুম ছিল
২য় দলীল
ছহীহ সনদে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْـنَ الثَّالِثَةِ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اَلصِّدِّيْـقَةِ عَلَيْـهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانُـوْا فِـى الْـجَاهِلِـيَّةِ اِذَا عَقُّوْا عَنِ الصَّبِـىِّ خَضَبُـوْا قُطْـنَةً بِدَمِ الْعَقِيْـقَةِ فَاِذَا حَلَقُوْا رَأْسَ الصَّبِـىِّ وَضَعُوْهَا عَلٰى رَأْسِهٖ فَـقَالَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِجْعَلُوْا مَكَانَ الدَّمِ خَلُوْقًا
“মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, জাহিলীযুগে লোকজন যখন শিশু সন্তানের আক্ব বাকি অংশ পড়ুন...
চার মাযহাবের ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের
ফিক্বাহ্ শাস্ত্রের আলোকে মহিলাদের নামাযের পার্থক্য:
১) ফিক্বহে হানাফী:
قَالَ حَضْرَتْ مُحَمَّدٌ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ: أَحَبُّ إِلَيْنَا أَنْ تَجْمَعَ رِجْلَيْهَا فِي جَانِبٍ، وَلَا تَنْتَصِبَ انْتِصَابَ الرَّجُلِ
অর্থ: ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম ছাত্র হযরত ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “আমাদের নিকট পছন্দনীয় হলো, মহিলারা নামাযে বসার সময় উভয় পা একপাশে মিলিয়ে রাখবেন। পুরুষের মত এক পা দাঁড় করিয়ে রাখবেন না। {কিতাবুল আসার, ইমাম মুহম্মদ রহমতুল্লাহি আলাইহি-১/৬০৯}
رَوَى اِمَامُن বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّه نَـهَي النِّسَاءَ عَنِ الْـخُرُوْجِ اِلَـى الْـمَسَاجِدِ فَشَكَوْنَ اِلٰى اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَقَالَتْ اُمُّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَائِشَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ لَوْ عَلِمَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا عَلِمَ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَا اَذِنَ لَكُمْ فِي الْـخُرُوْجِ.
অর্থ : হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে বাইরে বের হয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেন। অতঃপর মহিলা উনারা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার খিদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ
অর্থ: তোমরা মুশরিকদেরকে (অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিককে) জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দাও। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যেহেতু এই যুদ্ধের প্রধান ও হেড কমান্ডার। এবং উনার নির্দেশনায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় এই জিহাদ সংঘটিত হয়েছিলো; তাই বলাই যায় তিনি সম্মানিত ইসলাম উনার ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। উনার বিছাল শরীফের পর স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসতে পারে, উনার মাজার শরীফ কোথায় অবস্থিত। তবে বিভিন্নজনদের মতে, উনার মাজার শরীফ কোথায় তা চিহ্নিত করা নেই। কেউ কেউ উনার মাজার শরীফ এখনো তালাশ করে।
এই কথা বলা অনাবশ্যক যে, প্রথমত এত বছর পর এসে দুই গজ লম্বা ও এক গজ চওড়া একটি স্থানে নির্ভুলভাবে নির্দেশ করতে পারা বাকি অংশ পড়ুন...












