সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার রোযা মু’মিন-মুসলমান উনাদের উপর ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান উনাদেরকে পুরো রমাদ্বান শরীফ মাস রোযা পালন করার ব্যাপারে সম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন । যুগে যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের উম্মতের উপরও পবিত্র রোযা পালন করা ফরয ছিল। সে ধারাবাহিকতায় মহান আল্লাহ পাক তিনি আখিরী উম্মতের প্রতিও সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার রোযা ফরয করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
ياأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِي বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফতকালে পারস্য বিজয়ের জন্য যে অভিযান পরিচালিত হয়, তার সেনাপতি এবং দায়িত্বশীল হিসেবে মনোনীত হন দ্বীন ইসলাম উনার বীর সিপাহসালার হযরত সাদ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।
সে সময় পারস্যের শাসক ছিলো ইয়াজদ গের্দ এবং তার প্রধান সেনাপতি ছিল রুস্তম। হযরত সাদ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মুসলিম ফৌজ নিয়ে রওয়ানা হলেন এবং কাদেসিয়া নামক স্থানে অবস্থান নিলেন। সেখান থেকে তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার দিক নির্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০০১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সারাংশ হলো:- “সেই রাজাকার: ’৭১-এর রাজাকার দেইল্যা এখন মালানা সাঈদী।” ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদের মূল বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হলো।
৭) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেইল্যা ছিল পাড়েরহাটের বাদুরা গ্রামের ইউনুস মুন্সীর জামাই এবং বেকার। একটি মুদি দোকানে বসে আড্ডা মারতো।
৮) যুদ্ধকালে পারেরহাট বাজারেও সাঈদী তার রাজাকার বাহিনী নিয়ে হেলাল উদ্দিন পসারী, রইস উদ্দিন পস বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা সকলেই জানি যে, বাংলাদেশের বর্তমান পাঠ্যপুস্তকের প্রায় প্রতি পৃষ্ঠাই প্রাণীর ছবি সম্বলিত। আমরা আগেই জেনেছি যে, প্রাণীর ছবি থাকলে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার করুণা তথা রহমত বর্ষিত হয় না। আর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া, করুণা বা রহমত ব্যতীত কারো পক্ষে শিক্ষার বিষয়ের মূলভাব উপলব্ধি করা, এটার মাধ্যমে ফায়দা নেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। আর এজন্যই মূলতঃ মুসলমানগণ হাক্বীক্বী ঈমানী চেতনা, দ্বীনি শিক্ষা, ইসলামের জীবন্ত ইতিহাস থেকে বঞ্চিত হয়ে পাশ্চাত্যের গুমরাহী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেদের অস্তিত্বকে বাত বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বর্তমানে সবচেয়ে বেশী আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, দূর্নীতি, অর্থপাচার, অনাচার, অনিয়ম, অন্যায় সামাজিক অবক্ষয়, পরকিয়া, মাদক, দুর্ঘটনা, ভেজাল অন্যতম।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রচলিত দন্ডবিধি, আইন আদালত এসব দমনে যথেষ্ট হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তা হয়নি। পাশাপাশ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যাকাত দেয়ার সর্বোত্তম ও সঠিক স্থান হচ্ছে রাজারবাগ দরবার শরীফস্থ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা। কারণ ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’ উন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পানি নিয়ে রাজধানীর একজন বাড়ির দারোয়ানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, শীতকালে দিনে তিনবার পানি ওঠাই। কিন্তু গ্রীষ্মকালে পানির চাহিদা বেশি থাকে। এই পানি আবার ওয়াসার লাইন থেকে টেনে আনতে হয়। অনেক সময় মধ্যরাতে বা ভোরে ওয়াসার লাইনে পানি আসে। তখন সারারাত পানি টেনে আনার জন্য বসে থাকতে হয়।
ওয়াসার পানি সংগ্রহের এ পদ্ধতি পুরো ঢাকা শহরেই। প্রতিটি বাড়িতে ওয়াসার লাইন থেকে পানি টেনে আনতে আলাদা মোটর রয়েছে। এতে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল দিতে হচ্ছে। বাড়ির মালিকদের অভিযোগ, অধিকাংশ সময় ওয়াসার লাইনে পানি থাকে না। মোটর দিয়ে টেনেও পানি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জানি, অনেক আন্তর্জাতিক শক্তি আছে, এই ধারাবাহিক গণতন্ত্র তাদের পছন্দ হয় না। আর আমাদের কিছু আঁতেল আছে, তাদের তো (ধারাবাহিক গণতন্ত্র) পছন্দই না। তারা মনে করে, একটা অস্বাভাবিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে তাদের কদর বাড়ে। কারণ যারা অবৈধভাবে যারা ক্ষমতায় আসে, তাদের কিছু লোক হাতের লাঠি লাগে বা খুঁটি লাগে। সেই লাঠি হতে পারছে না বলেই তাদের মনে খুব দুঃখ।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সমালো বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেছেন, আমি ইতোমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছি, কথা বলেছি তাদের সঙ্গে। তারা (ব্যবসায়ীরা) ঘোষণা দিলো ১৯০-১৯৫ টাকা, আজ কেন তারা ১৬০ টাকায় বিক্রি করছে? আমাদের প্রান্তিক চাষিদের কিন্তু তাহলে লস দিয়ে বিক্রি করতে হবে যেহেতু ফিডের দাম বেশি। আমাদের ক্ষুদ্র খামারিরা বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হবে। আমরা এই বিষয়টি দেখছি।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) তিনি এ তথ্য জানান। এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, তাহলে আমার প্রশ্ন এখানে, যে মু বাকি অংশ পড়ুন...
পঞ্চগড় সংবাদদাতা:
এমনিতেই দেশের কৃষকরা আলুর দাম পাচ্ছে না। এরই মধ্যে ভারত থেকে চোরাইপথে নিম্নমানের কমদামী আলু আসায় আরও চিন্তায় চাষীরা। জানা গেছে, পঞ্চগড় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আসছে ভারতীয় আলু। প্রকাশ্যে দিবালোকে আসা এসব আলু পরে চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। আলু চোরাই পথে আমদানি হওয়ায় সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় চাষিরা।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত এলাকায় কয়েকদিন ধরেই জমে উঠেছে ভারতীয় আলুর কারবার। স্থানীয় চোরাকারবারীদের মাধ্যমে এসব আলু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা শহরে প্রতিদিন যাতায়াত করা মানুষের জন্য রাজধানী জুড়ে পাবলিক টয়লেট আছে মাত্র ১৩৩টি। যাতায়াতকারী মানুষের সংখ্যা কোটি ধরলেও প্রতি ৭৫ হাজার মানুষের জন্য মাত্র একটি পাবলিক টয়লেট। টয়লেট সংকটের কারণে প্রতিদিনই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন মানুষ। যার ফলে রাস্তার পাশে, গাছের আড়াল, এমনকি ফুটপাতেই ইস্তেঞ্জা করছে অনেকে। ব্যবস্থাপনার অভাবে পুরো শহরটাই যেন এখন পাবলিক টয়লেট।
বেসরকারি সংস্থা ওয়াটার এইডের তথ্যমতে, রাজধানী ঢাকায় প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। এর মধ্যে বসবাসরত ও বহিরাগত মিলিয়ে প্রায় এক কোটি মানুষ প্ বাকি অংশ পড়ুন...












